
জীবনের এক কঠিন বাস্তবতাই যেন দেখলেন হান্সি ফ্লিক। এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে পান বাবার মৃত্যুর খবর। এরপর মাঠে নেমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে জিতে নিশ্চিত হয় লা লিগার শিরোপা। দিনটা তাই আনন্দ-বেদনার হয়ে থাকল এই জার্মান কোচের জন্য।
লিগ শিরোপা জিততে এক পয়েন্ট দরকার ছিল বার্সার। কাতালানরা শিরোপা উৎসব করেছে রিয়ালকে ২-০ গোলে হারিয়ে। চ্যাম্পিয়নদের হয়ে একবার করে জালে বল জড়ান মার্কাশ রাশফোর্ড এবং ফেররান তোরেস। একে তো টানা দুটি লিগ শিরোপা, তার ওপর এল ক্লাসিকো জয়—সব মিলিয়ে দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বার্সার খেলোয়াড় এবং ভক্তদের জন্য। কিন্তু এমন আলো ঝলমলে দিনেও ফ্লিকের চোখ বেয়ে ঝড়েছে অশ্রু, বাবাকে চিরতরে হারানোর কষ্টে পুড়েছে হৃদয়। তবে শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন তিনি। এমন দিনেও দাঁড়িয়েছেন ডাগআউটে। এটা যেন পেশাদারিত্বকে প্রাধান্য দেওয়ার এক দারুণ নিদর্শন।
ম্যাচ শেষে আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ফ্লিক। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য কঠিন একটা দিন ছিল। এই দিন আমি ভুলতে পারব না। সকালে আমার মা ফোন করে বলেন, ‘তোর বাবা মারা গেছেন।’ তখন আমি মেন মনে ভাবছিলাম আমার এটা লুকানো উচিত কি না। এটাও ভাবছিলাম দলের সঙ্গে কথা বলা উচিত হবে কি না। কারণ ওরা তো আমার পরিবারের মতোই।’
শেষ পর্যন্ত মাঠে নামার আগেই নিজের বাবার মৃত্যুর খবর খেলোয়াড়দের জানিয়ে দেন ফ্লিক, ‘আমি ঠিক করলাম এই খবর সবাইকে জানিয়ে দেব। আমার কথা শুনে সবাই যা করেছে সেটা সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিল। আমি এই মুহূর্ত কখনো ভুলব না। সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, সত্যিকারের লড়াই করার জন্য ধন্যবাদ। আমি সবকিছুর জন্য সত্যিই কৃতজ্ঞ। এটা আমার পরিবারের মতো। আমি আগে কখনো আজকের মতো ভালোবাসা পাইনি। এটা অসাধারণ।’

নতুন মৌসুমের জন্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে দলে নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দীর্ঘদিন বসুন্ধরা কিংসে খেলার পর আজ মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে জাতীয় দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাদা-কালোরা।
১ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত ৭১ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন স্মিথ। নাথান লায়নকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত স্মিথের কোনো টেস্ট সেঞ্চুরি নেই।
২ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৫ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে