সকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে

ঈদের নানা কাজের ব্যস্ততা, আড্ডা আর ঘোরাঘুরির চোটে অনেকেই স্মার্টফোনের চার্জের কথা একদম ভুলে যান। এবার জেনে রাখুন, ঈদের এই ব্যস্ততা আর বিদ্যুৎ-সংকটের মধ্যেও কীভাবে স্মার্টফোনের চার্জ দীর্ঘসময় ধরে রাখবেন।

২০০৭ সালে অ্যাপল যখন প্রথম আইফোন বাজারে আনে, তখন স্মার্টফোনের দুনিয়া থেকে ফিজিক্যাল বাটন বা বোতামওয়ালা কি-বোর্ডগুলো কার্যত বিদায় নিয়েছিল। টাচস্ক্রিনের জাদুতে ব্ল্যাকবেরির মতো বাটন ফোনের রাজত্ব শেষ হয়ে গিয়েছিল দ্রুতই।

২০২৬ সালে ডিজিটাল বাস্তবতার যুগে আমাদের প্রত্যেকের হাতেই একটি স্মার্টফোন রয়েছে। এই ফোনের সাহায্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে আমরা যুক্ত। সেগুলোয় আমরা যখন কোনো নিখুঁত ছবি বা নিজেদের সাফল্যের গল্প শেয়ার করি, তার পেছনে থাকা ক্লান্তি, বিষণ্নতা বা চোখের নিচের কালি খুব সুন্দর করে মুছে ফেলি।