প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ দেয় গুগল। এই স্টোরেজ ইমেইল, গুগল ড্রাইভ ও গুগল ফটোজসহ গুগলের সব পণ্যের জন্য ব্যবহার করা হয়। ফ্রি স্টোরেজ শেষ হলে গ্রাহক যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে, তা তুলে ধরা হল–
১. নতুন ফাইল ও ইমেজ গুগল ড্রাইভে আপলোড করা যাবে না।
২. ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে ব্যাকআপ করা যাবে না।
৩. জিমেইলে নতুন কোনো ইমেইল আসবে ও কোন ইমেইল পাঠানোও যাবে না।
৪. গুগল ডকস, শিটস, স্লাইড, ড্রয়িংস, ফ্রমস ও জ্যামবোর্ডের মত সহযোগী অ্যাপগুলোতে নতুন ফাইল তৈরি করা যাবে না।
৫. নতুন রেকর্ডার ফাইলও ব্যাকআপ করা যাবে না।
৬. এই স্টোরেজ শেষ হওয়ার দুই বছরের মধ্যে গ্রাহক যদি নতুন স্টোরেজ না কিনে বা অ্যাকাউন্টের কিছু স্টোরেজ খালি না করে তাহলে জিমেইল, গুগল ফটোজ ও গুগল ড্রাইভের (গুগল ডকস, শিটস, স্লাইড, ড্রয়িংস, ফ্রমস ও জ্যামবোর্ডসহ) সব কনটেন্ট ডিলিট হয়ে যাবে।
কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার আগে ইমেইল ও নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের সর্তক করবে গুগল। কনটেন্ট ডিলিট করার অন্তত তিন মাস আগে কোম্পানি গ্রাহককে এই সতর্কবার্তা পাঠাবে। তাই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য গ্রাহকের কাছে পর্যাপ্ত সময় থাকবে।
কনটেন্টগুলোর ডিলিট এড়াতে গ্রাহকদের সাবক্রিপশন প্ল্যান কেনার জন্য সুযোগ দেবে গুগল। আর প্ল্যাটফর্মটি থেকে নিজের ফাইল ডাউনলোড করার সময় দেবে।
গুগলের স্টোরেজ বাড়াতে প্রতি মাসে ১০০ জিবির জন্য ১৫০ টাকা, ২০০ জিবির জন্য ২৫০ টাকা ও ২ টিবি স্টোরেজের জন্য ৮০০ টাকা খরচ করবে হবে।
সূত্র: গ্যাজেট নাও

১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ফ্রান্সের আইনপ্রণেতারা। গতকাল মঙ্গলবার এই ভোট গ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম দেশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য এমন বয়সসীমা নির্ধারণ করল ফ্রান্স।
২ ঘণ্টা আগে
২০১৬ সালের কথা। দেশের গমচাষিরা হয়তো এখনো ভুলে যেতে পারেননি সেই দুঃস্বপ্নের কথা। একদিন সকালে তাঁরা খেতে গিয়ে দেখতে পেলেন, সবুজ-সোনালি শিষগুলো রাতারাতি সাদা হয়ে গেছে। প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে জানা গেল, এশিয়ার মাটিতে এই প্রথম হানা দিয়েছে গমের ব্লাস্ট রোগ।
১ দিন আগে
সৃষ্টির জন্য বয়স যে কোনো সমস্যা নয়, তার বহু উদাহরণ আছে পৃথিবীতে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ মানা জাম্পালা। এআই প্রযুক্তির যুগে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মানা যে এই প্রযুক্তিতে কিছু করে ফেলবে, সেই রাস্তা যেন তৈরিই ছিল।
১ দিন আগে
সাধের ওয়াই-ফাই কানেকশনটি হুটহাট স্লো হয়ে যাওয়া কিংবা বাফারিং করা এক চরম বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। অনেক সময় আমরা ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা রাউটারকে দোষ দিই। কিন্তু ১৯৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম বড় ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরির কারিগর কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালেক্স হিলস জানান...
১ দিন আগে