
ভাগ্য আর দক্ষতা যখন এক হয়ে যায়, তখনই মনে হয় এমন কিছু ঘটে যা মিরাকলই বলা যায়। তেমনই কিছু ঘটেছে গণিতে পিএইচডিধারী এক নারীর জীবনে। ১৭ বছরে চারবার লটারি জিতে ২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পেয়েছেন তিনি। যা কি না সাধারণ লটারি জেতার প্রচলিত সব পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে।
পরিসংখ্যানবিদদের মতে, লটারি জেতার চেয়ে বজ্রপাতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাই অনেক বেশি। আর একই মানুষের দুবার বজ্রপাতের শিকার হওয়া ঘটনা যেমন বিরল, লটারি জেতার ক্ষেত্রেও বিষয়টি তেমনই। লটারির কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে এটি জেতা অত্যন্ত কঠিন হয়। এছাড়া ‘সিস্টেম’ বা লটারির নিয়মকে ফাঁকি দেওয়া প্রায় অসম্ভব বললেই চলে। যার ফলে কেবল ভাগ্যের ওপর নির্ভর করেই জ্যাকপট জেতা সম্ভব।
তবে আপনি যদি জানেন ঠিক কী করতে হবে, তবে বিষয়টি সবসময় ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে না। জোয়ান গিনথার নামের এক নারী সেটিই প্রমাণ করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে চারটি বড় লটারিতে জয়লাভ করে তিনি বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, জোয়ান গিনথারকে প্রায়ই ‘আমেরিকার সবচেয়ে ভাগ্যবতী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ১৯৯৩ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে তিনি মোট ২ কোটি ৪ লাখ ডলার জিতেছেন, যা লটারি জেতার সম্ভাবনা নিয়ে প্রচলিত সব ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করে।
জোয়ান গিনথার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে গণিতে পিএইচডি করেছিলেন। পেশায় ছিলেন পরিসংখ্যানের অধ্যাপক। ২০২৪ সালে ৭৭ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। অনেকেই মনে করেন, সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে তাঁর অগাধ জ্ঞান তাঁকে লটারির অ্যালগরিদম বুঝতে সাহায্য করেছিল, যার মাধ্যমে তিনি জয়ের পথ খুঁজে বের করেন।
তাঁর জয়ের ধারা শুরু হয় ১৯৯৩ সালে ৫৪ লাখ ডলারের একটি লটারি ড্রয়ের মাধ্যমে। এরপর ১৩ বছর পর ‘হলিডে মিলিয়নিয়ার’ স্ক্র্যাচ-অফ থেকে পান ২০ লাখ ডলার। এর মাত্র দুই বছর পর ‘মিলিয়নস অ্যান্ড মিলিয়নস’ টিকিট থেকে ৩০ লাখ ডলার জিতে নেন। সর্বশেষ ২০১০ সালে মাত্র ৫০ ডলারের একটি স্ক্র্যাচ-অফ টিকিট থেকে ১ কোটি ডলারের জ্যাকপটটি জয় করেন তিনি।
তবে পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞ অ্যালান সল্জবার্গ গিনথারের সাফল্য নিয়ে ভিন্ন এক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এর পেছনে সংখ্যায় দক্ষতা যে কাজ করেনি তা নয়, তবে আরও একটি অভাবনীয় কারণও থাকতে পারে।
ডেইলি মেইলকে সল্জবার্গ বলেন, ‘লটারির গণিত খুব একটা কঠিন নয়। এর জন্য পিএইচডি দরকার হয় না। আমি মনে করি না, এটি কেবল বিধাতার অলৌকিক দান ছিল, আবার এমনও নয় যে তিনি খুব অল্প টাকা খরচ করে এই বিশাল জয় পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘সত্যটা সম্ভবত মাঝামাঝি কোথাও। তিনি সম্ভবত লটারির কৌশল কিছুটা ধরতে পেরেছিলেন এবং সেই সঙ্গে জয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থও বিনিয়োগ করেছিলেন।’
তবু বিনিয়োগের খরচের চেয়ে প্রাপ্তিটাই যে ঢের বেশি ছিল, তা বলাই বাহুল্য। তবে এত বড় অঙ্কের অর্থ জিতলেও তাঁর জীবনযাত্রায় তেমন নাটকীয় পরিবর্তন আসেনি। তিনি টেক্সাসে ফিরে যান এবং নিজের আশেপাশের মানুষদের অকাতরে দান করেন।

বেশ দরিদ্র পরিবার থেকে ধনকুবেরে পরিণত হয়েছেন চীনের ৫৫ বছর বয়সী নারী উদ্যোক্তা ইউ ওয়েনহং। সৌন্দর্যখাতে ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে পরিচিতি পেলেও এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন এক ভিন্ন কারণে। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন এই নারী ধনকুবের। আর এই বিয়েতে ‘যৌতুক’ দিয়েছেন ৫ কোটি ইউয়ান টাকার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮০ কোটি টাকা
১৪ ঘণ্টা আগে
কানাডার ভ্যানকুভারের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া ভারতের এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য গতকাল যাত্রাটি হয়ে উঠছিলে যেন ‘কোথাও না যাওয়ার’ ফ্লাইট। প্রায় আট ঘণ্টা আকাশে থাকার পর সেটি আবার দিল্লিতে ফিরে আসে। কারণ, বিমান সংস্থাটি ভুলবশত এমন এক উড়োজাহাজ ব্যবহার করেছিল, যেটির কানাডায় প্রবেশের জন্য...
৯ দিন আগে
নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডে সম্প্রতি ঘটে গেছে এক অভাবনীয় ঘটনা। দান করার উদ্দেশ্যে একটি চ্যারিটি শপে (দাতব্য দোকান) ভুলবশত মাদক ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাভর্তি ব্যাগ ফেলে গেছে দুই কিশোর-কিশোরী। পরে সেই ব্যাগ উদ্ধারে মরিয়া হয়ে দোকানে ফিরে এলেও শেষরক্ষা হয়নি; পুলিশের হাতে ধরা পড়তে হয়েছে তাদের।
১৩ দিন আগে
প্রচলিত হওয়া সত্ত্বেও ‘কুভেড সিনড্রোম’ এখনো কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যাধি হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণিবিন্যাস (আইসিডি) বা আমেরিকান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল ম্যানুয়াল—কোথাও এর উল্লেখ নেই।
১৩ দিন আগে