ঘরের কোনো ড্রয়ারে বা আলমারিতে পড়ে থাকা পুরোনো কোনো স্মার্টফোন কি আছে? যেগুলো আর ব্যবহার করেন না, কিন্তু ফেলতেও মন চায় না। সেই পুরোনো মোবাইলটাই এবার কাজে লাগতে পারে আপনার ঘরের নিরাপত্তায়।
অনেকেই ভাবেন, ঘরে নিরাপত্তা ক্যামেরা বসাতে হলে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয়। কিন্তু আপনার পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন দিয়েই বিনা খরচে একটি সিকিউরিটি ক্যামেরা তৈরি করা সম্ভব। শুধু একটি অ্যাপ ইনস্টল করলেই চলবে।
এ পদ্ধতিতে আপনি সরাসরি লাইভ ভিডিও দেখতে পারবেন, ঘরের দরজা, বারান্দা, পোষা প্রাণী কিংবা গুরুত্বপূর্ণ জায়গার ওপর নজর রাখতে পারবেন। তাও নতুন কোনো যন্ত্র না কিনেই।
কীভাবে পুরোনো ফোনকে নিরাপত্তা ক্যামেরায় রূপান্তর করবেন
ধাপ ১: একটি সিকিউরিটি ক্যামেরা অ্যাপ ইনস্টল করুন
পুরোনো ফোনকে ক্যামেরা বানাতে প্রথমে একটি উপযুক্ত অ্যাপ প্রয়োজন। এ ধরনের অ্যাপ সাধারণত যেসব সুবিধা দেয়—
লাইভ ভিডিও দেখা
নড়াচড়া শনাক্ত করে সতর্কবার্তা
ভিডিও রেকর্ড ও সংরক্ষণ
দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ
বিনা মূল্যে ক্লাউডে ভিডিও সংরক্ষণ
দুই দিক থেকে কথা বলার সুবিধা
সামনে ও পেছনের ক্যামেরা ব্যবহারের সুযোগ
এ কাজের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ অ্যাপ হলো আলফ্রেড।
এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন দুটিতেই কাজ করে। অর্থাৎ পুরোনো ফোন যেকোনোটি হলেই চলবে। এগুলো বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবে। অতিরিক্ত সুবিধা চাইলে প্রিমিয়াম সংস্করণও রয়েছে, তবে সাধারণ ব্যবহারের জন্য ফ্রি ভার্সনই যথেষ্ট।

সেটআপ করার ধাপগুলো—
১. আপনার নতুন ও পুরোনো দুটো ফোনেই আলফ্রেড অ্যাপ ডাউনলোড করুন।
২. নতুন ফোনে অ্যাপ খুলে ‘দর্শক’ মোড নির্বাচন করুন।
৩. গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করুন।
৪. পুরোনো ফোনে অ্যাপ খুলে ‘ক্যামেরা’ মোড নির্বাচন করুন।
৫. দুই ফোনেই একই গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন।
এতেই মূল সেটআপ শেষ।
ধাপ ২: ক্যামেরার জন্য উপযুক্ত জায়গা বেছে নিন
পুরোনো ফোন দিয়ে বানানো নিরাপত্তা ক্যামেরা কার্যকর করতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সঠিক জায়গা নির্বাচন। ক্যামেরা এমন স্থানে রাখতে হবে, যেখান থেকে ঘরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
প্রধান দরজা: বাড়ির মূল প্রবেশপথ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। দরজার সামনে ফোনের ক্যামেরা রাখলে কে কখন আসছে বা যাচ্ছে, তা সহজেই নজরে রাখা যায়।
বারান্দা: ফ্ল্যাট বা বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে বারান্দার দিকে নজর রাখতে হয়। এখানে ক্যামেরা বসালে বাইরের গতিবিধি, পার্সেল ডেলিভারি কিংবা অপ্রত্যাশিত প্রবেশের চেষ্টা সহজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।
পেছনের দিক: যেসব বাড়ির পেছনে উঠান বা খোলা জায়গা রয়েছে, সেখানে ক্যামেরা বসানো খুবই কাজের। কারণ চোর বা অনধিকারপ্রবেশকারীরা অনেক সময় সামনের দরজার বদলে পেছনের দিক দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে।

আলমারি বা মূল্যবান জিনিস রাখার জায়গা: ঘরের ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, যেমন আলমারি, ড্রয়ার বা যেখানে মূল্যবান জিনিস রাখা হয়। সেখানে একটি ক্যামেরা রাখা বাড়তি নিরাপত্তা দিতে পারে।
একাধিক ফোন থাকলে একাধিক ক্যামেরা: আপনার কাছে যদি একাধিক পুরোনো স্মার্টফোন থাকে, তাহলে একটির বেশি জায়গায় ক্যামেরা বসানো যেতে পারে। এতে পুরো ঘর বা বাড়ির বিভিন্ন অংশ একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
ধাপ ৩: ফোনটি স্থাপন ও চার্জের ব্যবস্থা করুন
ফোনটি স্থির রাখতে ছোট ট্রাইপড, গাড়ির সাকশন মাউন্ট বা কোনো স্ট্যান্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। চাইলে কম দামে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্সও লাগানো যায়, এতে একসঙ্গে বেশি জায়গা দেখা যাবে। যেহেতু ফোনটি সারাক্ষণ চালু থাকবে, তাই কাছেই একটি বিদ্যুৎ-সংযোগ রাখা জরুরি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
ফোনটি গরম জায়গায় রাখবেন না।
চুলা, হিটার বা রোদ পড়া জানালার পাশে রাখবেন না।
অতিরিক্ত তাপ ক্যামেরা ও ব্যাটারির ক্ষতি করতে পারে।
নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে যা জানা জরুরি
ডিভাইস হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা এখন অনেক থাকে। যেহেতু পুরোনো ফোনে অনেক কিছু থাকে এবং সেটি ব্যবহার করা হয় না, তাই ফোন থেকে সব ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলুন।
সূত্র: সি নেট

ইউরোপের অন্যতম সেরা ‘গোপন পর্যটন গন্তব্য’ হয়ে উঠেছে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে দূরবর্তী দ্বীপ এল হিয়েরো। অথচ সেখানে নেই কোনো বিশাল রিসোর্ট, নেই বিমানবন্দর কিংবা পর্যটকের ভিড়।
৯ ঘণ্টা আগে
মাতৃত্ব একটি ২৪ ঘণ্টার ডিউটি। সেখানে কোনো দিন নেই, রাত নেই। মাঝরাতে যখন নবজাতকের কান্না থামতেই চায় না, তখন একজন মায়ের মানসিক অবস্থা কতটা বিপর্যস্ত হতে পারে, তা শুধু ভুক্তভোগী মায়েরা জানেন। চারপাশের নীরবতার মাঝে একাকী শিশুর কান্না সামলানো।
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ রাতে তীব্র মানসিক উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটির কারণে ঘুমাতে পারেন না। ঘুমাতে যাওয়ার আগের কিছু ভুল অভ্যাস আমাদের স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজিত করে রাখে। এই উত্তেজনা ঘুমের ক্ষতি করে এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
১২ ঘণ্টা আগে
হলিউডের এক চিরন্তন আইকন, মডেল ও গায়িকা মেরিলিন মনরো। তাঁর হাসিতে যেন পুরো বিশ্ব থমকে দাঁড়ায়। তিনি বেঁচে থাকলে ১ জুন পা রাখতেন শততম বছরে। মনরোর জন্মের এক শ বছর পরও তিনি এক মায়াবী ও অমীমাংসিত রহস্য হয়ে রয়েছেন। তাঁকে নিয়ে নির্মিত সিনেমা কিংবা নানান আলোচনা থাকলেও মনে হয় যেন আমরা কেবল তাঁর...
১৮ ঘণ্টা আগে