তাসনিফ আবীদ

পৃথিবীতে যাঁর আগমনে অন্ধকার কেটে আলো এসেছিল, যিনি এসেছেন সব মানুষের জন্য রহমত হয়ে, তিনি আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)। একজন মুসলমানের কাছে তাঁর ভালোবাসার কোনো বিকল্প নেই। কারণ নবীজিকে (সা.) ভালোবাসা মানেই আল্লাহর প্রিয় হওয়া, তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া। তাই দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে রাসুলকে (সা.)।
শুধু মুখে মুখে নয়; হৃদয়ে, জীবনে, আমলে সেই ভালোবাসার ছাপ রাখতে হবে। নবীজির (সা.) শিক্ষা, তার প্রিয় কাজগুলো জানলেই সেই ভালোবাসা আরও দৃঢ় হয়। সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখে প্রকাশিত হয়েছে সিরাত-ভিত্তিক নতুন বই ‘নবীজির প্রিয় ১০০’।
কোরআন-হাদিস, আধুনিক বিজ্ঞান ও ছয় শতাধিক রেফারেন্সের আলোকে লিখিত এ বইতে নবীজির প্রিয় খাদ্য, পোশাক, বাহন, পানিপানের পাত্র থেকে শুরু করে নবীজির প্রিয় সাহাবি, চাচা, স্ত্রী, নাতি-নাতনিসহ জীবনের নানা দিক এক মলাটে তুলে ধরা হয়েছে। এমনকি কোনো স্ত্রীর ইন্তেকালের পরেও তাঁর কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত হয়েছেন, কোনো প্রিয়জনকে কষ্ট দিলে তিনি কষ্ট পাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন—এসব তথ্যও স্থান পেয়েছে বইটিতে।
লেখক মুফতি আবদুল্লাহ তামিম বলেন, বইটি সাবলীল ও সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে, যাতে বড়রা যেমন গভীরভাবে উপকৃত হবেন, ছোটরাও আনন্দের সঙ্গে পড়ে নবীপ্রেমে ভরে উঠবে। আপনার সন্তানদের সিরাতের প্রতি আকৃষ্ট করতে এবং প্রিয় নবীর ভালোবাসায় গড়ে তুলতে এ বই হতে পারে একটি মূল্যবান উপহার।
রাসুলুল্লাহর (সা.) যাপিত জীবনই মানবতার শান্তি ও মুক্তির সংবিধান, মুসলিম উম্মাহর পরিপূর্ণ আদর্শ, মুমিন-জীবনের আয়না। তাঁর প্রতিটি কথা, কাজ, পছন্দ-অপছন্দ, আচার-অভ্যাস ও মৌন সম্মতিই ছিল আমাদের জন্য বিধান ও শিক্ষা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা আশেকে রাসুল দাবি করলেও জানি না কোন কাজগুলো ছিল তাঁর প্রিয় ও পছন্দের; কোন বিষয়গুলো তিনি ভালোবাসতেন!
‘নবীজির প্রিয় ১০০’ বইটি এই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাভাষীদের জন্য একদমই ব্যতিক্রমী প্রয়াস, সন্দেহ নেই। বইটি শুধু ইতিহাস বা সিরাতের ধারাবাহিক বর্ণনা নয়, বরং নবী-জীবনের নানামুখী বর্ণচ্ছটায় তৈরি সুবিন্যস্ত এক পুষ্পস্তবক। পাঠকমাত্রই বইয়ের পাতায় পাতায় আবিষ্কার করবেন নবীজির প্রিয় ও পছন্দের কাজ, থরে থরে সাজানো ভালোবাসার দাস্তান!

পৃথিবীতে যাঁর আগমনে অন্ধকার কেটে আলো এসেছিল, যিনি এসেছেন সব মানুষের জন্য রহমত হয়ে, তিনি আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)। একজন মুসলমানের কাছে তাঁর ভালোবাসার কোনো বিকল্প নেই। কারণ নবীজিকে (সা.) ভালোবাসা মানেই আল্লাহর প্রিয় হওয়া, তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া। তাই দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে রাসুলকে (সা.)।
শুধু মুখে মুখে নয়; হৃদয়ে, জীবনে, আমলে সেই ভালোবাসার ছাপ রাখতে হবে। নবীজির (সা.) শিক্ষা, তার প্রিয় কাজগুলো জানলেই সেই ভালোবাসা আরও দৃঢ় হয়। সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখে প্রকাশিত হয়েছে সিরাত-ভিত্তিক নতুন বই ‘নবীজির প্রিয় ১০০’।
কোরআন-হাদিস, আধুনিক বিজ্ঞান ও ছয় শতাধিক রেফারেন্সের আলোকে লিখিত এ বইতে নবীজির প্রিয় খাদ্য, পোশাক, বাহন, পানিপানের পাত্র থেকে শুরু করে নবীজির প্রিয় সাহাবি, চাচা, স্ত্রী, নাতি-নাতনিসহ জীবনের নানা দিক এক মলাটে তুলে ধরা হয়েছে। এমনকি কোনো স্ত্রীর ইন্তেকালের পরেও তাঁর কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত হয়েছেন, কোনো প্রিয়জনকে কষ্ট দিলে তিনি কষ্ট পাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন—এসব তথ্যও স্থান পেয়েছে বইটিতে।
লেখক মুফতি আবদুল্লাহ তামিম বলেন, বইটি সাবলীল ও সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে, যাতে বড়রা যেমন গভীরভাবে উপকৃত হবেন, ছোটরাও আনন্দের সঙ্গে পড়ে নবীপ্রেমে ভরে উঠবে। আপনার সন্তানদের সিরাতের প্রতি আকৃষ্ট করতে এবং প্রিয় নবীর ভালোবাসায় গড়ে তুলতে এ বই হতে পারে একটি মূল্যবান উপহার।
রাসুলুল্লাহর (সা.) যাপিত জীবনই মানবতার শান্তি ও মুক্তির সংবিধান, মুসলিম উম্মাহর পরিপূর্ণ আদর্শ, মুমিন-জীবনের আয়না। তাঁর প্রতিটি কথা, কাজ, পছন্দ-অপছন্দ, আচার-অভ্যাস ও মৌন সম্মতিই ছিল আমাদের জন্য বিধান ও শিক্ষা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা আশেকে রাসুল দাবি করলেও জানি না কোন কাজগুলো ছিল তাঁর প্রিয় ও পছন্দের; কোন বিষয়গুলো তিনি ভালোবাসতেন!
‘নবীজির প্রিয় ১০০’ বইটি এই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাভাষীদের জন্য একদমই ব্যতিক্রমী প্রয়াস, সন্দেহ নেই। বইটি শুধু ইতিহাস বা সিরাতের ধারাবাহিক বর্ণনা নয়, বরং নবী-জীবনের নানামুখী বর্ণচ্ছটায় তৈরি সুবিন্যস্ত এক পুষ্পস্তবক। পাঠকমাত্রই বইয়ের পাতায় পাতায় আবিষ্কার করবেন নবীজির প্রিয় ও পছন্দের কাজ, থরে থরে সাজানো ভালোবাসার দাস্তান!

শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
৭ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১১ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বাকাশ ভ্রমণ মানব ইতিহাসের একটি অলৌকিক ঘটনা। এই সফরে নবীজি (সা.) সপ্তম আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার এত নিকটবর্তী হয়েছিলেন, যেখানে কোনো ফেরেশতা এমনকি জিবরাইল (আ.)-ও যেতে পারেননি। নবীজি (সা.)-এর এই মহাযাত্রা উম্মতের জন্য আল্লাহর কুদরতের বিশেষ নিদর্শন হয়ে আছে।
১৪ ঘণ্টা আগে