
তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

শিশুদের উন্নত সুরক্ষার জন্য নতুন প্রজন্মের নিউমোকক্কাল কনজুগেট ভ্যাকসিন (পিসিভি) চালু করা দরকার বলে মনে করেন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশে (আইসিডিডিআরবি) অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বর্তমান পিসিভি-১০ ভ্যাকসিনের

চাঁদপুরে প্রচণ্ড শীতে নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চলতি মাসের ১৩ দিনে ৬৯৩ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

এইচএমপিভি (হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস) একটি সাধারণ শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস যা শিশুদের জন্য মারাত্মক হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সিডিসির মতে, এটি শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে।