সাফজয়ী অধিনায়ক রজনীর পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্যের অন্যতম কারিগর রজনীকান্ত বর্মণ এখন ফুটবল থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। ২০০৩ সাফের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কারজয়ী রজনী অনেকটা পঙ্গুত্ব বরণ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্রামের বাড়িতে নিভৃতে পড়ে রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে। দৈনিক আজকের পত্রিকায় তাঁকে নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়েছে। রজনীর পাশে দাঁড়াচ্ছেন তাঁর জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০০৩ সাফজয়ী দল ও ২০১০ এসএ গেমসজয়ী দলের ফুটবলাররা প্রীতি ম্যাচ খেলেছেন। রজনীকান্তর করুণ পরিস্থিতি নিয়ে আমিনুলকে জিজ্ঞেস করা হলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উত্তর, ‘রজনী শারীরিকভাবে অসুস্থ, আপনারা জানেন। আজও তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রজনী অসুস্থতার কারণে আজ এখানে উপস্থিত হতে পারেনি।’
রজনীকান্ত ২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ দলের অধিনায়ক ছিলেন। যদিও কার্ড খড়্গে ফাইনাল খেলতে পারেননি। তবে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার রজনীই জিতেছিলেন। আরেকটি সাফের আগে রজনীর ব্যাপারে জানতে চাইলে জাতীয় স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল বলেন, ‘গত তিন-চার দিন আগেই রজনীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। রজনীর যে অসহায়ত্বর কথা আমরা শুনেছি, শোনা মাত্রই ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব এবং মঞ্জু ভাইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রজনীর সঙ্গে কথা বলে সরকারের পক্ষ থেকে কী করণীয় রয়েছে, সে বিষয়ে আলোচনা করে খুব দ্রুতই সেটা পূরণ করব। রজনীর মতো একজন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকার এই অবস্থা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে রজনীর প্রতি আমাদের শুভকামনা রয়েছে। আমাদের যে দায়িত্ব রয়েছে, সেটা নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চটুকু করব।’
আজ দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছিলেন, তাঁরা রজনীকে ২০-২৫ হাজার টাকার মাসিক ভাতা দেওয়ার চিন্তা করছেন।










