ইসলামি জীবনদর্শনে বিয়ের মাধ্যমে একটি পবিত্র দাম্পত্য সম্পর্কের সূচনা হয়। এই সম্পর্ক আজীবন অটুট থাকা এবং পারিবারিক সুখ বজায় রাখাই ইসলামের মূল লক্ষ্য। কিন্তু বর্তমান সময়ে বিবাহবিচ্ছেদের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিচ্ছেদ শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কই শেষ করে না, বরং একটি সাজানো পরিবারকে তছনছ করে দেয় এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ বিপর্যস্ত করে তোলে।
দাম্পত্য জীবনে কেন ফাটল ধরে এবং কোরআন ও হাদিসের আলোকে এই সমস্যাগুলোর সমাধান কী, তা বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হলো।
দাম্পত্য জীবনে ভাঙনের প্রধান কারণসমূহ
বিবাহবিচ্ছেদ সাধারণত হঠাৎ ঘটে না; এটি দীর্ঘদিনের অবহেলা ও পুঞ্জীভূত সমস্যার ফল। নানা কারণে বিবাহবিচ্ছেদের মতো ঘটনার উদ্ভব ঘটে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো—
দাম্পত্য-সংকট নিরসনে ইসলামের সমাধান
ইসলাম শুধু অধিকারের কথা বলে না, বরং কর্তব্যের ওপরও জোর দেয়। বিচ্ছেদ রোধে ইসলামের কিছু অনন্য সমাধান নিচে তুলে ধরা হলো—
তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে ইসলামের সর্বশেষ পর্যায়, যা শুধু চরম অনিবার্য প্রয়োজনেই বৈধ করা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্য হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু তা আলোচনার মাধ্যমে এবং প্রয়োজনে দুই পরিবারের হস্তক্ষেপে মিটিয়ে ফেলাই ইসলামের নির্দেশনা। পারস্পরিক সম্মান এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে যেকোনো দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী ও সুখের হতে পারে।
লেখক: সহকারী শিক্ষাসচিব, মাদ্রাসা আশরাফুল মাদারিস, তেজগাঁও, ঢাকা।

হজ মূলত মহান আল্লাহর সঙ্গে বান্দার এক নিবিড় আধ্যাত্মিক সংযোগের মাধ্যম। হজের প্রতিটি ধাপ—ইহরাম বাঁধা, কাবা শরিফ তাওয়াফ, সাফা-মারওয়া সায়ি ও আরাফাতের ময়দানে অবস্থান—সবকিছুই নির্দিষ্ট দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে পূর্ণতা পায়। হজের সফরকে অর্থবহ ও পুণ্যময় করতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দোয়া অর্থসহ জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
৯ ঘণ্টা আগে
ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে হজ অন্যতম। এটি এমন একটি ইবাদত, যাতে শারীরিক ও আর্থিক উভয় শ্রমের সমন্বয় রয়েছে। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের ওপর জীবনে একবার হজ পালন করা ফরজ।
১৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোনো কোনো অঞ্চলে এ কথা প্রচলিত আছে—কোরবানির ঈদের দিন হাঁস-মুরগি জবাই করা যায় না। এ বিষয়ে ইসলামের বিধান হলো, হাঁস-মুরগি দিয়ে কোরবানি আদায় হয় না, তা ঠিক। কিন্তু এগুলো কোরবানির ঈদের দিন জবাই করা যাবে না—এমন কথা ঠিক নয়। কোরবানির দিনগুলোয় মাংস খাওয়ার জন্য হাঁস-মুরগি জবাই করা যাবে।
১ দিন আগে