
ইতিকাফ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য মসজিদে অবস্থান করা নবীজি (সা.)-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুন্নাহ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে নির্দেশ দিলাম—তোমরা আমার ঘরকে তওয়াফকারী, ইতিকাফকারী ও রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র...

রমজানের শেষ দশকের ইতিকাফ কেবল পুরুষদের জন্য নয়; বরং নারীদের জন্যও এটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী ‘লাইলাতুল কদর’ লাভের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ইতিকাফ। নবী করিম (সা.)-এর পবিত্র স্ত্রীরাও নিয়মিত ইতিকাফ পালন করতেন।

পুরুষদের জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা আবশ্যক। এক মহল্লায় একাধিক মসজিদ থাকলে সব কটিতে ইতিকাফ করা উত্তম, তবে জরুরি নয়। মহল্লার যেকোনো একটি মসজিদে কেউ ইতিকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট হবে।

মুসাফির বা ভ্রমণকারীর জন্য ইবাদতের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা প্রদান করেছে ইসলাম। বিশেষ করে রমজান মাসে দীর্ঘ ভ্রমণে থাকলে রোজা রাখা না রাখার ব্যাপারে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।