নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় করা এক মামলা থেকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির ৬৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন অব্যাহতির এই আদেশ দেন।
অব্যাহতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম প্রমুখ রয়েছেন।
২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলটির নেতা-কর্মীরা আসেন। এ সময় তাঁরা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা দেন। ককটেলের বিস্ফোরণও ঘটানো হয়।
এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে রমনা থানায় মামলা করে পুলিশ। ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতে অতিরিক্ত পিপি মো. রফিকুল ইসলাম খান জানান, তদন্ত কর্মকর্তার অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় করা এক মামলা থেকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির ৬৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন অব্যাহতির এই আদেশ দেন।
অব্যাহতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম প্রমুখ রয়েছেন।
২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলটির নেতা-কর্মীরা আসেন। এ সময় তাঁরা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা দেন। ককটেলের বিস্ফোরণও ঘটানো হয়।
এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে রমনা থানায় মামলা করে পুলিশ। ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতে অতিরিক্ত পিপি মো. রফিকুল ইসলাম খান জানান, তদন্ত কর্মকর্তার অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে