পর্তুগাল নিয়ে বরাবরের মতো এবারও উচ্চাশা নেই। এই দল কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনালে খেলতে পারলেই আমরা খুশি। বিশ্বকাপে জার্মানি, ব্রাজিল, ফ্রান্সের মতো দলকে পেছনে ফেলে আমরা বিশ্বকাপ জিতে যাব, এমন প্রত্যাশা একেবারেই করছি না।
বিশ্বকাপে পর্তুগালকে নিয়ে বড় কোনো স্বপ্ন নেই। কারণ, এবারের বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব আমাদের যাচ্ছেতাই হয়েছে। বিশ্বকাপে আসতে হয়েছে প্লে-অফে খেলে। দলও ভালো খেলছে না। পর্তুগাল জাতীয় দল ইউরোপের অন্য দলের মতো এত মানসম্মত খেলা খেলে না। একটাই প্রত্যাশা থাকতে পারে, মনে হয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর এটা শেষ বিশ্বকাপ। দেখা যাক দলটা তাঁর জন্য কতটা ভালো খেলতে পারে!
এবারের পর্তুগাল দলটা এমন যে তারা রোনালদোর ছায়া থেকে বের হয়ে আসছে। আবার তার ওপরই বেশি নির্ভরশীল। এতটাই নির্ভরশীল যে রোনালদো নিজে পারফর্ম না করলেও দলের খেলাটা তাকে ঘিরেই হয়। রোনালদো আর কিছুদিন পর থাকবে না। তখন হয়তো বাকিরা একটা দল হয়ে উঠবে। বের্নার্দো সিলভা, হোয়াও ফেলিক্সদের মতো তরুণদের আরেকটু বেশি দায়িত্ব নেওয়া উচিত। কিন্তু সব মিলিয়ে পর্তুগাল রোনালদোকেন্দ্রিক দল।
এই দলে তরুণ প্রতিভার অভাব নেই। সাইডবেঞ্চে এতটাই ভালো ফুটবলার আছে যে অনায়াসে দুটি দল বানিয়ে ফেলা যায়। একটাই সমস্যা, এখনো পর্তুগাল একটা পরিপূর্ণ দল হয়ে উঠতে পারেনি। ক্লাবে এসব ফুটবলার নিজ নিজ পজিশনে তারকা কিন্তু জাতীয় দলে ভীষণ অগোছালো। ২০১৬ সালে যেবার ইউরো জিতল, পর্তুগাল সেবারও কিন্তু খুব ভালো খেলে শিরোপা জেতেনি।
একাধিক ড্র, পেনাল্টি, টাইব্রেকের পরও আমরা ভাগ্যের জোরে পেরিয়ে গেছি। এরপর শিরোপা জিতেছি। কিন্তু শিরোপা জেতার মতো একটা পরিপূর্ণ দল পাইনি, যেমনটা আছে স্পেন-ফ্রান্স-জার্মানির।
সবাই বলছে এটা রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ। কে জানে! শুনেছি সে নাকি ইউরোতেও খেলতে চায়। এমন হতে পারে তাকে পরের বিশ্বকাপেও দেখা গেল। যত যা-ই হোক, এবারই পর্তুগাল চেষ্টা করবে রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপটা রাঙিয়ে দেওয়ার। রোনালদোও চেষ্টা করবে বিশ্বকাপটা জেতার। এই একটা আক্ষেপই তো আছে তার। এর পরও আমি পর্তুগালকে ফাইনালে দেখি না। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে লাতিন আমেরিকান ফাইনাল দেখব। হয়তো ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা!

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা দলটি ১৩ মিনিটে তিনটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিসরকে। রুদ্ধশ্বাস এই প্রত্যাবর্তনের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি।
৫ মিনিট আগে
সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
৩ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪ ঘণ্টা আগে