স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাব বা ইন্টারনেট ছাড়া এখন জীবন কল্পনা করা যায় না। কাজ, পড়াশোনা, বিনোদন এমনকি সামাজিক সম্পর্কও অনেকটা নির্ভর করছে ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর। কিন্তু এই অতিরিক্ত নির্ভরতা যদি জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে, তখন দরকার পড়ে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এর।
ডিজিটাল ডিটক্স মানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ডিজিটাল ডিভাইস বা ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ রাখা। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার অনেকটা কমিয়ে আনা। কারও ক্ষেত্রে এর মানে হতে পারে পুরোপুরি ফোন, ইন্টারনেট এড়িয়ে চলা। কেউ শুধু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সীমিত করেই ডিটক্স শুরু করেন।
ডিজিটাল ডিটক্স কেন গুরুত্বপূর্ণ
ডিজিটাল ডিটক্সের মূল উদ্দেশ্য হলো ডিভাইসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বাস্তব জীবনের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক তৈরি। বর্তমানে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। অনেক সময় স্মার্টফোন কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানসিক অস্বস্তি সামলানোর একটি অভ্যাসে পরিণত হয়। যদিও ‘ডিজিটাল আসক্তি’ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক রোগ হিসেবে স্বীকৃত নয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২০ সালে অতিরিক্ত ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টিকে একটি বাস্তব সমস্যা হিসেবে স্বীকার করেছে।
ডিজিটাল ডিটক্সের সম্ভাব্য উপকারিতাগুলো
কত দিন ডিজিটাল ডিটক্স করবেন
ডিজিটাল ডিটক্সের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। আপনি নিজের সুবিধা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সময় ঠিক করতে পারেন। কেউ সপ্তাহে এক দিন ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখেন, কেউ আবার দুই সপ্তাহ বা এক মাসের জন্য ডিটক্স করেন।

৩০ দিনের ডিজিটাল ডিটক্স
ডিজিটাল ডিটক্সের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে কিছু ধাপ অনুসরণ করলে বিষয়টি সহজ হতে পারে—
লক্ষ্য ঠিক করা: কেন ডিটক্স করতে চান, তা আগে পরিষ্কার করে নিন। হয়তো ফোন কম দেখলে বই পড়া, ব্যায়াম বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ বাড়বে। এমন কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করতে পারেন।
সময় নির্ধারণ: দুই সপ্তাহ বা ৩০ দিন অনেকের জন্য জনপ্রিয় সময়সীমা। তবে শুরুতে অল্প সময় বেছে নেওয়াই বাস্তবসম্মত।
কী এড়িয়ে চলতে হবে: পুরোপুরি ডিভাইস ছাড়তে চান, নাকি শুধু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার কমাবেন, সেটা নির্ধারণ করতে হবে।
বিকল্প কাজ ঠিক করা: ফোন ধরার অভ্যাসের জায়গায় হাঁটাহাঁটি, রান্না, বই পড়া, গান শোনা বা অন্য কোনো কাজ রাখলে ডিটক্স টিকিয়ে রাখা সহজ হয়।
ডিজিটাল ডিটক্স কি নিরাপদ
মানুষ হাজার হাজার বছর ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়াই বেঁচে আছে। তাই সাধারণভাবে ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ রাখা পুরোপুরি নিরাপদ, যদি না তা কোনো স্বাস্থ্যগত মনিটরিং বা জরুরি যোগাযোগের জন্য প্রয়োজন হয়।
শুরুর দিকে অস্বস্তি, অস্থিরতা কিংবা ‘কিছু একটা মিস করছি’— এ ধরনের অনুভূতি আসতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব অনুভূতি কোথা থেকে আসছে, সেগুলো বোঝার চেষ্টা করাই ডিটক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সূত্র: হেলথলাইন

‘বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে হৃদ্যন্ত্রের সুস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা এবং আধুনিক কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করার অঙ্গীকার নিয়ে মাসব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে রাজধানীর ভাটারায় অবস্থিত ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল।
৩ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গেল সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি মাসের প্রথম দিনেই অর্থাৎ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। এই সময়ে ১ হাজার ৯৭৮ জন রোগী নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে...
৪ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯ জনে। তবে ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি...
৫ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৯৪৮ জন রোগী নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৮ জনে...
১ দিন আগে