
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, আনিসুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা, আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সাবেক আইনমন্ত্রী একজন সরকারি কর্মচারী। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে নিজ ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নামে ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে...

আনিসুল হক ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তাঁর লাইসেন্সকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি। তাঁর ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি। তিনি গুলি কিনেছেন —এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।

আনিসুল হক ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

ঢাকার কোতোয়ালি থানার বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ২১ জুন ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই তারিখ ধার্য করেন।