
ওসাসুনার কাছে ২-১ গোলের হারের দুঃস্মৃতি নিয়ে গেতাফের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এবারও ভাগ্য বদলায়নি লস ব্লাঙ্কোসদের। এ যাত্রায় ১-০ গোলে হেরে গেছে তারা; তাও আবার নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। এমন হারের পর প্রধান কোচ আলভারো আরবেলোয়ার ওপর তোপ দাগছেন রিয়ালের ভক্তরা।
এক্সে ‘উসকিড’ নামের একটি আইডি থেকে লেখা হয়েছে, ‘এই কোচের আসলে সমস্যাটা কোথায়?’ ‘বয় জোরো’ নামের একটি আইডি থেকে তো আরবেলোয়াকে রীতিমতো তাচ্ছিল্যই করা হয়েছে। এই বার্তাটি ছিল এমন, ‘শপথ করে বলছি, এটা একেবারেই পাগলামি, সে (রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ) এতটা খারাপ হতে পারে না।’ রিয়ালের হারের পর এমন অসংখ্য পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখে পড়ছে। অনেকে তো একটু আগ বাড়িয়ে আরবেলোয়াকে চাকরিচ্যতু করার পরামর্শও দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে জাবি আলোনসোর বদলে রিয়ালের কোচ হয়ে বেশ চাপের মুখেই আছেন তিনি।
আরবেলোয়ার প্রতি ভক্তদের এমন ক্ষোভের কারণও যথার্থ। এই হারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলে আরও পিছিয়ে পড়ল রিয়াল। ২৬ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে মাদ্রিদের প্রতিনিধিরা। সমান ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ আছে বার্সা। রিয়ালের সবশেষ হারে শিরোপার দৌড়ে আরেকটু এগিয়ে গেল কাতালানরা।
আরবেলোয়া এই হারের দায় নিজের ওপরই চাপাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এখনো ৩৬ পয়েন্ট খেলার বাকি আছে। আমাদের লক্ষ্য হলো সবগুলো পয়েন্টই অর্জন করা। আমি জানি পরিস্থিতি খুব হতাশাজনক মনে হচ্ছে; এভাবে হারলে আশা খুব কমই থাকে। সামনে ভিগোতে আমাদের একটি খুব কঠিন ম্যাচ আছে। তবে আমি আমার খেলোয়াড়দের পরিশ্রম নিয়ে সমালোচনা করব না। এটা কি আমার দায়িত্ব? অবশ্যই। আমরা গোল করার সুযোগ তৈরি করেছি—এটা সত্য। আবার এটাও সত্য যে আমরা আরও ভালো খেলতে পারি। আমি জানি, যদি এই হারের জন্য কেউ দায়ী থাকে, সেটা আমি নিজেই এবং আমি সেই দায়িত্ব নিচ্ছি।’
গেতাফের বিপক্ষে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে আরবেলোয়া বলেন, ‘গেতাফের চেয়ে আমাদের সুযোগগুলো ছিল বেশি পরিষ্কার। এটা এমন একটি ম্যাচ, যেখানে আমরা আরও ভালো কিছু করতে পারতাম। কিন্তু ওদের তুলনায় আমাদেরই সুযোগ ছিল বেশি—ভিনির, রুডিগারের, রদ্রিগোর… এমন বেশ কয়েকটি সুযোগ, যেখানে আমাদের গোল প্রাপ্য ছিল। কিন্তু ফুটবল ‘প্রাপ্যতা’র খেলা নয়। আমরা জানতাম কী ধরনের ম্যাচের মুখোমুখি হচ্ছি। আমার কাছে এটিই এই ম্যাচের মূল শিক্ষা।’

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শেষ পর্যায়ে এসে পড়েছে। টুর্নামেন্ট শেষ হতে বাকি কেবল তিন ম্যাচ। গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইটে রিজার্ভ ডে না থাকলেও নকআউট পর্বে থাকছে রিজার্ভ ডে। যার মধ্যে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে যে দর্শকদের আগ্রহ বেশি, সেটা না বললেও চলছে।
৩ মিনিট আগে
১৪ মিনিটে সবচেয়ে বড় সুযোগটা আসে বাংলাদেশের জন্য। পাল্টা আক্রমণে নিজেদের অর্ধ থেকে ফাঁকায় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমার কাছে লং বল বাড়ান মারিয়া মান্দা। চীনের অধিনায়ক উ হাইয়ানে সহজেই পরাস্ত করে বাঁ প্রান্ত দিয়ে ওপরে উঠতে থাকেন ঋতুপর্ণা। ৬ ফুট উচ্চতার গোলরক্ষক চেন চেন পোস্ট ছেড়ে খানিকটা এগিয়ে আসেন। তাই চিরচ
৩৯ মিনিট আগে
ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। মাঠের খেলায় না থাকলেও গ্রুপ পর্ব এবং সুপার এইটে দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত ও গাজী সোহেল। তবে সেমিফাইনালে দেখা যাবে না কোনো বাংলাদেশি আম্পায়ারকে।
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন ইতিহাস রচিত হবে আজ। নারী এশীয়ান কাপের মঞ্চে চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিষেক হচ্ছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টায় শুরু হবে ম্যাচ।
২ ঘণ্টা আগে