
জয়পুরহাটে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শিক্ষার্থী বিশাল মেহেদী হত্যাসহ জুলাই গণহত্যা ও বিস্ফোরক আইনের একাধিক মামলায় সাত আওয়ামী লীগ নেতা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁরা জয়পুরহাট অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক মিলন চন্দ্র পাল তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন আব্দুল কুদ্দুস ফকির, মিনহাজুর রহমান মিথুন, রফিকুল ইসলাম মাস্টার, জিয়াউর রহমান, আলী আকবর মণ্ডল, এনামুল হক ফকির ও ফজলুর রহমান। তাঁদের মধ্যে কেউ কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা, কেউ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আবার কেউ যুবলীগ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় (৪ আগস্ট ২০২৪) শিক্ষার্থী বিশাল মেহেদী হত্যাসহ জুলাই গণহত্যা ও বিস্ফোরক আইনে করা একাধিক মামলায় তাঁরা অভিযুক্ত।
এ বিষয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আসামিরা আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা রোববার সারা রাত অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে শাহজাদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৬ মিনিট আগে
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল।
১৩ মিনিট আগে
তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তাঁর ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা।
২২ মিনিট আগে
প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
১ ঘণ্টা আগে