অয়ন রায়

দুঃস্বপ্নের নিউজিল্যান্ড সফর এখন অতীত। দরজায় কড়া নাড়ছে শ্রীলঙ্কা সফর। দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে আগামী সপ্তাহে লঙ্কার বিমান ধরবে মুমিনুল হকের দল।
অনেক আশা নিয়েই খেলোয়াড়েরা ধরেন যেকোনো সফরের উড়ান। মুমিনুলরাও নিশ্চয়ই অনেক আশা নিয়ে যাবেন শ্রীলঙ্কায়। তাঁদের অনুপ্রেরণা জোগাবে সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরের আনন্দদায়ী স্মৃতিও (২০১৭)। যে সফরে বাংলাদেশ ফিরেছিল টেস্ট সিরিজ ড্রয়ের আনন্দ নিয়ে। কিন্তু এবার কি সেই প্রত্যাশা সহজেই পূরণ হবে?
জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে ধবলধোলাই হলেও কদিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠেই ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ০-০ সিরিজ ড্র করে আত্মবিশ্বাসটা উঁচুতে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছেই ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে ধবলধোলাই হয়েছে বাংলাদেশ। নিজের অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরিয়ান পাথুম নিসাঙ্কার সঙ্গে লাহিরু থিরিমান্নে, ওসাদা ফার্নান্দো, দিনেশ চান্ডিমালকে নিয়ে তাদের ব্যাটিং বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। লঙ্কান বোলাররাও আছেন ছন্দে। সুরঙ্গা লাকমাল, দুসমন্ত চামিরার সঙ্গে তরুণ স্পিনার লাসিথ এমবালদেনিয়া; ব্যাটিং–বোলিং সব মিলিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দলটি এখন উন্মুখ ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ কিছু করতে।
বাংলাদেশের অবস্থা ঠিক উল্টো। গত তিন মাসে জিততেই ভুলে গেছে বাংলাদেশ! ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে তুলনামূলক খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে ২-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই। মার্চে নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—সব ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। খেলায় জয়–পরাজয় থাকেই। কিন্তু প্রশ্নটা বাংলাদেশের হারের ধরন নিয়ে। নেতিবাচক শারীরিক ভাষা, নিচু আত্মবিশ্বাস আর মাঠের বাজে পারফরম্যান্স বলেছে, দিগ্ভ্রান্ত এক দল যেন এই বাংলাদেশ! একের পর এক ক্যাচ হাতছাড়া, বাজে গ্রাউন্ড ফিল্ডিং, ছন্নছাড়া বোলিংয়ের সঙ্গে মলিন ব্যাটিং পারফরম্যান্স—বেশির ভাগ ম্যাচে বাংলাদেশ একেবারেই লড়াই জমাতে পারেনি নিউজিল্যান্ডে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ–নিউজিল্যান্ডের পর এবার আরেকটি কঠিন পরীক্ষা বাংলাদেশের। পরীক্ষাটা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে দলে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতির কারণে। ২০১৭ সালে নিজেদের শততম টেস্ট জয়ে যিনি রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান, সেই সাকিব আল হাসান এবার নেই সফরে। ২০১৩ গল টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহিমকে পাওয়া নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। চোট থেকে এখনো সেরে উঠতে পারেননি তিনি। মাহমুদউল্লাহ তো এখন টেস্টেই আপঙ্ক্তেয়।
জুনে লর্ডসে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কারা খেলবে তা এরই মধ্যে নির্ধারিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হলেও এখানে পয়েন্টের হিসাব তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই বলে হালকাভাবেও দেখার সুযোগ নেই সিরিজটা। বাংলাদেশের কাছে টেস্ট সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে অন্য কারণে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই চক্রে বাংলাদেশের প্রাপ্তি এখন পর্যন্ত শূন্য। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও যদি ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থাকেন, নামের পাশে ইয়া বড় একটা গোল্লা ভ্রুকটি কাটবে মুমিনুলদের!
বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এটাই, এই শূন্যকে পরিণত করতে হবে কিছু মূল্যবান সংখ্যায়!

দুঃস্বপ্নের নিউজিল্যান্ড সফর এখন অতীত। দরজায় কড়া নাড়ছে শ্রীলঙ্কা সফর। দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে আগামী সপ্তাহে লঙ্কার বিমান ধরবে মুমিনুল হকের দল।
অনেক আশা নিয়েই খেলোয়াড়েরা ধরেন যেকোনো সফরের উড়ান। মুমিনুলরাও নিশ্চয়ই অনেক আশা নিয়ে যাবেন শ্রীলঙ্কায়। তাঁদের অনুপ্রেরণা জোগাবে সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরের আনন্দদায়ী স্মৃতিও (২০১৭)। যে সফরে বাংলাদেশ ফিরেছিল টেস্ট সিরিজ ড্রয়ের আনন্দ নিয়ে। কিন্তু এবার কি সেই প্রত্যাশা সহজেই পূরণ হবে?
জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে ধবলধোলাই হলেও কদিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠেই ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ০-০ সিরিজ ড্র করে আত্মবিশ্বাসটা উঁচুতে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছেই ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে ধবলধোলাই হয়েছে বাংলাদেশ। নিজের অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরিয়ান পাথুম নিসাঙ্কার সঙ্গে লাহিরু থিরিমান্নে, ওসাদা ফার্নান্দো, দিনেশ চান্ডিমালকে নিয়ে তাদের ব্যাটিং বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। লঙ্কান বোলাররাও আছেন ছন্দে। সুরঙ্গা লাকমাল, দুসমন্ত চামিরার সঙ্গে তরুণ স্পিনার লাসিথ এমবালদেনিয়া; ব্যাটিং–বোলিং সব মিলিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দলটি এখন উন্মুখ ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ কিছু করতে।
বাংলাদেশের অবস্থা ঠিক উল্টো। গত তিন মাসে জিততেই ভুলে গেছে বাংলাদেশ! ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে তুলনামূলক খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে ২-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই। মার্চে নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—সব ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। খেলায় জয়–পরাজয় থাকেই। কিন্তু প্রশ্নটা বাংলাদেশের হারের ধরন নিয়ে। নেতিবাচক শারীরিক ভাষা, নিচু আত্মবিশ্বাস আর মাঠের বাজে পারফরম্যান্স বলেছে, দিগ্ভ্রান্ত এক দল যেন এই বাংলাদেশ! একের পর এক ক্যাচ হাতছাড়া, বাজে গ্রাউন্ড ফিল্ডিং, ছন্নছাড়া বোলিংয়ের সঙ্গে মলিন ব্যাটিং পারফরম্যান্স—বেশির ভাগ ম্যাচে বাংলাদেশ একেবারেই লড়াই জমাতে পারেনি নিউজিল্যান্ডে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ–নিউজিল্যান্ডের পর এবার আরেকটি কঠিন পরীক্ষা বাংলাদেশের। পরীক্ষাটা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে দলে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতির কারণে। ২০১৭ সালে নিজেদের শততম টেস্ট জয়ে যিনি রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান, সেই সাকিব আল হাসান এবার নেই সফরে। ২০১৩ গল টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহিমকে পাওয়া নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। চোট থেকে এখনো সেরে উঠতে পারেননি তিনি। মাহমুদউল্লাহ তো এখন টেস্টেই আপঙ্ক্তেয়।
জুনে লর্ডসে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কারা খেলবে তা এরই মধ্যে নির্ধারিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হলেও এখানে পয়েন্টের হিসাব তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই বলে হালকাভাবেও দেখার সুযোগ নেই সিরিজটা। বাংলাদেশের কাছে টেস্ট সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে অন্য কারণে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই চক্রে বাংলাদেশের প্রাপ্তি এখন পর্যন্ত শূন্য। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও যদি ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থাকেন, নামের পাশে ইয়া বড় একটা গোল্লা ভ্রুকটি কাটবে মুমিনুলদের!
বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এটাই, এই শূন্যকে পরিণত করতে হবে কিছু মূল্যবান সংখ্যায়!

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই এগিয়ে আসছে, ততই খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) সম্পর্ক। গতকাল রাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, চলমান দোলাচলে লিটন দাসদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবে আইসিসি। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো তথ্য নেই বিসিসিআইয়ের কাছে।
৩ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে এবার নিল নতুন মোড়। এখন পর্যন্ত বিসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে আসেনি কোনো অগ্রগতি। সম্প্রতি ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই ও কেরালায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন নতুন খবর। বাংলাদে
৩ ঘণ্টা আগে
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের একজন মনে করা হয় স্টিভ স্মিথকে। এই সংস্করণে প্রায় ১১০০০ রানের মালিক তিনি। যেভাবে এগোচ্ছেন তাতে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার পর কিংবদন্তির তকমা পাবেন সেটা বলাই যায়। রিশাদ হোসেনের চোখেও তাই স্মিথ একজন কিংবদন্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
টুর্নামেন্টের প্রথম অংশটা কী দারুণ ছিল রংপুর রাইডার্সের। প্রথম ৫ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিতেছে রংপুর। যার মধ্যে ছিল হ্যাটট্রিক জয়ের কীর্তিও। নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন রংপুর এবার চোখে সর্ষেফুল দেখছে। সিলেট স্টেডিয়ামে আজ রংপুর রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স।
৪ ঘণ্টা আগে