
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সে দেশ থেকে লোকজনকে ধরে ধরে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার (পুশ ইন) চেষ্টা করছে। দেশটির কেন্দ্রীয় শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় আসার পর বিএসএফের এই তৎপরতা হঠাৎ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে ‘উসকানিমূলক ও আপত্তিকর’ মন্তব্য করার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একটি পুলিশি অভিযোগ করা হয়েছে। এক আইনজীবী অভিযোগ করেছেন...

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এক বড় খুনিকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল জেনে রাখুন, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক “রেভল্যুশন” হয়েছিল।...মেঘালয় দিয়ে বাংলায় চলে আসে।...আমাদের এসটিএফ তাকে ধরে।...তারপর হোম মিনিস্টার (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজে আমাকে ফোন করে বলেছেন...

ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বছরে দুইবার অনুষ্ঠিত মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠকের প্রথম দফা আগামী ৮ থেকে ১১ জুন ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে এমনটাই নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকারি সূত্র।