হাসনাত শোয়েব, ঢাকা

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
মেসি-বার্সা সম্পর্কের বয়স ২১ বছর। এটি নিছক সাধারণ কোনো সম্পর্ক নয়। অনেক রাজনীতি, অর্থনীতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাব–নিকাশ তাতে জড়িয়ে আছে। কিন্তু সব ছাপিয়ে বড় সত্যটা বোধহয় মেসির চোখের জল। ন্যু ক্যাম্পের অডিটরিয়াম ১৮৯৯-এ অশ্রুভেজা চোখে মেসি যেদিন বিদায় বলতে আসেন, সেদিন ‘মেসি কাঁদলেন, কাঁদালেন’ শিরোনামটাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছিল। সব হিসাব–নিকাশের পরও চোখের জলই যে সত্যি।
‘বিংশ শতাব্দীতে শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর।’ বলেছিলেন তুরস্কের কিংবদন্তি কবি নাজিম হিকমত। বার্সা থেকে মেসির বিদায়ের শোক হয়তো আরও আগেই থেমে যাবে। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পের পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির ঝরঝর করে কেঁদে ফেলার মুহূর্তটা নিশ্চয় অমর হয়ে থাকবে।
মেসি বলেছেন শহর ও ক্লাবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা। তিনি তো শেষ পর্যন্ত থাকতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু পারলেন না কেন? কার দায়? যে ক্লাবকে মেসি নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন, তারা কি নিজেদের সর্বোচ্চটা করেছে মেসিকে ধরে রাখতে? নাকি মেসির বিদায়ের রাস্তাটা তারাই তৈরি করে দিয়েছে? শুনতে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব মনে হলেও এই প্রশ্নগুলো একেবারেই অবান্তর নয়।
মেসির কান্না সেদিন অনেক কথা বলে দিয়েছে, যার একটি হচ্ছে মেসি, তাঁর বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি কিংবা আইনি পরামর্শক কেউই আসলে বুঝতে পারেননি, লা লিগার অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও বার্সার অদ্ভুত অর্থনৈতিক অবস্থার যোগসাজশটা আসলে কেমন। অথচ এই দুই পক্ষের তৈরি করা এমন উদ্ভট পরিস্থিতিই মেসিকে ক্লাব ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে। বার্সার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা ও বোর্ড জানত পরিস্থিতিটা আসলে কেমন। এমন কিছু যে হতে পারে, লাপোর্তার নির্বাচনের আগে-পরে তা আঁচ করা যাচ্ছিল। তারা জানত ক্লাবের বিশাল অঙ্কের বেতন কমাতে হবে এবং এবার দলবদলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয় নিয়ে আসতে হবে। এসব তাদের করতেই হতো, যদি তারা মেসিকে ধরে রাখার প্রয়োজন বোধ করত।
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ার তেবাসও শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন যে, এই গ্রীষ্মে ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিতে কোনো ব্যতিক্রম ঘটবে না, এমনকি সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের জন্যও নয়। লাপোর্তা যখন জনসম্মুখে নিয়ম শিথিল করার কথা বলেছিলেন, তখন প্রতিবারই তেবাস বলেছেন, মেসি থাকতে পারেন। তবে সেটি করতে বার্সাকে নিয়মের ভেতরে থেকেই উপায় খুঁজতে হবে। সব মিলিয়ে কোথাও না কোথাও বোঝাপড়ার বিশাল ঘাটতি ছিল। বার্সা কর্তৃপক্ষ হয়তো এই বিশ্বাস নিয়েই ছিল যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কিংবা তারা এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করছিল।
মেসি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছিলেন ক্লাবে থেকে যেতে। ৫০ শতাংশ বেতন কমানোর প্রস্তাবেও রাজি হয়েছিলেন। ক্লাব ও শহরের প্রতি ভালোবাসা থেকেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। যদি মেসি আগেই ক্লাব ছাড়তেন, বাজারে অবস্থানটাও আরও মজবুত থাকত। শুধু সময়ক্ষেপণের কারণে মেসির জন্য অনেকগুলো ক্লাবের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে আগের মৌসুমে তাঁকে নিতে চাওয়া ম্যানসিটিও রয়েছে।

পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট ছিল যে বার্সার ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরো ঋণের অর্থ হলো ক্লাবটিকে নিজেদের বেতন ২০১৯-২০ মৌসুমের ৬৭১ মিলিয়ন ইউরোর চূড়া থেকে ২০২১-২২ মৌসুমে ২০০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ, বিশ্ব ফুটবলের পরিপ্রেক্ষিতে বেতন নামিয়ে আনতে হবে এভারটন বা অ্যাস্টন ভিলার কাছাকাছি।
কিন্তু সমস্যার সমাধান না করে বার্সা গ্রীষ্মের দলবদলে একের পর এক খেলোয়াড় দলে টেনেছে। যে তালিকায় নাম আছে মেমফিস ডিপাই, আগুয়েরো, এরিক গার্সিয়া ও এমারসন রয়েলের। এর সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে গত মৌসুমগুলোয় সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে দলে টানা ফিলিপ্পে কুতিনহো, আতোয়াঁন গ্রিজমান ও উসমান দেম্বেলেকে। নাম আসতে পারে স্যামুয়েল উমতিতি ও মিরালেম পিয়ানিচেরও। যাঁরা এখনো ক্লাবে আছেন।
মেসি নিজেও বলেছেন, ৫০ শতাংশ বেতন কমাতে রাজি হওয়ার পর ক্লাব তাঁকে পরবর্তী জটিলতা সম্পর্কে কিছুই জানায়নি। প্রশ্ন তাই উঠতেই পারে, পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির কান্নার দায় এককভাবে বার্সা কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে বর্তায় কি না!

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
মেসি-বার্সা সম্পর্কের বয়স ২১ বছর। এটি নিছক সাধারণ কোনো সম্পর্ক নয়। অনেক রাজনীতি, অর্থনীতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাব–নিকাশ তাতে জড়িয়ে আছে। কিন্তু সব ছাপিয়ে বড় সত্যটা বোধহয় মেসির চোখের জল। ন্যু ক্যাম্পের অডিটরিয়াম ১৮৯৯-এ অশ্রুভেজা চোখে মেসি যেদিন বিদায় বলতে আসেন, সেদিন ‘মেসি কাঁদলেন, কাঁদালেন’ শিরোনামটাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছিল। সব হিসাব–নিকাশের পরও চোখের জলই যে সত্যি।
‘বিংশ শতাব্দীতে শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর।’ বলেছিলেন তুরস্কের কিংবদন্তি কবি নাজিম হিকমত। বার্সা থেকে মেসির বিদায়ের শোক হয়তো আরও আগেই থেমে যাবে। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পের পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির ঝরঝর করে কেঁদে ফেলার মুহূর্তটা নিশ্চয় অমর হয়ে থাকবে।
মেসি বলেছেন শহর ও ক্লাবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা। তিনি তো শেষ পর্যন্ত থাকতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু পারলেন না কেন? কার দায়? যে ক্লাবকে মেসি নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন, তারা কি নিজেদের সর্বোচ্চটা করেছে মেসিকে ধরে রাখতে? নাকি মেসির বিদায়ের রাস্তাটা তারাই তৈরি করে দিয়েছে? শুনতে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব মনে হলেও এই প্রশ্নগুলো একেবারেই অবান্তর নয়।
মেসির কান্না সেদিন অনেক কথা বলে দিয়েছে, যার একটি হচ্ছে মেসি, তাঁর বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি কিংবা আইনি পরামর্শক কেউই আসলে বুঝতে পারেননি, লা লিগার অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও বার্সার অদ্ভুত অর্থনৈতিক অবস্থার যোগসাজশটা আসলে কেমন। অথচ এই দুই পক্ষের তৈরি করা এমন উদ্ভট পরিস্থিতিই মেসিকে ক্লাব ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে। বার্সার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা ও বোর্ড জানত পরিস্থিতিটা আসলে কেমন। এমন কিছু যে হতে পারে, লাপোর্তার নির্বাচনের আগে-পরে তা আঁচ করা যাচ্ছিল। তারা জানত ক্লাবের বিশাল অঙ্কের বেতন কমাতে হবে এবং এবার দলবদলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয় নিয়ে আসতে হবে। এসব তাদের করতেই হতো, যদি তারা মেসিকে ধরে রাখার প্রয়োজন বোধ করত।
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ার তেবাসও শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন যে, এই গ্রীষ্মে ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিতে কোনো ব্যতিক্রম ঘটবে না, এমনকি সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের জন্যও নয়। লাপোর্তা যখন জনসম্মুখে নিয়ম শিথিল করার কথা বলেছিলেন, তখন প্রতিবারই তেবাস বলেছেন, মেসি থাকতে পারেন। তবে সেটি করতে বার্সাকে নিয়মের ভেতরে থেকেই উপায় খুঁজতে হবে। সব মিলিয়ে কোথাও না কোথাও বোঝাপড়ার বিশাল ঘাটতি ছিল। বার্সা কর্তৃপক্ষ হয়তো এই বিশ্বাস নিয়েই ছিল যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কিংবা তারা এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করছিল।
মেসি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছিলেন ক্লাবে থেকে যেতে। ৫০ শতাংশ বেতন কমানোর প্রস্তাবেও রাজি হয়েছিলেন। ক্লাব ও শহরের প্রতি ভালোবাসা থেকেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। যদি মেসি আগেই ক্লাব ছাড়তেন, বাজারে অবস্থানটাও আরও মজবুত থাকত। শুধু সময়ক্ষেপণের কারণে মেসির জন্য অনেকগুলো ক্লাবের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে আগের মৌসুমে তাঁকে নিতে চাওয়া ম্যানসিটিও রয়েছে।

পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট ছিল যে বার্সার ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরো ঋণের অর্থ হলো ক্লাবটিকে নিজেদের বেতন ২০১৯-২০ মৌসুমের ৬৭১ মিলিয়ন ইউরোর চূড়া থেকে ২০২১-২২ মৌসুমে ২০০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ, বিশ্ব ফুটবলের পরিপ্রেক্ষিতে বেতন নামিয়ে আনতে হবে এভারটন বা অ্যাস্টন ভিলার কাছাকাছি।
কিন্তু সমস্যার সমাধান না করে বার্সা গ্রীষ্মের দলবদলে একের পর এক খেলোয়াড় দলে টেনেছে। যে তালিকায় নাম আছে মেমফিস ডিপাই, আগুয়েরো, এরিক গার্সিয়া ও এমারসন রয়েলের। এর সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে গত মৌসুমগুলোয় সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে দলে টানা ফিলিপ্পে কুতিনহো, আতোয়াঁন গ্রিজমান ও উসমান দেম্বেলেকে। নাম আসতে পারে স্যামুয়েল উমতিতি ও মিরালেম পিয়ানিচেরও। যাঁরা এখনো ক্লাবে আছেন।
মেসি নিজেও বলেছেন, ৫০ শতাংশ বেতন কমাতে রাজি হওয়ার পর ক্লাব তাঁকে পরবর্তী জটিলতা সম্পর্কে কিছুই জানায়নি। প্রশ্ন তাই উঠতেই পারে, পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির কান্নার দায় এককভাবে বার্সা কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে বর্তায় কি না!
হাসনাত শোয়েব, ঢাকা

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
মেসি-বার্সা সম্পর্কের বয়স ২১ বছর। এটি নিছক সাধারণ কোনো সম্পর্ক নয়। অনেক রাজনীতি, অর্থনীতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাব–নিকাশ তাতে জড়িয়ে আছে। কিন্তু সব ছাপিয়ে বড় সত্যটা বোধহয় মেসির চোখের জল। ন্যু ক্যাম্পের অডিটরিয়াম ১৮৯৯-এ অশ্রুভেজা চোখে মেসি যেদিন বিদায় বলতে আসেন, সেদিন ‘মেসি কাঁদলেন, কাঁদালেন’ শিরোনামটাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছিল। সব হিসাব–নিকাশের পরও চোখের জলই যে সত্যি।
‘বিংশ শতাব্দীতে শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর।’ বলেছিলেন তুরস্কের কিংবদন্তি কবি নাজিম হিকমত। বার্সা থেকে মেসির বিদায়ের শোক হয়তো আরও আগেই থেমে যাবে। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পের পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির ঝরঝর করে কেঁদে ফেলার মুহূর্তটা নিশ্চয় অমর হয়ে থাকবে।
মেসি বলেছেন শহর ও ক্লাবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা। তিনি তো শেষ পর্যন্ত থাকতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু পারলেন না কেন? কার দায়? যে ক্লাবকে মেসি নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন, তারা কি নিজেদের সর্বোচ্চটা করেছে মেসিকে ধরে রাখতে? নাকি মেসির বিদায়ের রাস্তাটা তারাই তৈরি করে দিয়েছে? শুনতে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব মনে হলেও এই প্রশ্নগুলো একেবারেই অবান্তর নয়।
মেসির কান্না সেদিন অনেক কথা বলে দিয়েছে, যার একটি হচ্ছে মেসি, তাঁর বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি কিংবা আইনি পরামর্শক কেউই আসলে বুঝতে পারেননি, লা লিগার অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও বার্সার অদ্ভুত অর্থনৈতিক অবস্থার যোগসাজশটা আসলে কেমন। অথচ এই দুই পক্ষের তৈরি করা এমন উদ্ভট পরিস্থিতিই মেসিকে ক্লাব ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে। বার্সার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা ও বোর্ড জানত পরিস্থিতিটা আসলে কেমন। এমন কিছু যে হতে পারে, লাপোর্তার নির্বাচনের আগে-পরে তা আঁচ করা যাচ্ছিল। তারা জানত ক্লাবের বিশাল অঙ্কের বেতন কমাতে হবে এবং এবার দলবদলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয় নিয়ে আসতে হবে। এসব তাদের করতেই হতো, যদি তারা মেসিকে ধরে রাখার প্রয়োজন বোধ করত।
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ার তেবাসও শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন যে, এই গ্রীষ্মে ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিতে কোনো ব্যতিক্রম ঘটবে না, এমনকি সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের জন্যও নয়। লাপোর্তা যখন জনসম্মুখে নিয়ম শিথিল করার কথা বলেছিলেন, তখন প্রতিবারই তেবাস বলেছেন, মেসি থাকতে পারেন। তবে সেটি করতে বার্সাকে নিয়মের ভেতরে থেকেই উপায় খুঁজতে হবে। সব মিলিয়ে কোথাও না কোথাও বোঝাপড়ার বিশাল ঘাটতি ছিল। বার্সা কর্তৃপক্ষ হয়তো এই বিশ্বাস নিয়েই ছিল যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কিংবা তারা এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করছিল।
মেসি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছিলেন ক্লাবে থেকে যেতে। ৫০ শতাংশ বেতন কমানোর প্রস্তাবেও রাজি হয়েছিলেন। ক্লাব ও শহরের প্রতি ভালোবাসা থেকেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। যদি মেসি আগেই ক্লাব ছাড়তেন, বাজারে অবস্থানটাও আরও মজবুত থাকত। শুধু সময়ক্ষেপণের কারণে মেসির জন্য অনেকগুলো ক্লাবের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে আগের মৌসুমে তাঁকে নিতে চাওয়া ম্যানসিটিও রয়েছে।

পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট ছিল যে বার্সার ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরো ঋণের অর্থ হলো ক্লাবটিকে নিজেদের বেতন ২০১৯-২০ মৌসুমের ৬৭১ মিলিয়ন ইউরোর চূড়া থেকে ২০২১-২২ মৌসুমে ২০০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ, বিশ্ব ফুটবলের পরিপ্রেক্ষিতে বেতন নামিয়ে আনতে হবে এভারটন বা অ্যাস্টন ভিলার কাছাকাছি।
কিন্তু সমস্যার সমাধান না করে বার্সা গ্রীষ্মের দলবদলে একের পর এক খেলোয়াড় দলে টেনেছে। যে তালিকায় নাম আছে মেমফিস ডিপাই, আগুয়েরো, এরিক গার্সিয়া ও এমারসন রয়েলের। এর সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে গত মৌসুমগুলোয় সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে দলে টানা ফিলিপ্পে কুতিনহো, আতোয়াঁন গ্রিজমান ও উসমান দেম্বেলেকে। নাম আসতে পারে স্যামুয়েল উমতিতি ও মিরালেম পিয়ানিচেরও। যাঁরা এখনো ক্লাবে আছেন।
মেসি নিজেও বলেছেন, ৫০ শতাংশ বেতন কমাতে রাজি হওয়ার পর ক্লাব তাঁকে পরবর্তী জটিলতা সম্পর্কে কিছুই জানায়নি। প্রশ্ন তাই উঠতেই পারে, পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির কান্নার দায় এককভাবে বার্সা কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে বর্তায় কি না!

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
মেসি-বার্সা সম্পর্কের বয়স ২১ বছর। এটি নিছক সাধারণ কোনো সম্পর্ক নয়। অনেক রাজনীতি, অর্থনীতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাব–নিকাশ তাতে জড়িয়ে আছে। কিন্তু সব ছাপিয়ে বড় সত্যটা বোধহয় মেসির চোখের জল। ন্যু ক্যাম্পের অডিটরিয়াম ১৮৯৯-এ অশ্রুভেজা চোখে মেসি যেদিন বিদায় বলতে আসেন, সেদিন ‘মেসি কাঁদলেন, কাঁদালেন’ শিরোনামটাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছিল। সব হিসাব–নিকাশের পরও চোখের জলই যে সত্যি।
‘বিংশ শতাব্দীতে শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর।’ বলেছিলেন তুরস্কের কিংবদন্তি কবি নাজিম হিকমত। বার্সা থেকে মেসির বিদায়ের শোক হয়তো আরও আগেই থেমে যাবে। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পের পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির ঝরঝর করে কেঁদে ফেলার মুহূর্তটা নিশ্চয় অমর হয়ে থাকবে।
মেসি বলেছেন শহর ও ক্লাবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা। তিনি তো শেষ পর্যন্ত থাকতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু পারলেন না কেন? কার দায়? যে ক্লাবকে মেসি নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন, তারা কি নিজেদের সর্বোচ্চটা করেছে মেসিকে ধরে রাখতে? নাকি মেসির বিদায়ের রাস্তাটা তারাই তৈরি করে দিয়েছে? শুনতে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব মনে হলেও এই প্রশ্নগুলো একেবারেই অবান্তর নয়।
মেসির কান্না সেদিন অনেক কথা বলে দিয়েছে, যার একটি হচ্ছে মেসি, তাঁর বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি কিংবা আইনি পরামর্শক কেউই আসলে বুঝতে পারেননি, লা লিগার অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও বার্সার অদ্ভুত অর্থনৈতিক অবস্থার যোগসাজশটা আসলে কেমন। অথচ এই দুই পক্ষের তৈরি করা এমন উদ্ভট পরিস্থিতিই মেসিকে ক্লাব ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে। বার্সার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা ও বোর্ড জানত পরিস্থিতিটা আসলে কেমন। এমন কিছু যে হতে পারে, লাপোর্তার নির্বাচনের আগে-পরে তা আঁচ করা যাচ্ছিল। তারা জানত ক্লাবের বিশাল অঙ্কের বেতন কমাতে হবে এবং এবার দলবদলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয় নিয়ে আসতে হবে। এসব তাদের করতেই হতো, যদি তারা মেসিকে ধরে রাখার প্রয়োজন বোধ করত।
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ার তেবাসও শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন যে, এই গ্রীষ্মে ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিতে কোনো ব্যতিক্রম ঘটবে না, এমনকি সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের জন্যও নয়। লাপোর্তা যখন জনসম্মুখে নিয়ম শিথিল করার কথা বলেছিলেন, তখন প্রতিবারই তেবাস বলেছেন, মেসি থাকতে পারেন। তবে সেটি করতে বার্সাকে নিয়মের ভেতরে থেকেই উপায় খুঁজতে হবে। সব মিলিয়ে কোথাও না কোথাও বোঝাপড়ার বিশাল ঘাটতি ছিল। বার্সা কর্তৃপক্ষ হয়তো এই বিশ্বাস নিয়েই ছিল যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কিংবা তারা এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করছিল।
মেসি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছিলেন ক্লাবে থেকে যেতে। ৫০ শতাংশ বেতন কমানোর প্রস্তাবেও রাজি হয়েছিলেন। ক্লাব ও শহরের প্রতি ভালোবাসা থেকেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। যদি মেসি আগেই ক্লাব ছাড়তেন, বাজারে অবস্থানটাও আরও মজবুত থাকত। শুধু সময়ক্ষেপণের কারণে মেসির জন্য অনেকগুলো ক্লাবের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে আগের মৌসুমে তাঁকে নিতে চাওয়া ম্যানসিটিও রয়েছে।

পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট ছিল যে বার্সার ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরো ঋণের অর্থ হলো ক্লাবটিকে নিজেদের বেতন ২০১৯-২০ মৌসুমের ৬৭১ মিলিয়ন ইউরোর চূড়া থেকে ২০২১-২২ মৌসুমে ২০০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ, বিশ্ব ফুটবলের পরিপ্রেক্ষিতে বেতন নামিয়ে আনতে হবে এভারটন বা অ্যাস্টন ভিলার কাছাকাছি।
কিন্তু সমস্যার সমাধান না করে বার্সা গ্রীষ্মের দলবদলে একের পর এক খেলোয়াড় দলে টেনেছে। যে তালিকায় নাম আছে মেমফিস ডিপাই, আগুয়েরো, এরিক গার্সিয়া ও এমারসন রয়েলের। এর সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে গত মৌসুমগুলোয় সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে দলে টানা ফিলিপ্পে কুতিনহো, আতোয়াঁন গ্রিজমান ও উসমান দেম্বেলেকে। নাম আসতে পারে স্যামুয়েল উমতিতি ও মিরালেম পিয়ানিচেরও। যাঁরা এখনো ক্লাবে আছেন।
মেসি নিজেও বলেছেন, ৫০ শতাংশ বেতন কমাতে রাজি হওয়ার পর ক্লাব তাঁকে পরবর্তী জটিলতা সম্পর্কে কিছুই জানায়নি। প্রশ্ন তাই উঠতেই পারে, পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে মেসির কান্নার দায় এককভাবে বার্সা কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে বর্তায় কি না!

৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৬ ঘণ্টা আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৬ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। আজ দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই। তিতাস শেষ ম্যাচে হারলেও গেম পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে নৌবাহিনীর চেয়ে।
শেষ রাউন্ডে খেলাঘর দাবা সংঘের মুখোমুখি হওয়ার আগে ৯ খেলায় তিতাসের গেম পয়েন্ট ৩১.৫। আর নৌবাহিনী ১০ খেলায় ২৮.৫ পয়েন্টের বেশি অর্জন করতে পারেনি। আজ দাবা ফেডারেশন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশকে ৩.৫-১.৫ গেম পয়েন্টে হারিয়েছে তিতাস। ক্লাবটির হয়ে জয়ের দেখা পান ফিদে মাস্টার সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ, আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান ও ফিদে মাস্টার তাহসিন তাজওয়ার জিয়া। মিসরীয় গ্র্যান্ডমাস্টার ফওজি আদম অবশ্য ড্র করেন। এবার তিতাসের হয়ে খেলেছেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং সদ্য জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়াজ মোর্শেদও।
এ নিয়ে তৃতীয়বার ঘরোয়া দাবার শীর্ষ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ২০০০ সালে প্রথমবার শিরোপা জেতে তারা। তখন অবশ্য দাবার শীর্ষ স্তর ছিল প্রথম বিভাগ। ২০১১ সালে তা রূপ নেয় প্রিমিয়ার লিগে। গত বছর করতে না পারায় এই বছর ৭ মাসের ব্যবধানে দুবার লিগ আয়োজন করছে ফেডারেশন। দুবারই চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ক্লাবটি মূলত সরকারি প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাসের অর্থায়নে পরিচালিত হয়।
গত লিগে চারে থাকলেও এবার তিতাসের সামনে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড় করায় নৌবাহিনী। আজ ৪-০ গেম পয়েন্টে জনতা ব্যাংক অফিসান ওয়েলফেয়ার সোসাইটিকে হারায় তারা। ৯ খেলায় ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। লিওনাইন চেস ক্লাব ৯ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ৯ পয়েন্ট করে নিয়ে মানহা’স ক্যাসেল ও সাধারণ বীমা করপোরেশন স্পোর্টিং ক্লাব যুগ্মভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। আজ দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই। তিতাস শেষ ম্যাচে হারলেও গেম পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে নৌবাহিনীর চেয়ে।
শেষ রাউন্ডে খেলাঘর দাবা সংঘের মুখোমুখি হওয়ার আগে ৯ খেলায় তিতাসের গেম পয়েন্ট ৩১.৫। আর নৌবাহিনী ১০ খেলায় ২৮.৫ পয়েন্টের বেশি অর্জন করতে পারেনি। আজ দাবা ফেডারেশন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশকে ৩.৫-১.৫ গেম পয়েন্টে হারিয়েছে তিতাস। ক্লাবটির হয়ে জয়ের দেখা পান ফিদে মাস্টার সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ, আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান ও ফিদে মাস্টার তাহসিন তাজওয়ার জিয়া। মিসরীয় গ্র্যান্ডমাস্টার ফওজি আদম অবশ্য ড্র করেন। এবার তিতাসের হয়ে খেলেছেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং সদ্য জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়াজ মোর্শেদও।
এ নিয়ে তৃতীয়বার ঘরোয়া দাবার শীর্ষ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ২০০০ সালে প্রথমবার শিরোপা জেতে তারা। তখন অবশ্য দাবার শীর্ষ স্তর ছিল প্রথম বিভাগ। ২০১১ সালে তা রূপ নেয় প্রিমিয়ার লিগে। গত বছর করতে না পারায় এই বছর ৭ মাসের ব্যবধানে দুবার লিগ আয়োজন করছে ফেডারেশন। দুবারই চ্যাম্পিয়ন হলো তিতাস। ক্লাবটি মূলত সরকারি প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাসের অর্থায়নে পরিচালিত হয়।
গত লিগে চারে থাকলেও এবার তিতাসের সামনে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড় করায় নৌবাহিনী। আজ ৪-০ গেম পয়েন্টে জনতা ব্যাংক অফিসান ওয়েলফেয়ার সোসাইটিকে হারায় তারা। ৯ খেলায় ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। লিওনাইন চেস ক্লাব ৯ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ৯ পয়েন্ট করে নিয়ে মানহা’স ক্যাসেল ও সাধারণ বীমা করপোরেশন স্পোর্টিং ক্লাব যুগ্মভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
১১ আগস্ট ২০২১
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৬ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগসহ সবশেষ ৮ ম্যাচের মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ কেবল ২ ম্যাচ জিতেছে। তিনটি করে ম্যাচ হেরেছে ও ড্র করেছে। সেলতা ফিগোর বিপক্ষে ৭ ডিসেম্বর লা লিগায় হারানোর পর আলোনসোর চাকরি হারানো নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। এমন অবস্থায় পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ২-১ গোলে হেরে বসে রিয়াল। পরশু আলাভেসের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচটি এখন রিয়াল কোচ আলোনসোর জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। তবে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস তেমন কিছু (আলোনসোর চাকরি হারানো) মনে করছেন না। সাংবাদিকদের তেবাস বলেন, ‘এমন নাটক আমি আগেও অনেকবার দেখেছি। রিয়াল মাদ্রিদ এমন এক দল যারা এমন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ এ বছর হয়েছেন আলোনসো। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত রিয়ালের হয়ে খেলেছেন ২৩৬ ম্যাচ। একবার করে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগার শিরোপা জিতেছেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়াতে ওস্তাদ রিয়াল যেকোনো কিছু করতে পারে বলে মনে করেন তেবাস। খেলোয়াড় জীবনের অভিজ্ঞতা কোচ হিসেবে কাজে লাগাতে পারবেন বলে বিশ্বাস তেবাসের। লা লিগা সভাপতি বলেন, ‘জাবি আলোনসোর মধ্যে মাদ্রিদের ডিএনএ আছে। আমার বিশ্বাস সে, খেলোয়াড় ও ক্লাব সামনে এগিয়ে যাবে। তাদের শৈশব থেকেই এমন মানসিকতা। খেলোয়াড়ি জীবনে সেটা এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।’
সরাসরি না হলেও পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের পর চাকরি হারানোর ব্যাপারে প্রশ্ন এসেছিল আলোনসোর কাছে। রিয়াল কোচ অবশ্য এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন না। সিটির কাছে হারের পর আলোনসো বলেছিলেন, ‘আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। ভুল-ত্রুটি শুধরে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে। বাজে ফল হলেও ইতিবাচক ব্যাপার রয়েছে এখানে।’
৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে ম্যানচেস্টার সিটি অবস্থান করছে চার নম্বরে। পিএসজি, আতালান্তার ১৩ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানের কারণে তারা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। পিএসজি ও আতালান্তা অবস্থান করছে তিন ও পাঁচ নম্বরে। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আর্সেনাল। দুইয়ে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের পয়েন্ট ১৫। ১২ পয়েন্টে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ সাত নম্বরে। প্রত্যেকেই ছয়টি করে ম্যাচ খেলেছে। এদিকে লা লিগায় ১৬ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল। সমান ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে বার্সেলোনা। পরশু মেন্দিজোরোজা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে লা লিগার আলাভেস-রিয়াল ম্যাচ।

বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগসহ সবশেষ ৮ ম্যাচের মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ কেবল ২ ম্যাচ জিতেছে। তিনটি করে ম্যাচ হেরেছে ও ড্র করেছে। সেলতা ফিগোর বিপক্ষে ৭ ডিসেম্বর লা লিগায় হারানোর পর আলোনসোর চাকরি হারানো নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। এমন অবস্থায় পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ২-১ গোলে হেরে বসে রিয়াল। পরশু আলাভেসের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচটি এখন রিয়াল কোচ আলোনসোর জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। তবে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস তেমন কিছু (আলোনসোর চাকরি হারানো) মনে করছেন না। সাংবাদিকদের তেবাস বলেন, ‘এমন নাটক আমি আগেও অনেকবার দেখেছি। রিয়াল মাদ্রিদ এমন এক দল যারা এমন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ এ বছর হয়েছেন আলোনসো। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত রিয়ালের হয়ে খেলেছেন ২৩৬ ম্যাচ। একবার করে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগার শিরোপা জিতেছেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়াতে ওস্তাদ রিয়াল যেকোনো কিছু করতে পারে বলে মনে করেন তেবাস। খেলোয়াড় জীবনের অভিজ্ঞতা কোচ হিসেবে কাজে লাগাতে পারবেন বলে বিশ্বাস তেবাসের। লা লিগা সভাপতি বলেন, ‘জাবি আলোনসোর মধ্যে মাদ্রিদের ডিএনএ আছে। আমার বিশ্বাস সে, খেলোয়াড় ও ক্লাব সামনে এগিয়ে যাবে। তাদের শৈশব থেকেই এমন মানসিকতা। খেলোয়াড়ি জীবনে সেটা এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।’
সরাসরি না হলেও পরশু চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের পর চাকরি হারানোর ব্যাপারে প্রশ্ন এসেছিল আলোনসোর কাছে। রিয়াল কোচ অবশ্য এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন না। সিটির কাছে হারের পর আলোনসো বলেছিলেন, ‘আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। ভুল-ত্রুটি শুধরে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে। বাজে ফল হলেও ইতিবাচক ব্যাপার রয়েছে এখানে।’
৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে ম্যানচেস্টার সিটি অবস্থান করছে চার নম্বরে। পিএসজি, আতালান্তার ১৩ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানের কারণে তারা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। পিএসজি ও আতালান্তা অবস্থান করছে তিন ও পাঁচ নম্বরে। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আর্সেনাল। দুইয়ে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের পয়েন্ট ১৫। ১২ পয়েন্টে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ সাত নম্বরে। প্রত্যেকেই ছয়টি করে ম্যাচ খেলেছে। এদিকে লা লিগায় ১৬ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল। সমান ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে বার্সেলোনা। পরশু মেন্দিজোরোজা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে লা লিগার আলাভেস-রিয়াল ম্যাচ।

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
১১ আগস্ট ২০২১
৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৬ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডে এডওয়ার্ডস ২২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন। ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে। এমন বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি হইচই ফেলে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ড টপকে সেটা নিজের নামে লেখাতে পারলেন না এডওয়ার্ডস। কারণ, ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ধরা হয় না। এটা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।
উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে এডওয়ার্ডস শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। ২৩ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন। টানা দুই বলে দুই ছক্কা মেরে ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। ইনিংসের ১১তম ওভারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরির পর বেশ বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। ১৬ ওভার শেষে ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ২১২। সেখান থেকে নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয়েছে ২ উইকেটে ৩০৪ রান। শেষ চার ওভারে ৯২ রান দলটি করতে পেরেছে মূলত এডওয়ার্ডসের ঝড়েই।
এডওয়ার্ডসের তাণ্ডব চালানোর ম্যাচে আলটোনা জিতেছে ১৮৬ রানে। ৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং ১১৮ রানে আটকে যায়। পয়েন্ট টেবিলে আলটোনা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ছয় দলের টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপে চার নম্বরে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং। ২২৯ রান করা এডওয়ার্ডসের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে কোনো সেঞ্চুরি নেই। সর্বোচ্চ ৯৯ রান গত বছর ওমানের বিপক্ষে করেছেন। এদিকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ডটা এখনো অক্ষতই রয়ে গেল। ২০১৩ আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়ার বিপক্ষে ৬৬ বলে ১৩ চার ও ১৭ ছক্কায় ১৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে।

৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডে এডওয়ার্ডস ২২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন। ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে। এমন বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি হইচই ফেলে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ড টপকে সেটা নিজের নামে লেখাতে পারলেন না এডওয়ার্ডস। কারণ, ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ধরা হয় না। এটা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।
উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে এডওয়ার্ডস শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। ২৩ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন। টানা দুই বলে দুই ছক্কা মেরে ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। ইনিংসের ১১তম ওভারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরির পর বেশ বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। ১৬ ওভার শেষে ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ২১২। সেখান থেকে নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয়েছে ২ উইকেটে ৩০৪ রান। শেষ চার ওভারে ৯২ রান দলটি করতে পেরেছে মূলত এডওয়ার্ডসের ঝড়েই।
এডওয়ার্ডসের তাণ্ডব চালানোর ম্যাচে আলটোনা জিতেছে ১৮৬ রানে। ৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং ১১৮ রানে আটকে যায়। পয়েন্ট টেবিলে আলটোনা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ছয় দলের টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপে চার নম্বরে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং। ২২৯ রান করা এডওয়ার্ডসের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে কোনো সেঞ্চুরি নেই। সর্বোচ্চ ৯৯ রান গত বছর ওমানের বিপক্ষে করেছেন। এদিকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ডটা এখনো অক্ষতই রয়ে গেল। ২০১৩ আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়ার বিপক্ষে ৬৬ বলে ১৩ চার ও ১৭ ছক্কায় ১৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে।

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
১১ আগস্ট ২০২১
৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৬ ঘণ্টা আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৬ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি। এবার ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তিনি।
ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের পরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য অ্যান্ডারসনকে পূর্ণকালীন অধিনায়ক করেছে। নেতৃত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত ৪৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের এই পেসার বলেন, ‘গত মৌসুমে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করা ছিল অনেক সম্মানের বিষয়। নতুন মৌসুম সামনে রেখে পূর্ণকালীন নেতৃত্ব পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছি। আমাদের একঝাঁক দারুণ ক্রিকেটার রয়েছে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে তৈরি করা হয়েছে এই দলটা। আমরা একসঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। প্রথম বিভাগে ফিরে যাওয়াই হচ্ছে সর্বপ্রথম লক্ষ্য।’
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হিসেবে ল্যাঙ্কাশায়ারকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু চার দিনের ক্রিকেটে এবার তাঁকে স্থায়ী অধিনায়ক করল কাউন্টি ক্লাব। গত বছরের মে মাসে ক্লাবটির লাল বলের ক্রিকেট থেকে কিটং জেনিংস অধিনায়কত্ব ছাড়াতেই অ্যান্ডারসন পেয়ে যান নেতৃত্ব। গত বছরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন। ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনকে নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রধান কোচ স্টিভেন ক্রফট বলেন, ‘জিমি অসাধারণ এক নেতা। সে দলকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারে। ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অধিনায়ক হওয়ার জন্য সেই যোগ্য।’
ভাইটালিটি ব্লাস্টে ল্যাঙ্কাশায়ারের অধিনায়কই থাকছেন কিটন জেনিংস। সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন জশ বোহানন। এ বছরের ভাইটালিটি ব্লাস্টে ২০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এই ক্লাবটির সঙ্গেই গত বছরের নভেম্বরে এক বছরের নতুন চুক্তি করেছিলেন। ডিভিশন টুতে থাকা ইংল্যান্ডের এই ক্লাবকে এবার পূর্ণকালীন নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। নতুন বছরের ৩ এপ্রিল ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবে। ২০০২ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৪০১ ম্যাচে পেয়েছেন ৯৯১ উইকেট। যার মধ্যে ১৯১ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৪ উইকেট। মুত্তিয়া মুরালিধরন ও শেন ওয়ার্নের পর টেস্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে মুরালিধরন ও ওয়ার্ন নিয়েছেন ৮০০ ও ৭০৮ উইকেট। টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন কদিন আগে নাইটহুড উপাধি পেয়েছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লর্ডসে গত বছর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ৪০১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে রেকর্ড তো কম করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করেননি তিনি। এবার ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তিনি।
ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের পরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য অ্যান্ডারসনকে পূর্ণকালীন অধিনায়ক করেছে। নেতৃত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত ৪৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের এই পেসার বলেন, ‘গত মৌসুমে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করা ছিল অনেক সম্মানের বিষয়। নতুন মৌসুম সামনে রেখে পূর্ণকালীন নেতৃত্ব পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছি। আমাদের একঝাঁক দারুণ ক্রিকেটার রয়েছে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে তৈরি করা হয়েছে এই দলটা। আমরা একসঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। প্রথম বিভাগে ফিরে যাওয়াই হচ্ছে সর্বপ্রথম লক্ষ্য।’
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হিসেবে ল্যাঙ্কাশায়ারকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু চার দিনের ক্রিকেটে এবার তাঁকে স্থায়ী অধিনায়ক করল কাউন্টি ক্লাব। গত বছরের মে মাসে ক্লাবটির লাল বলের ক্রিকেট থেকে কিটং জেনিংস অধিনায়কত্ব ছাড়াতেই অ্যান্ডারসন পেয়ে যান নেতৃত্ব। গত বছরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন। ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনকে নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রধান কোচ স্টিভেন ক্রফট বলেন, ‘জিমি অসাধারণ এক নেতা। সে দলকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারে। ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অধিনায়ক হওয়ার জন্য সেই যোগ্য।’
ভাইটালিটি ব্লাস্টে ল্যাঙ্কাশায়ারের অধিনায়কই থাকছেন কিটন জেনিংস। সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন জশ বোহানন। এ বছরের ভাইটালিটি ব্লাস্টে ২০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এই ক্লাবটির সঙ্গেই গত বছরের নভেম্বরে এক বছরের নতুন চুক্তি করেছিলেন। ডিভিশন টুতে থাকা ইংল্যান্ডের এই ক্লাবকে এবার পূর্ণকালীন নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। নতুন বছরের ৩ এপ্রিল ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবে। ২০০২ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৪০১ ম্যাচে পেয়েছেন ৯৯১ উইকেট। যার মধ্যে ১৯১ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৪ উইকেট। মুত্তিয়া মুরালিধরন ও শেন ওয়ার্নের পর টেস্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে মুরালিধরন ও ওয়ার্ন নিয়েছেন ৮০০ ও ৭০৮ উইকেট। টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন কদিন আগে নাইটহুড উপাধি পেয়েছেন।

ন্যু ক্যাম্পের ঘাসও হয়তো জানে লিওনেল মেসির স্পর্শ কেমন! মেসি যখন তার বুকের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিতেন, সেই ঘাসেরও কি গর্ব হতো না? এই কথাগুলো হয়তো আবেগ আর রূপকের। এর পেছনের যে বাস্তবতা, তা মোটেই রূপকথার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
১১ আগস্ট ২০২১
৭ মাসের ব্যবধানে আবারও প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতল তিতাস ক্লাব। গতকাল দশম রাউন্ডের খেলা শেষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা। সমান ১৮ পয়েন্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনীরও। তবে তাদের কোনো ম্যাচ বাকি নেই।
৬ ঘণ্টা আগে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।দল যখন বাজে অবস্থায় থাকে, তখন চাপটা বেশি থাকে কোচের ওপর। রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো এখন তেমনই এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান কোচের চাকরিটা তিনি টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না, সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।
৬ ঘণ্টা আগে
৮১ বলে ২৩ ছক্কা ও ১৪ চারে ২২৯ রান। স্ট্রাইকরেট ২৮২.৭১। কেমন ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস, সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমন তাণ্ডব চালিয়েও যে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে