কিছুদিন আগেই কথাটা বলেছিলেন রাফায়েল নাদাল—পরিসংখ্যানই জোকোভিচকে ইতিহাসের সেরা বলছে; সার্বিয়ান তারকাকে সেরা মানতে তাই আপত্তি নেই তাঁর।
গ্র্যান্ড স্লামে ২৪টি শিরোপা জোকোভিচের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২টি নাদালের। টেনিসের আরেক মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট এটিপি ফাইনালসেও সর্বোচ্চ ৭টি শিরোপা জোকোর। এখানেই শেষ নয়, গ্র্যান্ড স্লাম ও এটিপি ফাইনালসের বাইরে মর্যাদাপূর্ণ ধরা হয় যে ১০০০ মাস্টার্স সিরিজকে। সেখানেও জয়জয়কার জোকোভিচের। ১০০০ মাস্টার্সে রজার ফেদেরার ও নাদালের শিরোপা যেখানে ২৮ ও ৩৬টি, সেখানে সার্বিয়ান জোকোভিচের শিরোপা ৪০টি। তাই এমন বর্ণাঢ্য যাঁর ক্যারিয়ার, তাঁকে সর্বকালের সেরা না বলে উপায় আছে!
চলতি মন্টে কার্লো মাস্টার্সে এবার শিরোপা জিতলে অনন্য এক রেকর্ডই গড়ে ফেলবেন জোকোভিচ, যেটি হয়তো যুগ যুগ ধরে অক্ষতই থেকে যাবে। রেকর্ডটি কী? সব মাস্টার্স সিরিজ কমপক্ষে তিনবার করে জয়।
জোকোভিচ ৭ বার জিতেছেন প্যারিস মাস্টার্স। ৬ বার করে মায়ামি ও রোম মাস্টার্স। ৫ বার জিতেছেন ইন্ডিয়ান ওয়েলস। ৪ বার করে জিতেছেন কানাডা ও সাংহাই ওপেন। মাদ্রিদ ও সিনসিনাটি ওপেন জিতেছেন ৩ বার করে। শুধু মন্টে কার্লো মাস্টার্সই ৩ বার করে জেতা হয়নি তাঁর। তবে এখানে ২০১৩ ও ২০১৫ সালের শিরোপাজয়ী জোকোভিচ আবার জিততে পারেন। জিতলে ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০০ মাস্টার্স সিরিজের সব কটি টুর্নামেন্টই কমপক্ষে ৩ বার করে জয়ের রেকর্ড গড়বেন।
এর আগে ২০১৮ সালে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে সব মাস্টার্স সিরিজে একবার করে জেতেন, ২০২০ সালে যখন দুবার করে জেতেন তখন এই কৃতিত্বে তিনিই ছিলেন টেনিস ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড়।

২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) কেন্দ্র করে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে নিয়ে কিছু মিথ্যা খবর ছড়িয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে থানার শরণাপন্ন হয়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার।
৮ ঘণ্টা আগে
৬০ বছর পর বেনফিকার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। পর্তুগিজ ক্লাবটির বিপক্ষে দীর্ঘ ৫ যুগ পর খেলতে নেমে লস ব্লাঙ্কোসদের সঙ্গী হয়েছে দুঃস্মৃতি, ব্যর্থতা এবং দুর্দশা। অবিশ্বাস্য নাটকীয়তা এবং রোমাঞ্চ শেষে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচটিতে বেনফিকার মাঠ এস্তাদিও দা লুজ থেকে ৪-২ গোলের হার
১০ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা যেন কাটছেই না। পাকিস্তান অংশ নেবে কি না, সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। শোনা যাচ্ছে, বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। তবে এই ইস্যুতে পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিলেন ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার সুরেশ রায়না।
১১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন আসি আসি করছে, সে সময় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে একরকম ‘যুদ্ধংদেহী’ অবস্থা বিরাজ করছে। কখনো পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররা ধুয়ে দেন ভারতকে, বিপরীতে পাল্টা দিতেও পিছপা হন না ভারতীয়রা। এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আকাশ চোপড়ার ঘটনাটি
১২ ঘণ্টা আগে