
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এখনো গণতন্ত্রবিরোধী একটি চক্র নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও বিলম্বিত করার চক্রান্তে সক্রিয়। তারা চায় না দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসুক। কারণ, গণতন্ত্র না থাকলে কিছু মহল লাভবান হয়। কারা লাভবান হয়, তা আপনারা জানেন। ফলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই এখনো শেষ হয়নি। সুষ্ঠু নির্বাচনই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি, যেটির জন্য দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে।’
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে আজ শনিবার দুপুরে জিয়া পরিষদ আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ: জিয়াউর রহমান ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
৭ নভেম্বরের চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘এই যুদ্ধে অবশ্যই জিততে হবে। যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাঁকে বিজয়ী করতে সবাইকে সম্মুখভাগে কাজ করতে হবে। এই যুদ্ধে যদি আমরা জয়ী হতে না পারি, তাহলে গণতন্ত্র হেরে যাবে, বাংলাদেশ হেরে যাবে, আমরাও পরাজিত হব। ৭ নভেম্বরের চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে এই যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে।’
আমীর খসরু আরও বলেন, ‘একদিকে নির্বাচন নিয়ে কথা হচ্ছে, অন্যদিকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। অগণতান্ত্রিক ও জোরজবরদস্তিমূলক পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যের দাবি দেশ ও জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও লক্ষ করা যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। কারও দাবি থাকলে তা নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরে জনগণের কাছে যেতে হবে, অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা নয়। জোরজবরদস্তি করে শেখ হাসিনার পথে চলবেন না।’
বিএনপি সাংঘর্ষিক রাজনীতিতে জড়াচ্ছে না দাবি করে দলটির এই নেতা বলেন, বিএনপি কারও সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতে যাচ্ছে না এবং সাংঘর্ষিক রাজনীতিতেও জড়াচ্ছে না। কারণ, দলটি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে অনেক কিছু না মেনেও ধৈর্য ধরে সহ্য করছে তারা। দেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে—এই বিশ্বাসে বিএনপি সহনশীল রাজনীতির পথে হাঁটছে।
আমীর খসরু বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংস্কৃতি বদলানো জরুরি। শুধু কাঠামোগত সংস্কার যথেষ্ট নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ছাড়া কোনো উন্নতি হবে না। ভিন্নমত থাকলেও একে অপরের মতামতকে সম্মান জানাতে হবে এবং বিএনপি সেই পথেই চলছে। যাদের জনগণের ওপর আস্থা নেই, তারা ভিন্ন পথে চলে। আর যাদের আস্থা আছে, তারা জনগণের কাছে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। রাজধানীতে গোলটেবিল বৈঠক করে কারও ওপর মত চাপিয়ে দেওয়া গণতান্ত্রিক নয়, এটি অগণতান্ত্রিক চর্চা।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সংসদে গঠনমূলক ও কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান আযাদ। আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা
১১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের শর্তে তাদের সঙ্গে আঁতাতের মাধ্যমে বিএনপি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বিএনপির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশোধ নিচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৩০টি আসনের ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে এসব আসনের ফল স্থগিত রেখে পুনর্গণনা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে দলটি।
১৩ ঘণ্টা আগে
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা ও শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংসদে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল অবস্থান নিয়ে সরকারকে জবাবদিহির মুখে রাখা এবং একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখাই হবে তাদের আগামী দিনের
১৪ ঘণ্টা আগে