
প্রযুক্তি দুনিয়ায় বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে চীন এগিয়ে চলেছে জোরদমে। দলে টানছে বিশ্বজুড়ে নামকরা সব শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের। এবার সেই পথেই হাঁটলেন গত বছর রসায়নে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ওমর ইয়াগি।

আধুনিক কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অন্যতম পথিকৃৎ এবং ১৯১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী জার্মান বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্লাংকের ১৯৪০-এর দশকে লেখা দুটি ঐতিহাসিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রত্যাহার করেছে বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিংগার নেচার’ (Springer Nature)।

বিশ শতকের সর্বশেষ নোবেল বিজয়ী মারিয়া গোয়েপার্ট মায়ার। তিনি জার্মান বংশোদ্ভূত এক আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী। নোবেলজয়ী এই পদার্থবিজ্ঞানীর গবেষণার মূল ভিত্তি ছিল পরমাণু।

নোবেলজয়ী লেখক ওলগা তোগারচুক জানিয়েছেন, তিনি লেখালেখির ক্ষেত্রে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পোল্যান্ডের এই নারী লেখক বিষয়টি স্বীকার করেন। এমনকি তিনি জানান, তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস লিখতেও তিনি এআই ব্যবহার করেছেন।