
লিওনেল মেসির ৩৯তম জন্মদিন আগামীকাল। অবশ্য আগেভাগেই উদ্যাপনের কাজটা সেরে রেখেছেন। ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি নিজের নামে লিখিয়েছেন তিনি। মিরোস্লাভ ক্লোসেকে ছাড়িয়ে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানো এই আর্জেন্টাইন তারকা ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে কথা বলেছেন তাঁর বর্তমান ফর্ম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও শতভাগ উজাড় করে খেলার তাড়না নিয়ে। সংবাদমাধ্যম ওলে’র মুখোমুখি হয়ে আনন্দিত মেসির দেওয়া সেই বিশেষ সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পরও আপনার জন্য এত মানুষ অপেক্ষা করছে...
লিওনেল মেসি: একেবারে পাগলাটে অবস্থা (চওড়া হাসি)। তবে সত্যি বলতে আমি খুব খুশি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল জয়। সেটাই ছিল আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। গ্রুপে প্রথম হয়ে ছয় পয়েন্ট নেওয়া ছিল পরিকল্পনার অংশ। যাই হোক, আমি সন্তুষ্ট।
প্রশ্ন: এই যে নতুন রেকর্ডটি গড়লেন, আপনার কাছে এর অনুভূতি কেমন?
মেসি: আলাদা করে কিছু নয়। আমি শুধু খুশি যে দল একটা কঠিন ম্যাচ জিতেছে। প্রতিপক্ষ শারীরিকভাবে বেশ শক্ত ছিল এবং ম্যাচজুড়ে তাদের তীব্রতা ছিল দেখার মতো। ওই উচ্চ তীব্রতার কারণে বলের দখল ধরে রাখাটা মোটেও সহজ ছিল না। ম্যাচটা এভাবেই খেলার দরকার ছিল এবং আমরা তা সফলভাবে করে দেখিয়েছি।
প্রশ্ন: ব্রাজিলিয়ান রোনালদো বলেছেন, তিনি নাকি ৩৮ বছর বয়সে ১২০ কেজি ওজনের হয়ে গিয়েছিলেন...
মেসি: আমাকে কিছুটা জানানো হয়েছে এ বিষয়ে। সত্যি বলতে, রোনালদোকে তাঁর ক্যারিয়ারে একবার নয়, বেশ কয়েকবার গুরুতর চোটের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, সব মিলিয়ে আমি দারুণ ভাগ্যবান ছিলাম। আমাকে কখনো বড় কোনো চোটে পড়তে হয়নি, অস্ত্রোপচারের টেবিলেও বসতে হয়নি। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে যা অনেক বড় ব্যাপার। তাঁর পরিস্থিতি আসলে ভিন্ন ছিল।
প্রশ্ন: আপনি কি কখনো ভেবেছিলেন যে এই বয়সেও বিশ্বমঞ্চে নিজেকে এমন এক উচ্চতায় আবিষ্কার করবেন?
মেসি: জানি না। আগেও যা বলেছি, আবারও সেটাই বলব—আমি কখনোই নিজের বয়স মাথায় রেখে মাঠে নামি না। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি শারীরিকভাবে কেমন বোধ করছি। এখন পর্যন্ত শারীরিকভাবে খুব ভালো অবস্থায় আছি, আনন্দ পাচ্ছি এবং দলে অবদান রাখতে মুখিয়ে আছি। বয়স কত হলো, তা না ভেবে সব সময় নিজের শতভাগ, সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করি। অবশ্যই কোনো এক সময় শরীর সায় দেবে না এবং বলবে, ‘এবার থাম’। তবে যত দিন সেই সময় না আসছে, আমি এই খেলাটা উপভোগ করে যেতে চাই, কারণ এটাই আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।
প্রশ্ন: জন্মদিনে যখন মোমবাতি ফুঁ দিয়ে নেভাবেন, তখন কীসের জন্য প্রার্থনা করবেন?
মেসি: সত্যি বলতে, আমি আর কিছুই চাইতে পারি না। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ। আমি বেশ কয়েকবার বলেছি, ফুটবলে তিনি আমাকে সবকিছু দিয়েছেন। একমাত্র যে জিনিসটি আমি চাইতে পারি, তা হলো আমার নিজের, আমার পরিবারের এবং যারা সব সময় পাশে থেকেছে, তাদের সুস্থতা। এ ছাড়া এই দলের সঙ্গে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করে যেতে চাই। এই দলটা অনেক বছর ধরে মানুষকে আনন্দ দিচ্ছে এবং প্রতিটি টুর্নামেন্টে, প্রতিটি ম্যাচে সর্বোচ্চ স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে—যেন এটাই তাদের প্রথম ম্যাচ, প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন। এখানে থাকতে পারাটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।
প্রশ্ন: আপনি সব সময় বলতেন, ‘ঈশ্বর আমাকে একটি বিশ্বকাপ দেবেন।’ তিনি হয়তো আপনাকে দুটিও দিতে পারেন।
মেসি: সত্যি বলতে, সেটা একটু বেশিই চাওয়া হয়ে যাবে। তিনি আমাকে যা দিয়েছেন, তা প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি। এখন সবচেয়ে বড় কাজ হলো এই সময়টা উপভোগ করা এবং আগের মতোই চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। এই দলটা প্রতিপক্ষ কে, তা নিয়ে ভাবার চেয়ে লড়াই করতে জানে। আমরা চেষ্টা করব, আবারও চেষ্টা করব এবং নিজেদের সেরাটা দিয়ে লড়ব। বরাবরের মতো আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই—সামনে যে ম্যাচটা আছে, তা নিয়েই ভাবছি। খুব বেশি দূরের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই কল্পনা করতে চাই না।

বাংলাদেশে কাজ করতে এসে একের পর এক অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন অনূর্ধ্ব-২০ দলের ইংলিশ কোচ জেরার্ড জোন্স। এবার তাঁর অভিযোগ, ঢাকায় চলাচলের সময় গাড়িতে ধাক্কা দেওয়া, গাড়ি ঘিরে ধরে টাকা চাওয়াসহ নানা ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য কীভাবে আদান-প্রদান ও শেয়ার করা হয়েছে, সেটি
৬ মিনিট আগে
ক্রিকেট সাংবাদিক ভারত সুন্দরেসান সামাজিক মাধ্যমে ফিল্ডিং সেশনের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন। সেখানে প্রথম স্লিপে ওয়েবস্টার, দ্বিতীয় স্লিপে স্টিভ স্মিথ এবং গালিতে দেখা গেছে গ্রিনকে। উইকেটের পেছনে ছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি।
২৫ মিনিট আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলে কথা। যাঁকে এক নজর দেখতে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন। পর্তুগিজ তারকা ফুটবলারের বিয়েতে ভক্ত-সমর্থকদের হুমড়ি খেয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। পর্তুগালের মাদেইরার এক গির্জায় এমনই এক ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু পরে জানা গেল, পাত্র-পাত্রী অন্য কেউ।
২ ঘণ্টা আগে
২০০৩ থেকে ২০২৬—২৩ বছরে কত কিছুরই তো পরিবর্তন হয়েছে ক্রিকেট বিশ্বে। চার-ছক্কার ধুন্ধুমার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। দীর্ঘ এই সময়ে অবসর, অবসর ভেঙে ক্রিকেটে ফিরে আবার অবসর—এমন অজস্র ঘটনা ঘটেছে। কেউ কেউ আবার চলে গেছেন না ফেরার দেশে। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট স্মৃতির পাতা উল্টে ফিরে গেলেন ২০০৩
৩ ঘণ্টা আগে