
এক মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের জেরে খাগড়াছড়িতে সহিংসতার ঘটনায় অশান্ত হয়ে উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। নিরাপত্তার শঙ্কায় পাহাড়ে যাওয়া স্থগিত করছেন পর্যটকেরা, বাতিল করছেন হোটেল-মোটেলের বুকিং। এতে ধস নেমেছে পাহাড়ের পর্যটন ব্যবসায়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার কথা শুনে তড়িঘড়ি করে আসলাম। কিন্তু ওর সাথে শেষবারের মতো আর কথা হলো না। দিনে ছয় থেকে সাতবার কথা হতো ওর সাথে। শেষবার বলছিল, “বাবা, তুমি কবে আসবা?” আমি তাকে বলেছিলাম, এখন তো সময় পাচ্ছি না। ঢাকায় যেতে টাকা-পয়সার ব্যাপার-স্যাপার আছে। আগামী মাসের ১৫ তারিখ আমি অবশ্যই

সন্ত্রাসীরা তাঁদের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। না দিলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

‘নববর্ষে সবাই মিলে একসমানে একসঙ্গে জলকেলিতে যায়, ও ও ভাইয়েরা ও ও বোনেরা, খুশিতে মিলিত হয়।’ গতকাল বুধবার সকালে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই জল উৎসবের অন্যতম জনপ্রিয় গানটি গেয়ে যখন মারমাশিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করলেন, ঠিক সেই সময়ে হাজারো লোকের কলরবে মুখর হয়ে ওঠে রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী...