
ভালো ফলনের আশায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) থেকে প্যাকেটজাত ব্রি-৮৮ ধানের বীজ কিনে জমিতে রোপণ করেছিলেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার হাওরপাড়ের কৃষক গোলাপ মিয়া। কিন্তু আশার বদলে এখন হতাশাই সঙ্গী—একই জমিতে দেখা মিলছে তিন-চার ধরনের ধানগাছ, যা নিয়ে মহাবিপদে তিনি।

রাজধানীর কদমতলী ও ডেমরা এলাকায় ভেজাল ও নকল ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্যসামগ্রী জব্দ ও একটি কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।

খাইরুল ইসলাম দুধ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি, সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ দিয়ে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব ভেজাল দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন চিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন।

লোশনটি ক্রয়ের পর তাঁর কাছে নকল বলে সন্দেহ হয়। মোড়কের গায়ে লেখা বারকোড স্ক্যান করে সংশ্লিষ্ট ফিলিপাইনের এপেক্স পয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ওষুধটি নকল ও ফেক প্রোডাক্ট হিসেবে জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন।