ইউরোর শেষ ষোলোর প্রথম ম্যাচে চমকে দিল সুইজারল্যান্ড। বার্লিনের অলিম্পিক পার্কে আজ রাতে টুর্নামেন্টের গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সুইসরা। নিজেদের ইতিহাসে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরোর শেষ আটে জায়গা করে নিল তারা। যেখানে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে পারে ইংল্যান্ড অথবা স্লোভাকিয়াকে।
দুইবারের ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালির বিপক্ষে ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। রুবেন ভারগাসের বাড়ানো দারুণ নিচু শটে জাল খুঁজে নেন রেমো ফ্রুয়েলার। বিরতির পর প্রথম মিনিটে ব্যবধানটা বাড়িয়ে নেয় মুরাত ইয়াকিনের শিষ্যরা। মিশেল এবিশারের কাছ থেকে বল পেয়ে ডি বক্সের ভেতর থেকে দারুণ শটে বল জালে পাঠান ভারগাস। ইতালি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা লাফিয়ে পড়েও বল আটকাতে পারেননি। বাকি সময় সেই ব্যবধান ধরে রেখে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোর শেষ আট নিশ্চিত করে সুইসরা।
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নেমে শেষ ষোলো থেকে বিদায়ে হতাশ দোন্নারুম্মা। ইতালি অধিনায়ক ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘এটা কষ্টের, সত্যিই কষ্টের। আমরা সবাইকে শুধু দুঃখিতই বলতে পারি। আমরা আজ হতাশ করেছি এবং জয় তাদের প্রাপ্য। আমরা সব ম্যাচে অনেক ভুগেছি।’
আর সুইস মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রিয়েদার বলেছেন, ‘আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। এটা আমার ক্যারিয়ারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল।’

জুনে ভারত সফরে যাচ্ছে তাই পারফরম্যান্স করেছে আফগানিস্তান। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৩০০ রানে হেরেছে আফগানরা। সেই ধারাবাহিকতায় ওয়ানডে সিরিজে হয়েছে ধবলধোলাই। দলের ভরাডুবিতে এবার নেতৃত্ব ছাড়লেন আফগানিস্তানের বাঁহাতি ব্যাটার হাশমাতউল্লাহ শাহীদি।
২১ মিনিট আগে
২০১৯ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের তুলনায় দল বাড়ছে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপে। দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে দল সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪। তবে দল সংখ্যা বাড়লেও খেলার ফরম্যাট একেবারে আলাদা। মূলত টুর্নামেন্ট আকর্ষণীয় করতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) সংস্করণ বদলেছে বলে জানা গেছ
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল না বললেই চলে। পুরো ৩৯ দিন ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনায় বুঁদ হয়ে ছিলেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা। আরও স্পষ্ট করে বললে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়েই মেতেছিলেন অধিকাংশ ফুটবলপ্রেমী। তবে যে হতাশার সিরিজ উপহার দিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম-নাজমুল
২ ঘণ্টা আগে
টমাস টুখেল, কার্লো আনচেলত্তি, জোসে মরিনিওরা ডাগআউটে যতটা উত্তেজিত থাকেন, তাঁদের তুলনায় অনেকটাই ব্যতিক্রম লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচে যেমন পরিস্থিতিই আসুক না কেন, স্কালোনি বেশির ভাগ সময় মাথা ঠাণ্ডা রাখেন। এমনকি দল হারলেও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন তিনি। কিন্তু দৃঢ় মানসিকতার স্কালোনি এবার নিজের আবেগ সামলা
৩ ঘণ্টা আগে