
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ৯০ মিনিট বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে আটকে রাখল কেপ ভার্দে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে নিজেদের আরও একবার প্রমাণ করল তারা। ফ্লোরিডার মায়ামি স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির বিশ্বরেকর্ড গড়া গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে দেরোয় দুয়ার্তের গোলে ১–১ ব্যবধানে দাঁড়ায় ম্যাচটি। সেই ডেডলক ভাঙতে খেলা গড়াচ্ছেে অতিরিক্তি সময়ের ৩০ মিনিটে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে বেশ আটকে রেখেছিল কেপ ভার্দে। তবে ২৯ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন লিওনেল মেসি। রক্ষণভাগ থেকে লিসান্দ্রো মার্তিনেসের বাড়ানো একটি চমৎকার দূরপাল্লার পাস নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণে নেন মেসি। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডাররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই গোলপোস্টের মাত্র সাত গজ দূর থেকে জোরাল শটে বল জালে পাঠান তিনি। এই গোলের মাধ্যমে ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এককভাবে সর্বোচ্চ ১২টি গোলে সরাসরি অবদান (৬ গোল ও ৬ অ্যাসিস্ট) রাখার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক, যা ছাড়িয়ে গেছে পেলে ও কিলিয়ান এমবাপ্পের কীর্তিকে।
১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকলেও বিরতির পর খোলস ছেড়ে বেরিয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে কেপ ভার্দে। অবশেষে ৫৯ মিনিটে মায়ামি স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে সমতায় ফেরে তারা। ডান প্রান্ত থেকে স্টিভেন মোরেইরার পাস থেকে বল পান অধিনায়ক রায়ান মেন্ডেস। তাঁর নেওয়া নিচু ক্রসটি লিসান্দ্রো মার্তিনেসের পায়ের ফাঁক গলে বক্সে ঢুকলে, কঠিন কোণ থেকে চলন্ত বলে বুলেট গতির শটে এমি মার্তিনেসকে পরাস্ত করেন দুয়ার্তে। এই গোলের মাধ্যমে দীর্ঘ ৮৮ বছর আগের এক বিরল রেকর্ড স্পর্শ করে কেপ ভার্দে। ১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে ইতালির বিপক্ষে নরওয়ের পর ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় নবাগত দল হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বর্তমান চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে গোল করার কীর্তি গড়ল তারা।
সমতা ফেরার পর আক্রমণভাগে ধার বাড়াতে হুলিয়ান আলভারেস ও নিকো গনসালেসকে মাঠে নামান স্কালোনি। ৬২ মিনিটে লাউতারোর ফ্লিকে একদম পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে মেসির ডান পায়ের শট রুখে দেন কেপ ভার্দে কিপার ভোজিনিয়া। মেসির দুটি ফ্রি কিকও দারুণ দক্ষতায় ঠেবিয়ে দেন তিনি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নির্ধারণে ম্যাচটি এখন অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়িয়েছে।
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি টাইব্রেকারের দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ১১১ মিনিটে আসে আর্জেন্টিনার সেই কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোল। লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার কিক থেকে বক্সে শূন্যে ভেসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়ান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। এই গোলের জোগান দিয়ে কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বো
১০ মিনিট আগে
টানটান উত্তেজনা, একের পর এক আক্রমণ আর অতিরিক্ত সময়ের শ্বাসরুদ্ধকর নাটকীয়তা—সব মিলিয়ে মায়ামির মাঠ রূপ নিয়েছিল এক চরম স্নায়ুযুদ্ধে।বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের নকআউট পর্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না হেরে, ৩টি ড্রয়ে
২৭ মিনিট আগে
কেপ ভার্দের গল্প শেষ হওয়ার নয়। পিছিয়ে পড়লেও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তা শেখাচ্ছে তারা। তাও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে। মায়ামিতে শেষ বত্রিশের লড়াই তাই অতিরিক্ত সময়েও রূপ নিয়েছে সমতায়। ম্যাচের ১০৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলেে ব্যবধান ২–২ করেছেন সিডনি লোপেস।
১ ঘণ্টা আগে
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই আবারও এগিয়ে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৯২ মিনিটে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেস দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান ২-১ করেছেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে।
১ ঘণ্টা আগে