বড্ড একগুঁয়ে মানুষ তিনি। মনে যে জেদ চাপে, সেটাতেই অনড় থাকেন। তবু আপোস করতে রাজি নন।
করোনা টিকার বিরোধিতা করায় নোভাক জোকোভিচকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন না খেলেই ফিরতে হয়েছিল। মেলবোর্নের টেনিস কোর্টে নামার অনুমতি পেতে আইনের কোর্টেও গিয়েছিলেন। তবে সার্বিয়ান মহাতারকার মামলা ধোপে টেকেনি।
ধারণা করা হচ্ছিল, টিকা না নিলে উইম্বলডনেও খেলতে পারবেন না জোকোভিচ। তবে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় নমনীয় হয়েছে ব্রিটিশ সরকার। তাই টিকা না নিলেও লন্ডনের সবুজ গালিচায় নামতে বাধা নেই শীর্ষ টেনিস তারকার।
বিষয়টি আজ নিশ্চিত করে অল ইংল্যান্ড লন টেনিস ক্লাবের প্রধান নির্বাহী স্যালি বোল্টন বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে টিকা সংক্রান্ত কোনো শর্ত থাকছে না। এটা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ইচ্ছা। তবে আমরা সব খেলোয়াড়কে টিকা নিতে উৎসাহিত করছি।’
জোকোভিচের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে তাঁকে ও রজার ফেদেরারকে ছাড়িয়ে সর্বাধিক গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপার মালিক বনে যান রাফায়েল নাদাল। উইম্বলডনে খেলার সবুজ সংকেত মেলায় নাদালকে ছুঁয়ে ফেলার সুযোগ পাচ্ছেন জোকো। সঙ্গে শিরোপা ধরে রাখারও। বিশ্বের প্রাচীনতম গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন যে তিনিই!
গত দুই বছরে দুইবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন জোকাভিচ। তবু টিকা নেননি। অনেকে ভেবেছিলেন, বছরের বাকি তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম খেলার অনুমতি পেতে হয়তো টিকা নিতে বাধ্য হবেন তিনি। তবে সবাইকে ভুল প্রমাণ করে ২০টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক বলেছিলেন, ‘আমি শিরোপার তোয়াক্কা করি না। প্রয়োজনে খেলব না, তবু টিকা নেব না।’
শেষমেশ ‘জেদি জোকারই’ জয়ী হলেন। উইম্বলডন কর্তৃপক্ষ হয়তো বুঝতে পেরেছে, জোকোভিচ টিকা না নিলে তাঁর ক্ষতি। কিন্তু তাঁকে খেলতে না দিলে টুর্নামেন্টেরই ক্ষতি। বিশ্বের শীর্ষ টেনিস তারকাকে ছাড়া গ্র্যান্ড স্লাম যে অনেকাংশেই জৌলুশ হারায়।
উইম্বলডনের পথ অনুসরণ করে অন্য দুই গ্র্যান্ড স্লাম (ফ্রেঞ্চ ও যুক্তরাষ্ট্র ওপেন) কর্তৃপক্ষ নমনীয় হয় কি না, সেটা সময়ের থাকেই তোলা থাক।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪৪ মিনিট আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
৩ ঘণ্টা আগে