ভয়েস রিকগনিশনসহ স্বাস্থ্য খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে নুয়ান্স। প্রথম সারির এই প্রতিষ্ঠানকে ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারে কেনার ঘোষণা দিয়েছে সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট। এর আগে অন্য কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কিনতে একবারই এমন খরচ করেছিল মাইক্রোসফট।
নুয়ান্স এর আগে মাইক্রোসফট ক্লাউডের সঙ্গে প্রায় দুই বছর অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। এবার এই ব্যবধান ঘুচিয়ে নুয়ান্সকে পুরোপুরিই নিজের করে নিল মাইক্রোসফট। এর মধ্য দিয়ে মাইক্রোসফট স্বাস্থ্যসেবায় এআই খাতে বড় ধরনের অগ্রগতি দেখবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়, নুয়ান্সের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৫৬ ডলার খরচ করছে মাইক্রোসফট। এই হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির মূল্য দাঁড়ায় ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। পাশাপাশি আগের ঋণের অর্থ যোগ করে মাইক্রোসফট নুয়ান্সের পেছনে মোট খরচ করছে ১ হাজার ৯৭০ কোটি ডলার।
এ চুক্তির সুফল ভোগ করবে মাইক্রোসফটের ক্লাউড, এআই ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবসা। নুয়ান্সের প্রযুক্তি নিজেদের সেবার উন্নয়নে ব্যবহার করবে বলে এরই মধ্যে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফট প্রধান সত্য নাদেলা এ সম্পর্কিত এক টুইটে লিখেছেন, ‘এআই হচ্ছে প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার এবং স্বাস্থ্যসেবা এর সবচেয়ে জরুরি প্রয়োগ। স্বাস্থ্যসেবায় এআই নিয়ে এসেছে নুয়ান্স। বাস্তব বিশ্বে ব্যবসায়িক এআইয়ের প্রয়োগের দিক থেকে একে অগ্রদূত বলা যায়।’
এ বিষয়ে ওয়েডবুশ সিকিউরিটির প্রযুক্তি বিশ্লেষক ড্যান আইভস সিএনএনকে বলেন, ‘নুয়ান্সের ড্রাগন অ্যাম্বায়েন্ট এক্সপেরিয়েন্স বা ডিএএক্স-এর ওপরই সম্ভবত নজর ছিল মাইক্রোসফটের। ডিএএক্স মূলত এআই সফটওয়্যার প্যাকেজ, যা রোগী ভর্তি, ডকুমেন্টেশন ও টেলিহেলথ বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা করে। এমনিতেই এটি বর্ধনশীল খাত ছিল। কোভিড-১৯ মহামারীতে এটি আরও ফুলেফেঁপে উঠেছে।’ তিনি বলেন, ‘আগামী বছরগুলোয় যখন মাইক্রোসফট স্বাস্থ্য খাতে কোমর বেঁধে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন এই ক্রয় একেবারে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। এটি বোঝার জন্য কোনো বড় পণ্ডিত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।’
নুয়ান্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক বেঞ্জামিনই প্রতিষ্ঠানটি চালাবেন বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। মালিক প্রতিষ্ঠানের স্কট গাথ্রির অধীনে কাজ করবেন তিনি। স্কট মাইক্রোসফটের ক্লাউড এবং এআই বিভাগের প্রধান। কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতে মাইক্রোসফট বিভিন্ন মাত্রায় মনোযোগী হয়েছে। এই মনোযোগ আগামী বেশ কয়েক বছর অব্যাহত থাকবে বলে সিএনএনকে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে অন্তত পাঁচটি নতুন আইফোন বাজারে আনতে যাচ্ছে অ্যাপল। একই সঙ্গে বাজারে নিজেদের অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ফোল্ডেবল (ভাঁজ করা যায় এমন) আইফোন উৎপাদনের পরিকল্পনাও বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পজুড়ে যন্ত্রাংশের..
১ ঘণ্টা আগে
চীনে মানবসদৃশ রোবটের জন্য প্রথম বিশেষায়িত বিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। পূর্ব চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের হাংঝৌ শহরে প্রতিষ্ঠিত ‘হাংঝৌ রোবট স্কুল’কে দেশটির প্রথম হিউম্যানয়েড রোবট স্কুল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়া নথিতে অ্যাপলের আসন্ন আইফোন ১৮ প্রো মডেলের যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী তালিকা, অভ্যন্তরীণ উপাদানসংক্রান্ত তথ্য এবং পরীক্ষামূলক ছবির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব তথ্য মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির ভারতীয় অংশীদার টাটা ইলেকট্রনিকস থেকে চুরি হওয়া ডেটার অংশ বলে নথি ও সংশ্লিষ্ট একটি...
২ দিন আগে
প্রযুক্তি এত দ্রুত এগিয়ে চলছে, এখন অনেক আধুনিক গ্যাজেট দেখলে মনে হয় যেন সেগুলো সরাসরি কোনো কল্পবিজ্ঞান গল্প কিংবা সাইফাই মুভি থেকে এসেছে। এআই চালিত স্মার্ট চশমা থেকে শুরু করে স্বচ্ছ টেলিভিশন—ভবিষ্যতের এই ডিভাইসগুলো বাস্তব জীবনের অংশ হয়ে উঠছে।
২ দিন আগে