
২০২৫ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বাছাইপর্ব এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তবে নোভাক জোকোভিচ মাঠে নামছেন পরশু। মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় নামার আগে তিনি ৩ বছর আগের ঘটনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। ২৪ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী টেনিস তারকা অস্ট্রেলিয়ার খাবারে ‘বিষক্রিয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত জিকিউ ম্যাগাজিন গতকাল জোকোভিচের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে গিয়ে খাবার নিয়ে কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, সেটা জিকিউ ম্যাগাজিনে তাঁর সাক্ষাৎকারে জানা গেছে। ২৪ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী টেনিস তারকা সেই সময়ের ভয়ংকর এক তথ্য সামনে এনেছেন। জোকোভিচ বলেন,‘স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছিলাম (২০২২ সালে)। মেলবোর্নের হোটেলে এটা বুঝতে পারি। যে খাবার দেওয়া হয়েছিল, সেটা খেয়ে বিষক্রিয়ায় ভুগছিলাম। সার্বিয়ায় ফেরার পর সেটা ধরতে পেরেছি। সবার সামনে কখনো সেটা বলিনি। তবে তখন শরীরে উচ্চমাত্রার ধাতব ছিল বলে টের পেয়েছিল।সিসা ও পারদ ছিল উচ্চমাত্রায়।’
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিভাগের এক মুখপাত্র জোকোভিচের খাবার নিয়ে বিষক্রিয়ার অভিযোগের ব্যাপারে জানিয়েছেন, ব্যাপারটি গোপনীয় হওয়ায় ব্যক্তিগত এসব ব্যাপারে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। জর্জ ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল হেলথের ‘ফুড পলিসি’ নিয়ে কাজ করা ড্যামিয়ান ম্যাগাঞ্জা বলেন, ‘এটা খুব বাজে অভিযোগ। এটা হতে পারে (বিষক্রিয়া)। তবে সম্ভাবনা খুব। যতটা দীর্ঘ সময় তিনি সেখানে ছিলেন, তখন সেই খাবারগুলো বানানো হয়েছিল। আমার জানা মতে অন্যান্য রিপোর্টও আর হয়নি পরে।’ জোকোভিচ যে হোটেলে ২০২২ সালে, সেই পার্ক হোটেলের সঙ্গে লিজ চুক্তি হয়েছিল। আটকে থাকা ব্যক্তিদের জন্য তখন দুপুর ও রাতে সতেজ খাবার দেওয়া হয়েছিল।
২০২২ সালে করোনার টিকে নিতে চাননি জোকোভিচ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর তাঁর ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। জোকোভিচকে একটি ডিটেনশন হোটেলে আটকেও রাখা হয়েছিল। তখন আইনি লড়াইয়ে নামলেও সেটা কোনো কাজে আসেনি। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
ক্যারিয়ারে ২৪ গ্র্যান্ড স্লামের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ বার জোকোভিচ জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। এই টুর্নামেন্টে সবশেষ এককভাবে জিতেছেন ২০২৩ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের নিশেষ বাসাভারেড্ডির বিপক্ষে পরশু খেলতে নামেন জোকোভিচ।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে