
‘আমি আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করা হবে। কনটেন্ট নির্মাতা, শিল্পী ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।’

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ করছাড় পাবেন। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন দাখিল করলে কোনো অতিরিক্ত করছাড় বা জরিমানা থাকবে না।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে ১৮ হাজার ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) এই মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ ছিল ১২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই মন্ত্রণালয়ে এক বছরের ব্যবধানে বরাদ্দ বাড়ছে ৫ হাজার ৪১১ কোটি টাকা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুদকের জন্য প্রস্তাবিত বরাদ্দ ছিল ১৯১ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে তা বেড়ে ২০৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। সে তুলনায় নতুন অর্থবছরে দুদকের মোট বরাদ্দ কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে...