ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা আর বাণিজ্যিক রকেট কোম্পানি স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা তিনি। এরই মধ্যে ধনীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে চলে গেছেন এ মার্কিন ব্যবসায়ী। সম্প্রতি নাসার চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রকল্প আর্টেমিসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে স্পেসএক্স। মহাকাশ শিল্পে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা।
অথচ তরুণ ইলন মাস্ক নাকি চাকরির আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। একজন টুইটার ব্যবহারকারী মাস্কের তরুণ বয়সের একটি ছবি শেয়ার করে এমন তথ্যই দিয়েছেন। তথ্যটির অংশবিশেষ নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং মাস্ক।
ঘটনাটি নব্বইয়ের দশকের। ১৯৯৫ সালে নেটস্কেপ নামের একটি ইন্টারনেট কোম্পানিতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। কিন্তু লবিতে অনেক্ষণ অপেক্ষা করেও কারো সঙ্গে কথা বলার মতো সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারেননি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে জিপ২ নামে একটি কোম্পানি খুলতে প্রণোদিত করে।
এই টুইটের জবাবে ইলন মাস্ক লেখেন, আমি একটা চাকরি পেতে পারতাম। তবে কোনো ইন্টারনেট সংস্থায় নয় (কারণ তখন এ ধরনের চাকরি খুব একটা ছিল না)।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে ইলন মাস্ক বলেছিলেন, নব্বইয়ের দশকে ইন্টারনেট একটা নতুন বিষয়। নতুন এই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি নেটস্কেপে চাকরি করতে চেয়েছিলেন। এই কোম্পানিটিই প্রথম ওয়েব ব্রাউজার নেটস্ক্যাপ নেভিগেটর তৈরি করে।
মাস্ক সিএনবিসিকে বলেন, আমি আসলে নেটস্কেপের লবিতে ঘোরাঘুরি করছিলাম। কিন্তু লজ্জায় কারো সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। ব্যাপারটা খুব বিব্রতকর ছিল।
নব্বইয়ের দশকে মাস্ক কম্পিউটার গেমিং শিল্পেও সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ছিলেন। ১৯৯৯ সালে নিজের প্রথম কোম্পানি জিপ২ বিক্রি করে দেন। প্রায় ৩০ কোটি ডলারে কোম্পানিটি কিনে নেয় কমপ্যাক। রাতারাতি কোটিপতি বনে যান দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভাগ্যের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলন মাস্ক।

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
২ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৪ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৪ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৪ দিন আগে