আগের দিন সেরা হয়েছেন বালিকা এককে। এবার নারী এককেও শিরোপা জিতে নিলেন খই খই সাই মারমা। ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ অনন্য এক ‘ডাবল’ দিয়ে শেষ করলেন বিকেএসপির এই খেলোয়াড়।
আজ পল্টনের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ উডেন ফ্লোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন সাদিয়া ইসলাম মৌকে ৩-০ সেটে উড়িয়ে দিয়েছেন খই খই। দ্বিমুকুট জিতে গত আসরের আক্ষেপ ঘোচালেন খই খই। জয়ের পর তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। কারণ আগেরবারও টার্গেট ছিল ২০২৩ সালে সিনিয়র এবং জুনিয়র দুটিতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া, কিন্তু পারিনি। তাঁর (মৌ) বিপক্ষেই কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গিয়েছিলাম। তো এবার দলগত লড়াইয়ে তাঁর কাছে হেরে গিয়েছিলাম বলে একটু সংশয় ছিল এককে জিততে পারব কি না। তাও আমি চেষ্টা করেছি আক্রমাণত্মক খেলে তাঁকে চাপে রাখতে।’
গত বছরের নভেম্বরে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে মিশ্র দ্বৈতে রুপা জেতেন খই খই। টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই সেরা সাফল্য। ঘরোয়া টুর্নামেন্টেও নিজেকে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাচ্ছেন খই খই, ‘এবার মোট ৮টি ইভেন্টে অংশ নিয়ে ৬টি সোনা, ১টি রুপা এবং ১টি ব্রোঞ্জ পেয়েছি। ভবিষ্যতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া যত কঠিন, শিরোপা ধরে রাখা তো আরও কঠিন। তবে আমি চেষ্টা করব প্রতিটি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়নশিপ ধরে রাখতে।’
পুরুষ এককে গতবারের চ্যাম্পিয়ন রামহিম লিয়ন বমকে ৩-১ সেটে হারিয়ে সেরা হয়েছেন মুহতাসিন আহমেদ হৃদয়। এনিয়ে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলেন তিনি, ‘অনেক দিনের পরিশ্রমে সফল হয়েছি, এই জন্য আরও বেশি আনন্দিত। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা এখন এশিয়ান গেমস। সামনে এশিয়ান গেমসের ক্যাম্প হয়তো বা করা হবে। তো আমি চেষ্টা করব সেখানে ভালো কিছু করার।’
সব মিলিয়ে ১৪টি ইভেন্টের মধ্যে বিকেএসপি ৯টি, আনসার ও ভিডিপি ৩টি এবং সেনাবাহিনী দুটিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

ঘানা দলকে নিয়ে কিছু বলতে গেলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ২০১০ বিশ্বকাপ। ভেসে ওঠে উরুগুয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আসামোয়া জিয়ান, কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেংদের কান্নাভেজা বিদায়। নক আউটের সেই ম্যাচে যদি গোললাইন থেকে হাত দিয়ে বল না ফেরাতেন লুইস সুয়ারেজ, তাহলে তো আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবেই ঘানা উঠে যেত বিশ্বকাপে
৩৫ মিনিট আগে
১৫ বছর বয়সেই বিশ্ব ক্রিকেট আলোড়ন তৈরি করেছেন বৈভব সূর্যবংশী। বাঘা বাঘা সব বোলারদের পিটিয়ে এরই মধ্যে পেয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা মারকুটে ব্যাটারের খেতাব। অনুমিতভাবেই এই কিশোর ক্রিকেটারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয়রা। এমনকি পাকিস্তানেও চলছে সূর্যবংশী বন্দনা।
১ ঘণ্টা আগে
টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড তাণ্ডব চালাচ্ছিল বাংলাদেশের ওপর। অধিনায়ক লিটন দাস একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও সফল হচ্ছিলেন না। তবে ম্যাচের শেষ দিকে এসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের স্কোর যেখানে চোখ বন্ধ করে ২০০ পার হওয়ার কথা ছিল, তা আর হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ৯৯তম বলে হঠাৎ করে খেলা থামিয়ে দিলেন আম্পায়াররা। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো ছিঁটেফোটা ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে