সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আশির দশকের আমেজে ভরে উঠেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সহায়তায় সেলফি রূপ নিচ্ছে রেট্রো পোর্ট্রেটে। পুরোনো দিনের হেয়ারস্টাইল, ভিনটেজ পোশাক আর ফিল্ম টেক্সচারের এই ছবিগুলো তৈরি করা বেশ সহজ। শুধু ছবি আপলোড করে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করলেই মিলে যায় কাঙ্ক্ষিত লুক। তবে স্ক্রিনের এই ডিজিটাল জাদুর পেছনে রয়েছে এক বিশাল ভৌত অবকাঠামো। এখন এর পেছনে থাকা ডেটা সেন্টারগুলোর বড় ধরনের বিদ্যুৎ ও পানি খরচের কারণে পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
একটি এআই ছবি তৈরি করতে প্রসেসর চালিত ডেটা সেন্টারগুলোর প্রচুর বিদ্যুৎ ও ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি ছবি তৈরিতে গড়ে শূন্য দশমিক ১ থেকে ৪ ওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, একটি সাধারণ টেক্সট প্রসেসিংয়ের চেয়ে এআই ছবি তৈরিতে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ গুণ বেশি শক্তি প্রয়োজন হয়। এককভাবে এই পরিমাণ ছোট মনে হলেও বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি বার চেষ্টা করার ফলে এর মোট প্রভাব দাঁড়ায় বিশাল। শুধু বিদ্যুৎই নয়, এর পেছনে অদৃশ্য পানি ও জমির খরচও রয়েছে। ডেটা সেন্টারগুলোর প্রসেসর অতিরিক্ত উত্তপ্ত হওয়ায় তা ঠান্ডা রাখতে প্রচুর স্বাদুপানির প্রয়োজন হয়। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এআই পরিচালিত ডেটা সেন্টারগুলোর বার্ষিক বিদ্যুৎ চাহিদা ৯৪৫ টেরাওয়াট-ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে। তখন এর সহযোগী পানির ব্যবহার দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন লিটার। গবেষণায় দেখা গেছে, এআইয়ের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ শক্তি খরচ হয় ব্যবহারকারীদের এই দৈনন্দিন ইনফারেন্স বা ছবি তৈরির প্রসেসে।
সমস্যাটি একটি একক ছবি তৈরি নিয়ে নয়, এর স্কেল বা বিপুল পরিমাণ ব্যবহার নিয়েও। ব্যবহারকারীরা সাধারণত একটি ছবি তৈরির জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যবহারের অর্থ এআই বন্ধ করে দেওয়া নয়। এর আসল সমাধান লুকিয়ে আছে প্রযুক্তির দক্ষতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে। আশির দশকের এই ট্রেন্ড হয়তো নিজে বড় কোনো পরিবেশ বিপর্যয় আনবে না। তবে এটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, কম্পিউটিং-নির্ভর একটি প্রযুক্তি কতটা দ্রুত মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হতে পারে।
সূত্র: ফার্স্ট পোস্ট, ব্রুট

বহু মানুষের জীবনের পুরোটাই খরচ হয়ে যায় সোনার হরিণের পেছনে দৌড়ে। আর কারও কাছে সোনার হরিণ নিজেই দরজায় এসে কড়া নাড়ে। আলেক্সান্ড্র ওয়াং তেমনই এক বিস্ময়কর উদাহরণ, যিনি মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিরাচরিত লেখাপড়া...
১৮ মিনিট আগে
ভাবুন তো, আপনি মঙ্গলের উদ্দেশে ভেসে যাচ্ছেন অসীম মহাশূন্যে। হঠাৎ এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মহাকাশযানের সব ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক নেভিগেশন বিকল হয়ে গেল। পৃথিবীর সঙ্গেও বিচ্ছিন্ন রেডিও যোগাযোগ। অন্তহীন অন্ধকারের বুক চিরে কীভাবে আবার ফিরে আসবেন প্রিয় গ্রহে?
১ ঘণ্টা আগে
১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিয়ল শহরে ওজোন স্তর সুরক্ষায় ঐতিহাসিক মন্ট্রিয়ল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে থাকা ওজোন স্তর মূলত একটি প্রাকৃতিক ছাতা। এটি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে মানুষ ও পরিবেশ রক্ষা করে।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন নতুন প্রযুক্তিপণ্যের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ডিজিটাল স্মার্ট গ্লাস। এর রয়েছে ব্যাপক সুবিধা। চশমার ফ্রেমে হালকা স্পর্শ করেই ফোন কল করা যায়। শুধু তা-ই নয়, এই স্মার্ট গ্লাসের সাহায্যে এআই ব্যবহার এবং ছবি বা ভিডিও তোলা যায়।
৩ ঘণ্টা আগে