
কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের কন্যা হিসেবে শুধু নয়, সারা টেন্ডুলকার প্রায়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর উপস্থিতির কারণে। ব্যক্তিগত জীবনের ঝলকের মাধ্যমে তিনি ইন্টারনেটের অন্যতম জনপ্রিয় তরুণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে তাঁর সম্পর্ক এবং ভব

দিনের শেষে ক্লান্তির চাদর গায়ে জড়িয়ে পুরো পরিবার ঘুমের দেশে পাড়ি জমায়। তখনো আলো জ্বলে গৃহিণী বা কর্মজীবী নারীর নিভৃত কক্ষে। শ্রান্ত শরীরে শান্ত হাতে তিনি গুছিয়ে রাখেন নিশিরাতের রান্নাঘর। মনে মনে এঁকে নেন আগামীকালের সূর্যোদয়ের ব্যস্ততম ক্যালেন্ডার। কিংবা আধবোজা চোখে জলপট্টি ছোঁয়ান জ্বরে তপ্ত....

জীবনের ব্যস্ততা, কোলাহল এবং সার্বক্ষণিক স্ক্রিন ও বিজ্ঞাপনের ভিড়ে আমাদের মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে অনেক সময়। এই ক্লান্তিকর জীবনে একবিন্দু শান্তি আনতে মানুষের কত আয়োজন! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন অনেকেই নিজেদের এই একাকী জীবনের প্রশান্তি শেয়ার করছেন।

চিকিৎসকের একটি সতর্কবার্তা আমূল বদলে দিয়েছিল দিল্লির দম্পতি রূপিকা আনন্দ ও রাকেশ আনন্দের জীবন। শারীরিক অসুস্থতা থেকে সুস্থ জীবনের খোঁজে শহরের আরাম-আয়েশ ও সফল করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন কৃষিকাজ।