
রুবেন আমোরিম চলে এসেছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডে। এবার কি পুরোনো রূপে ফিরতে পারবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড? ক্লাবটি ইউনাইটেড বলেই শুরুতে প্রশ্নটি উঠছে। গত সপ্তাহে লিসবনে আমোরিমের অধীনে স্পোর্টিং সিপি চ্যাম্পিয়নস লিগে যেভাবে ম্যানচেস্টার সিটিকে উড়িয়ে দিয়েছে, সেটি দেখে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে রেড ডেভিল সমর্থকেরাও।
এরিক টেন হাগের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আমোরিম। গত সোমবার স্পোর্টিং সিপি ছেড়ে ম্যানচেস্টারে এসেছেন পর্তুগিজ কোচ। তাঁর আগমনে ওল্ড ট্রাফোর্ডকে বিদায় বলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রুড ফন নিস্টলরয়। ডাচ কিংবদন্তির অধীনে চার ম্যাচে ৩ জয় ও ১ ড্র করেছে রেড ডেভিলরা। আমোরিমের কোচিং দলে জায়গা না হওয়ায় ২ বছরের চুক্তি শেষের আগেই বিদায় নিলেন ক্লাবটির সাবেক স্ট্রাইকার।
ইউরোপের আলোচনায় থাকা তরুণ কোচদের একজন আমোরিম। পর্তুগাল জাতীয় দলে সাবেক এই মিডফিল্ডার ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সতীর্থ। কোচিংয়ে ইন্টার্নশিপ করেছেন ইউনাইটেডের সাবেক কোচ হোসে মরিনহোর অধীনে। তাঁর আরেক পরিচয় ‘কবি’। নামটি দিয়েছেন রোনালদোই। এবার কি ওল্ড ট্রাফোর্ডে কবির মতো ছন্দ বাঁধতে পারবেন আমোরিম?
কেমন হবে ৩৯ বছর বয়সী কোচের কৌশল? বিবিসি জানিয়েছে, ওল্ড ট্রাফোর্ডে আমোরিম যুগের প্রধান অস্ত্র হতে যাচ্ছেন তাঁরই স্বদেশি ব্রুনো ফার্নান্দেস। এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের হাতেই ইউনাইটেডের নেতৃত্ব। দুই পর্তুগিজ জুটি কী করবেন—এখন সেটিই দেখার। তিন ব্যাক, দুই উইং ব্যাক, দুই মিডফিল্ডার, দুই ইনসাইড ফরোয়ার্ড ও এক স্ট্রাইকার—এভাবেই রেড ডেভিলদের খেলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন আমোরিম।
এই ৩-৪-৩ ফরমেশনে ব্রুনো কোথায় খেলবেন? জার্সি নম্বর ‘৮’ গায়েই তাঁকে দেখা যেতে পারে ‘ফলস নাইন’ বা ‘অর্থোডক্স মিডফিল্ডার’ হিসেবে। এমনকি দেখা যেতে পারে ইনসাইড ফরোয়ার্ডের ভূমিকায়ও। আন্তর্জাতিক বিরতি থেকে ফেরার পর ২৪ নভেম্বর প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক হবে আমোরিমের। ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রতিপক্ষ ইপসউইচ টাউন। শুরুটা কেমন করবেন এ নিয়ে আমোরিমের কথা, ‘আমি জানি শুরুটা কেমন করতে যাচ্ছি। কারণ, আপনাকে একটা কাঠামো দিয়ে শুরু করতে হবে এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
আমোরিমের চ্যালেঞ্জটা বিশাল। লিগে ইউনাইটেডের বর্তমান অবস্থান ১৩তম স্থানে। কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ২০১৩ সালে অবসর নেওয়ার পর আর লিগ জিততে পারেননি ক্লাবটি। সেই পুরোনো স্ক্রিপ্ট থেকে বেরিয়ে আসতে গত ১১ বছরে ষষ্ঠ স্থায়ী কোচ নিয়োগ দিল ইউইনাইটেড। ডেভিড ময়েস, লুই ফন গাল, মরিনহো, ওলে গানার সুলশার ও টেন হাগ যা করতে পারেননি, আমোরিম কি সেটি পারবেন? স্যার ফার্গুসনের ২৭ বছরের কোচিং অধ্যায়ের সাফল্যের কিছু ছিটেফোঁটা যদি দেখাতে পারেন, সেটিও হবে অনেক কিছু। অবশ্য দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি ইউনাইটেডে দিন বদলানো নিয়ে বলেছেন, ‘এখন না হলে কখনো নয়।’ সাফল্যের জন্য শিষ্যদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তো বটে, সমর্থকদের মনেও বিশ্বাস ফেরাতে হবে আমোরিমকে। এত বড় চ্যালেঞ্জের সামনে তরুণ কোচ কেমন করেন, সেটিই এখন দেখার।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
১০ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১২ ঘণ্টা আগে