পেশাদার ক্যারিয়ারে কাউকে না কাউকে একদিন তো থামতে হয়। কেউ আগে অবসর নেন, কেউবা লম্বা ক্যারিয়ার শেষে অবসরের ঘোষণা দেন। সেখানে দীর্ঘ ১৯ বছরের ক্যারিয়ার শেষে থেমেছেন লিওনার্দো বোনুচ্চি।
নিজের অফিশিয়াল ‘এক্স’ হ্যান্ডলে গত রাতে বোনুচ্চি অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ইতালিয়ান ডিফেন্ডার ৫৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছেড়েছেন। শুরুতেই দেখা গেছে ১৯ নম্বর সংখ্যা। একের পর এক পাতা ওল্টাতে দেখা গেছে। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি এমন গল্প বলার স্বপ্ন দেখেছি। বড় কিছু অর্জনের স্বপ্ন দেখেছি। নিজের ওপর আস্থা রেখেছি যে প্রতিকূলতা ছাপিয়ে উদযাপন করব। একজন বাবা, সতীর্থ, স্বামী, খেলোয়াড় হিসেবে সবকিছু পেরেছি।’ ভিডিওর ক্যাপশন ছিল, ‘চিরন্তন ১৯।’ বোনুচ্চি খেলেছেন ১৯ নম্বর জার্সি পরে।
ইতালির ক্লাব ভিটারবিসির হয়ে ২০০৫ সালে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেন বোনুচ্চি। শিগগিরই তাঁকে ধারে পাঠানো হয় ইন্টার মিলানে। ইন্টারের হয়ে ২০০৫-০৬ মৌসুমের সিরি ‘আ’ ও ২০০৬ কোপা ইতালিয়া প্রাইমাভেরা জেতেন তিনি। তবে জুভেন্টাসে আসার পর তাঁর ক্যাবিনেটে যোগ হতে থাকে একের পর এক শিরোপা। তুরিনের বুড়িদের হয়ে ৮ বার সিরি ‘আ’, ৪ বার ইতালিয়ান কাপ ও ৫ বার জেতেন ইতালিয়ান সুপার কাপ। এক বিবৃতিতে জুভেন্টাস লিখেছে, ‘আমাদের ইতিহাসের বড় এক অংশজুড়ে যিনি ছিলেন, তিনি বিশ্ব ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা গভীরভাবে আমাদের স্পর্শ করেছে। কারণ জুভেন্টাসের সঙ্গে তিনি তাঁর নামটা খোদাই করে দিয়েছেন। সাদা-কালো জার্সিতে খেলেছেন ৫০২ ম্যাচ। আটবার লিগ শিরোপা জিতেছেন। চারটি ইতালিয়ান কাপ ও পাঁচটি ইতালিয়ান সুপার কাপ জিতেছেন।’
জুভেন্টাস বোনুচ্চির অবসর সম্পর্কে লিখতে গিয়ে যেন একটু বেশিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। ইতালিয়ান ক্লাবটি লিখেছে, ‘আমরা তাঁকে গত সেপ্টেম্বরেই বিদায় জানিয়েছি। তবে যেভাবে সুতোয় আমাদের বেঁধে রেখেছেন, তা ছিড়ে যাওয়ার মতো না। লিও জীবনের নতুন অধ্যায় গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন। সেজন্য তাকে জানাই শুভকামনা।’

৪১-এ পা রেখেছেন গত ফেব্রুয়ারিতেই। এই বয়সে এসে ক্রিস্টিয়ান রোনালদো যে নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন, সেটা বুঝতে কারও বাকি থাকার কথা না। তবে এই বিষয়ে এত দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলেননি পর্তুগিজ অধিনায়ক। অবশেষে সবার কৌতুহল দূর করলেন রোনালদো।
৪২ মিনিট আগে
অনেক কৌতুহলের পর কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেলেও সিংহভাগ সময় ডাগআউটে বসেই কেটেছে নেইমারের। প্রথম ২ ম্যাচ বেঞ্চে বসে থাকার পর গ্রুপপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। এরপর সেরা ৩২-এর ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামা হয়নি তাঁর। নরওয়ের বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে
২ ঘণ্টা আগে
আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল না হলে হয়তো নরওয়ের এই রাতের গল্পই লেখা হতো না। কিন্তু হালান্ড গোল করার আগেই যিনি নরওয়েকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন, তাঁর নাম অরইয়ান নিল্যান্ড। ১২ মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি ঠেকানো থেকে শুরু করে বিরতির আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের উত্তেজনার মধ্
২ ঘণ্টা আগে
নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। তবে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে অন্তত ব্যক্তিগত লড়াইয়ে জিতেছেন নেইমার। নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ডের সঙ্গে পেনাল্টি নেওয়ার আগে ও পরে তাঁর কথার লড়াই এখন ভক্তদের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে