
পেশাদার রেসলিং দুনিয়ার অন্যতম তারকা হয়ে উঠেছিলেন টেরি জিনি বোলিয়া। তবে টেরি বোলিয়া নামে নয়, তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন হাল্ক হোগান নামে। রেসলিং কিংবদন্তি হোগান আর এই নশ্বর পৃথিবীতে নেই। তাঁর মৃত্যুতে ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
হোগান গতকাল ৭১ বছর বয়সে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিংবদন্তি রেসলারের মৃত্যুতে সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিয়ার্স মরগানসহ অনেকেই। হোগানকে ‘হাল্কস্টার’ উপাধি নিয়ে নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘দারুণ এক বন্ধু হাল্ক হোগানকে হারিয়েছি আমরা। শক্ত, দৃঢ় ও স্মার্ট চরিত্রের অধিকারী ছিল সে। তাল হৃদয়ও ছিল অনেক বড়। তার স্ত্রী ও পরিবারের প্রতি রইল শুভকামনা ও ভালোবাসা। হাল্ক হোগানকে অনেক মিস করব।’ মরগান লিখেছেন, ‘শান্তিতে ঘুমান হাল্ক হোগান। ইতিহাসের সবচেয়ে আইকনিক রেসলার। ব্যক্তি হিসেবে তিনি দারুণ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে আসলে খারাপ লাগছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের ক্লিয়ারওয়াটার শহরে গতকাল মৃত্যুবরণ করেন হোগান। ক্লিয়ারওয়াটার শহরের পুলিশ জানিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের খবর পেয়ে হোগানের বাড়িতে ছুটে যান পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিস ও রেসকিউ টিম তাঁকে (হোগান) উদ্ধার করে মর্টন প্লান্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা হোগানকে তখন মৃত ঘোষণা করেন।
১৯৫৩ সালের ১১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হোগান। রেসলার হিসেবে টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তিনি সুনাম করেছিলেন। অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্ট (ডব্লুডব্লুই) এক বিবৃতিতে লিখেছে, ‘ডব্লুডব্লুই হল অব ফেমার হাল্ক হোগানের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। পপ কালচারের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকে ডব্লুডব্লুইকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হোগান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং ভক্ত-সমর্থকদের সমবেদনা জানাচ্ছি।’

ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের অপেক্ষা বাড়ালেন ব্রাড ইভান্স। তাতে কেবল হারের ব্যবধানই কমাতে পারল জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের শুরুতেই শেখ মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তৈরি হওয়া ভীতের ওপর দাঁড়িয়ে শেষ হাসি হাসল বাংলাদেশ।
৩২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আলোচনায় এনসো ফার্নান্দেসের টোপো জিও উদযাপন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে গোল করার পর যে ভঙ্গিতে উদযাপন করেছিলেন, ফাইনালের আগে আবারও একইভাবে দুই হাত কানের পেছনে নিয়ে সেই উদযাপন করতে দেখা গেল আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডারকে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে লাতিন আমেরিকার দল আর ইউরোপীয় দল যে কখনোই মুখোমুখি হয়নি, তা নয়। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স। ফরাসিদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবারও উঠেছে ফাইনালে। কিন্তু এবারের ব্যাপারটা যে একেবারে আলাদা। যে দুই দল মুখোমুখি হচ্ছে, তাদের মধ্যে দ
৩ ঘণ্টা আগে
আরও আগেই ইউরোপ অধ্যায়ের পাট চুকিয়েছেন লিওনেল মেসি। ২০২৩ সালেই যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। এরপরও নবম ব্যালন ডি’অরের হাতছানি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সামনে।
৪ ঘণ্টা আগে