
যশোর গণহত্যার অধিকাংশ শহীদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পাওয়ায় তাঁদের স্বজন, মুক্তিযোদ্ধা ও সুধীজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় যশোর গণহত্যা দিবসে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী রেলস্টেশন এলাকার শেখ আব্দুর রহিমের ভাষ্য অনুযায়ী, ৪ এপ্রিল ভোরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ফজরের নামাজ শেষে কোরআন তিলাওয়াত করছিলেন। এ সময় স্থানীয় বিহারিদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে হামলা চালায়।

একাত্তরের পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের এ দেশের দোসরদের দ্বারা পরিচালিত গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিস্মৃত ও বেদনাদায়ক অধ্যায়। সেই ইতিহাসকে ক্রমেই মুছে ফেলার একটা সচেতন চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। যদিও এই গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার...

যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজধানীর ভাষানটেক সরকারি কলেজে গণহত্যা এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।