
চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিতে একটি অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক এবং নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছে বোর্ড।

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গ্রেপ্তাররা হলেন সিফাত আহমেদ সজিব, সালমান, মো. মেছবাউল আলম মাহিন ও মহিদুজ্জামান মুন্না।

খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের যথেষ্ট সময় দিয়ে খাতা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মূল্যায়ন পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ হচ্ছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে ‘মানবিক নম্বর’ দেওয়ার জন্য কোনো ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে ন্যূনতম পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে মিনিমাম পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ১৯৮০ অ্যাক্ট, যেটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান করেছিলেন, সেটিকে আমি আবার মডিফাই করছি...