যুগ যতই আধুনিক হোক, স্বাস্থ্য ভালো রাখার গুরুত্ব কোনো অংশেই কমেনি। সে জন্যই স্বাস্থ্যসেবায় লেগেছে স্মার্ট প্রযুক্তির ছোঁয়া। স্মার্টওয়াচ কিংবা বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট ডিভাইস প্রতিদিন শরীরের ফিটনেস ট্র্যাক করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়। এ জন্য প্রয়োজন হয় কিছু অ্যাপস। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যে অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারেন:
গুগল ফিট
ফিটনেস ট্র্যাক করতে গুগল তৈরি করেছে একটি দুর্দান্ত ওয়ার্কআউট ট্র্যাকার অ্যাপ গুগল ফিট। এটি গতি, উচ্চতা, হাঁটা ও ব্যবহারকারীর দৌড়ের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। ব্যবহারকারী কত ক্যালরি খরচ করলেন বা কত কিলোমিটার অতিক্রম করলেন, এই অ্যাপ তা বলে দেবে। এখানেই শেষ নয়। ২৪ ঘণ্টায় কত ঘণ্টা হাঁটলেন বা ঘুমালেন, তা-ও বলে দেবে এই অ্যাপ। এটি প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।
ফিউচার অ্যাপ
অ্যাপটি ব্যবহারকারীকে পছন্দের একজন ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেবে; যিনি ব্যবহারকারীর লক্ষ্য, প্রয়োজন, সময়সূচি এবং অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে কাস্টমাইজড ওয়ার্কআউট তৈরি করবেন। এই অ্যাপ অ্যাপল ওয়াচের মাধ্যমে ফিটনেস ট্র্যাক করে। এটি ওয়ার্কআউটের সময় হার্ট রেট এবং ক্যালরি বার্ন সম্পর্কে তথ্য দেয়।
ডেইলি ইয়োগা
যাঁরা প্রতিদিন নিয়ম করে যোগব্যায়াম করেন, তাঁরা এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এখানে পাঁচ শর বেশি আসন, হাজারের বেশি যোগব্যায়ামের টিপস ও ব্যায়ামের টাইমার পাওয়া যায়। কেউ চাইলে যোগব্যায়ামের সময়, লেভেল, লক্ষ্য ও শৈলী কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই অ্যাপে আছেন ৪০ জনের বেশি যোগ প্রশিক্ষক, গাইড ও পরামর্শক।
মাইফিটনেসপল
মাইফিটনেসপল একটি স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন, যা ব্যায়াম ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যাপটি ম্যানুয়ালি ডায়েট ডেটা প্রবেশ করার ক্ষমতা বা বার কোড স্ক্যান করে খাবারের বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে তথ্য দিতে পারে। ব্যায়াম ও ক্যালরি ট্র্যাক করার মেট্রিক্সসহ মাইফিটনেসপলের কাছে ১৪ মিলিয়ন খাবারের ডেটা রয়েছে।
হেলদিফাইমি
অন্যান্য অ্যাপের মতো এটিও স্বাস্থ্য ও ফিটনেসের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। ওয়ার্কআউট ট্র্যাকার ছাড়াও এটি ওজন কমানোর ট্র্যাকার, ওয়াটার ট্র্যাকার, ফুড ট্র্যাকার, স্লিপ ট্র্যাকার এমনকি হ্যান্ডওয়াশ ট্র্যাকারেরও কাজ করে। এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা এই অ্যাপের মাধ্যমে নো-ইকুইপমেন্ট হোম ওয়ার্কআউট ভিডিও দেখতে পাবেন। এর সাহায্যে খাবারের ক্যালরির হিসাবও রাখা যাবে।
প্রোটিন ট্র্যাকার
প্রোটিন ট্র্যাকার একটি স্পোর্টস অ্যাপ, যা মোস্তফা এআই তৈরি করেছে। এই অ্যাপে প্রথমে প্রতিদিনের প্রোটিন গ্রহণের লক্ষ্য গ্রামে সেট করতে হবে। ব্যবহারকারী কতটা প্রোটিন গ্রহণ করেছেন এবং কী পরিমাণ প্রোটিন খেতে হবে, সেই হিসাব রাখবে।
ক্যালরি কাউন্টার মাইফিটনেসপল
এ অ্যাপটি খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে তথ্য জানাবে। এটি এমন একটি অ্যাপ, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কী খাবেন এবং কী খাবেন না, তা বলে দেবে। এতে ৬০ লাখের বেশি খাদ্যপণ্যের ডেটা রয়েছে। এ ছাড়া এতে ফুড ইনসাইড, রেস্তোরাঁ লগিং, রেসিপি ইম্পোর্টার, ক্যালরি কাউন্টারের মতো আরও অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
নুম অ্যাপ
এটি ওজন কমানোর অ্যাপ। এটি স্বাস্থ্য কোচ, ক্যালরি কাউন্টার এবং ওজন কমানোর পরিকল্পনা করে দেয়। এই অ্যাপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান দাবি করে, এর ফিচারগুলো ব্যবহারকারীদের আদর্শ ওজন অর্জন এবং বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।
জেফিট ওয়ার্কআউট ট্র্যাকার
এটি কেবল একটি ফিটনেস ট্র্যাকার অ্যাপ নয়, এটি জিম ট্রেনারও বটে। বিনা মূল্যে ফিটনেস প্ল্যান দেওয়া হয় এই অ্যাপে। এখানে ১ হাজার ৩০০-এর বেশি বিস্তারিত ব্যায়াম রয়েছে। এটি ফিটনেস ট্র্যাকারদের জন্য একটি নিখুঁত অ্যাপ। এখানে নিজের প্রয়োজনে ওয়ার্কআউট কাস্টমাইজ করার ব্যবস্থা আছে।
সূত্র: গ্যাজেট৩৬০

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
২ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৫ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৫ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৫ দিন আগে