আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছে। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, গত শনিবার বেগুসরাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গিরিরাজ সিং বলেন, ‘এই মহাগাঠবন্ধন (বিরোধী দলগুলোর মহাজোট) কোথায়? শুধু নির্বাচন এলেই ওরা এক জোট হয়। বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গে) সবাই বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধানবিরোধী।’
গিরিরাজ সিং আরও বলেন, ‘আমি কোনো মুখ্যমন্ত্রীকে দেখিনি, যিনি (আর্থিক দুর্নীতি অনুসন্ধানকারী সংস্থা) ইডির কাছ থেকে সব নথি ছিনিয়ে নেন। ওই কাগজগুলোতে কী এমন গোপন তথ্য ছিল? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা দেশকে বাংলাদেশ বানাতে চান, অনুপ্রবেশকারীদের হাতে বাংলা তুলে দিতে চান। বাংলার হিন্দুদের ভয় দূর করতে এবং বাংলা বাঁচাতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে হবে।’
এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি) অভিযোগ করার পরেই গিরিরাজ সিংয়ের এই মন্তব্য সামনে এল। ইডি জানিয়েছে, কলকাতায় চলমান তল্লাশি অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের শীর্ষ কর্তা প্রতীক জৈনের বাসভবনে ঢুকে ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ’ নিয়ে যান। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন নথি এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস। ইডির বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের দল শান্তিপূর্ণ ও পেশাদারভাবে তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময়ই বিপুলসংখ্যক পুলিশ আধিকারিককে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছান।
এর এক দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কয়লা পাচার কাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জড়িত। তাঁর দাবি, কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া, দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের এমপিদের আটক করার ঘটনায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইডি অভিযান এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সময় তৃণমূল এমপিদের ‘নির্মমভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
এক জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচন কমিশনে কে বসে আছেন। তিনি একসময় অমিত শাহের সহযোগিতা দপ্তরের সচিব ছিলেন। আমার এতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যদি জ্ঞানেশ কুমার ভোট লোপাট করেন, আমি কি চুপ করে থাকব? ভোটারের অধিকার যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমিও আপনাদের অধিকার কেড়ে নেব।’
মমতা আরও বলেন, ‘দিল্লিতে প্রতিবাদ করার সময় তৃণমূল এমপিদের নির্মমভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সব কেন্দ্রীয় সংস্থা দখল করে নেওয়া হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি—ওরা হরিয়ানা ও বিহারে জোর করে ক্ষমতায় এসেছে। আরও একটি রাজ্যে জোর করে ক্ষমতায় আসতে চায়। এখন সেই চেষ্টা চলছে বাংলায়। কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা কার কাছে যায়? অমিত শাহের কাছে যায়। সেই টাকা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে যায়। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে টাকা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আসে। শুভেন্দু অধিকারী সেই টাকা অমিত শাহকে পাঠান।’

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছে। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, গত শনিবার বেগুসরাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গিরিরাজ সিং বলেন, ‘এই মহাগাঠবন্ধন (বিরোধী দলগুলোর মহাজোট) কোথায়? শুধু নির্বাচন এলেই ওরা এক জোট হয়। বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গে) সবাই বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধানবিরোধী।’
গিরিরাজ সিং আরও বলেন, ‘আমি কোনো মুখ্যমন্ত্রীকে দেখিনি, যিনি (আর্থিক দুর্নীতি অনুসন্ধানকারী সংস্থা) ইডির কাছ থেকে সব নথি ছিনিয়ে নেন। ওই কাগজগুলোতে কী এমন গোপন তথ্য ছিল? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা দেশকে বাংলাদেশ বানাতে চান, অনুপ্রবেশকারীদের হাতে বাংলা তুলে দিতে চান। বাংলার হিন্দুদের ভয় দূর করতে এবং বাংলা বাঁচাতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে হবে।’
এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি) অভিযোগ করার পরেই গিরিরাজ সিংয়ের এই মন্তব্য সামনে এল। ইডি জানিয়েছে, কলকাতায় চলমান তল্লাশি অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের শীর্ষ কর্তা প্রতীক জৈনের বাসভবনে ঢুকে ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ’ নিয়ে যান। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন নথি এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস। ইডির বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের দল শান্তিপূর্ণ ও পেশাদারভাবে তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময়ই বিপুলসংখ্যক পুলিশ আধিকারিককে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছান।
এর এক দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কয়লা পাচার কাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জড়িত। তাঁর দাবি, কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া, দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের এমপিদের আটক করার ঘটনায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইডি অভিযান এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সময় তৃণমূল এমপিদের ‘নির্মমভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
এক জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচন কমিশনে কে বসে আছেন। তিনি একসময় অমিত শাহের সহযোগিতা দপ্তরের সচিব ছিলেন। আমার এতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যদি জ্ঞানেশ কুমার ভোট লোপাট করেন, আমি কি চুপ করে থাকব? ভোটারের অধিকার যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমিও আপনাদের অধিকার কেড়ে নেব।’
মমতা আরও বলেন, ‘দিল্লিতে প্রতিবাদ করার সময় তৃণমূল এমপিদের নির্মমভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সব কেন্দ্রীয় সংস্থা দখল করে নেওয়া হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি—ওরা হরিয়ানা ও বিহারে জোর করে ক্ষমতায় এসেছে। আরও একটি রাজ্যে জোর করে ক্ষমতায় আসতে চায়। এখন সেই চেষ্টা চলছে বাংলায়। কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা কার কাছে যায়? অমিত শাহের কাছে যায়। সেই টাকা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে যায়। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে টাকা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আসে। শুভেন্দু অধিকারী সেই টাকা অমিত শাহকে পাঠান।’

এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৩ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নানাবিধ বিধিনিষেধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বেড়েছে। গত শুক্রবার হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। বাণিজ্য
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে