সাংহাই মাস্টার্সের ফাইনালে উঠেছেন দুই প্রজন্মের দুই তারকা, ‘বড় তিন’-এর শেষ প্রতিনিধি সার্বিয়ার নোভাক জোকোভিচ ও বিশ্ব টেনিসের নতুনের কেতন ওড়ানো ইতালির ইয়ানিক সিনার।
গতকাল সেমিফাইনালে সার্বিয়ান নোভাক জোকোভিচ ৬-৪, ৭-৭ (৮/৭) গেমে যুক্তরাষ্ট্রের টেলর ফ্রিটজকে হারিয়ে সাংহাই মাস্টার্সের ফাইনালে উঠেছেন। অন্য সেমিফাইনালে ইতালির ইয়ানিক সিনার ৬-৪, ৭-৫ গেমে হারিয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের টমাস ম্যাখাককে। আজই টুর্নামেন্টের ফাইনাল।
আজ জিতলে এটিপি শিরোপার ‘সেঞ্চুরি’ করবেন নোভাক জোকোভিচ। এখন তাঁর এটিপি শিরোপা ৯৯টি। তার চেয়ে বেশি শিরোপা আছে শুধু দুজনের—জিমি কনর্সের ১০৯টি ও রজার ফেদেরারের ১০৩টি। ছেলেদের টেনিসের আলোচিত এই একটি রেকর্ড, যেখানে এক কিংবা দুয়ে নেই জোকোভিচ। তবে টেনিসকে বিদায় বলার আগেই যে তিনি রেকর্ড বইয়ের এই পাতাতেও সবার ওপরে নাম লেখাবেন, সেটা আশা করাই যায়। সে পথেই অন্তত এগিয়ে যাচ্ছেন জোকোভিচ; অপেক্ষায় শিরোপার সেঞ্চুরি পূরণের। আর সিনার জিতলে এটা হবে তাঁর ১৮তম এটিপি শিরোপা। ফাইনালে উঠেই অবশ্য একটা সুখবর পেয়েছেন সিনার; র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থেকে বছর শেষ করা নিশ্চিত হয়েছে তাঁর।
পেশাদার সার্কিটে এ পর্যন্ত ৭ বার মুখোমুখি হয়েছেন জোকোভিচ-সিনার। জয়ের পাল্লাটা হেলে জোকোভিচের দিকে, জিতেছেন ৪ বার। তবে সিনার এই ভেবে তৃপ্তি পেতে পারেন যে সবশেষ ৪ সাক্ষাতের ৩ বারই জিতেছেন তিনি।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে