
জুলাই মাসের পর আগস্ট মাসেও দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। অর্থাৎ, এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক শূন্য ৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশ খানিকটা কমে যাওয়ার প্রভাবে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। গত জুলাইয়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত জুনে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১০ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ খাতে নিয়োজিত রয়েছেন দেশে ৪৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ মানুষ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ফসল পরিসংখ্যান ও কৃষি শ্রমিক মজুরি বিষয়ক ত্রৈমাসিক....

দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ঘরে উঠেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে, মূল্যস্ফীতি আসলে কী? জনজীবনে এর প্রভাবইবা কী?