
রেকর্ড গড়া যেন লিওনেল মেসির কাছে সবচেয়ে সহজ কাজ। বয়স ৩৯ ছুঁই ছুঁই হলেও জাদুকরী ফুটবলে মুগ্ধ করে চলেছেন কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীকে। আজ কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, যেখানে পেছনে পড়ে গেছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা, থিয়েরি অঁরির মতো কিংবদন্তিরাও।
বয়সকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রেকর্ড গড়ে চলা আজ মেসি যে তিন গোল করেছেন, তিনটিই চোখে লেগে থাকার মতো। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডে এখন তিনি ও মিরোস্লাভ ক্লোসা যৌথভাবে শীর্ষে। এখানেই শেষ নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী মেসির ১৬ গোলের ১০টিই এসেছে ৩৫ পেরোনোর পর। যেখানে ম্যারাডোনা-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-অঁরিদের কেউই পুরো বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে ১০ গোল করতে পারেননি। ম্যারাডোনা, হ্যারি কেইন, রোনালদো, নেইমার, রিভালদোরা প্রত্যেকেই বিশ্বকাপে ৮টি করে গোল করেছেন। অঁরি ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ করেছেন ৬ গোল।
উপরিউক্ত ৬ ফুটবলারের মধ্যে একমাত্র মেসি-রোনালদোর ৩৫ পেরোনোর পর বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড রয়েছে। হ্যারি কেইন, নেইমারদের এখনো ৩৫ বছর হয়নি। যেখানে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দলে থাকলেও খেলার সুযোগ মেলেনি। চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচটা তাঁকে দেখতে হয়েছে ডাগআউটে বসে। আর হ্যারি কেইনের দল ইংল্যান্ড আজ রাতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে।
অঁঁরি যখন ২০১০ বিশ্বকাপে শেষবারের মতো খেলেছিলেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৩ বছর। ম্যারাডোনা তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির বয়স ছিল ৩৪ বছর। সেই বিশ্বকাপে তিনি একটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছিলেন। তার আগে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতেন ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ২০২০ সালে চলে যান না ফেরার দেশে। আর রিভালদো ৩০ বছর বয়সে বিশ্বকাপে শেষবারের মতো অংশ নিয়েছিলেন। বিশ্বকাপে ৮ গোলের মধ্যে পাঁচটিই তিনি করেছিলেন ২০০২ সালে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে। সেবার পঞ্চম বিশ্বকাপ জেতে ব্রাজিল। এখন পর্যন্ত এটাই সেলেসাওদের সবশেষ কোনো বিশ্বকাপ।
আজ আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে মেসিকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন সতীর্থরা। যাঁদের মধ্যে দি পল মনে করেন, মেসি শুধুই নিজের রেকর্ডের জন্য খেললেন না। তাঁর (মেসি) কাছে সবার আগে দল। ‘মেসির দেহরক্ষী’ নামে পরিচিত দি পল বলেন, ‘লিওকে দলে পাওয়া অনেক বড় সুবিধা। কারণ, তিনি যেভাবে পুরো দলকে সামলান এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান, তা অনন্য। তিনি ঠিক যেমন মানুষ, তাঁর ব্যক্তিত্বের কারণেই এমনটা সম্ভব। তিনি ব্যক্তিগত রেকর্ডের পরোয়া করেন না। সব সময় দলকে প্রাধান্য দেন এবং আমাদের জন্য এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য।’
৩৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করে আজ বিশ্বকাপ ইতিহাসে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েছেন মেসি। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। ২০১৮ সালে ১৫ জুন স্পেনের বিপক্ষে ৩৩ বছর ১২২ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করেছিলেন রোনালদো।

এটা আমি কী করলাম—জর্ডানের ডিফেন্ডার ইয়াজান আল-আরব হয়তো এটা ভেবেই এখন কপাল চাপড়াচ্ছেন। সান ফ্রান্সিসকো স্টেডিয়ামে আজ যেখানে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে দাপট দেখিয়ে খেলছিল জর্ডান, সেখানে আত্মঘাতী গোলটাই এগিয়ে দিয়েছে অস্ট্রিয়া। আর শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি পেয়ে ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে ৩-১ গোলে জিতেছে ইউরোপের এই দল।
৩২ মিনিট আগে
লিওনেল মেসির একেকটা গোলে কানসাস সিটির গ্যালারিতে উদ্যাপন করেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা। সেটার রেশ যে ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা গোল করার পর বাংলাদেশে দেখা যায় বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমগুলো তা দারুণভাবে প্রচার করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
৪১ বছর বয়সে বেশির ভাগ ফুটবলার বুটজোড়া তুলে রেখে ধারাভাষ্য কক্ষে বসেন কিংবা কোচিং করান। অথচ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এখনো প্রস্তুত হচ্ছেন বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে! টেক্সাসের হিউস্টনে আজ রাত ১১টায় যখন পর্তুগাল মাঠে নামবে, তখন সবার চোখ থাকবে ওই একজনের ওপর।
২ ঘণ্টা আগে
৩৮ বছর বয়সেও মাঠে তাঁর এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের পেছনের মূল রহস্য ফুটবলের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা। নিজের ফিটনেস ও নিবেদন সম্পর্কে মেসি বলেন, ‘আমি ফুটবল খেলতে পছন্দ করি, ছোটবেলা থেকেই এটি আমার প্যাশন। যখন আমি ভালো অবস্থায় থাকি, আমি আমার সবটুকু উজার করে দিই।
৩ ঘণ্টা আগে