
মৌসুম প্রায় শেষ হতে চলল। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে এখন পর্যন্ত শিরোপা নিষ্পত্তি হয়েছে শুধু বুন্দেসলিগায়। এপ্রিলেই বায়ার্ন মিউনিখের ১১ বছরের সিংহাসন কেড়ে নিয়ে প্রথমবার জার্মান ফুটবলের শীর্ষ শিরোপা জিতেছে অজেয় বেয়ার লেভারকুজেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ছাড়াও লা লিগা, সিরি আ ও লিগ আঁ’য় শিরোপা একরকম নিশ্চিত হয়ে আছে। প্রতি মৌসুমে নতুন নতুন তারকার জন্ম দিয়ে আসছে ক্লাব ফুটবলটি।
আবার সাম্প্রতিক সময়ের আনসু ফাতি, জাদোন সানচো ও ম্যাসন গ্রিনউডের মতো অনেকে হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখিয়ে লাইমলাইট থেকে সরে গেছেন। ইউরোপের ফুটবলে পেদ্রি, গাভি, ফিল ফোডেন, বুকায়ো সাকা, আলেহান্দ্রো গারনাচো, খিচা কাভারাস্কেইয়ার মতো নতুন তারকাদের চেনা গণ্ডির বাইরেও ২০২৩-২৪ মৌসুমে বেশ কয়েকজন তরুণ মুগ্ধ করেছেন সবাইকে। তাঁদের নিয়ে এই আয়োজন।
লামিনে ইয়ামাল: ১৬ বছর বয়সে স্পেনের ইয়ামাল এ মৌসুমে যা করেছেন, সেটি অবিশ্বাস্য। প্রায় ম্যাচেই গড়েছেন রেকর্ড। বার্সেলোনার হয়ে এ মৌসুমে উইংয়ে কোচ জাভির অন্যতম অস্ত্রও হয়ে ওঠেন। এ মৌসুমে বার্সার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৩ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন লামিনে। লা লিগায় ৩০ ম্যাচে ৬ গোলের পাশাপাশি তাঁর গোল ৪টি।
কোল পালমার: দল গোছাতে গত দুই মৌসুমে রেকর্ড অঙ্কের অর্থ খরচ করেছে চেলসি। তবে পালমারের পেছনে টাকা ঢালাটা বৃথা যায়নি ব্লুজদের। স্টামফোর্ড ব্রিজে এ মৌসুমে সবচেয়ে সফল ২১ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চেলসিতে এসেই প্রথম মৌসুমে ২৭ লিগ ম্যাচে ২০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আর্লিং হালান্ডকে ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি।
ফ্লোরিয়ান উইর্টজ: লেভারকুজেনকে বুন্দেসলিগা জেতাতে বড় ভূমিকা রেখেছেন ২০ বছর বয়সী এই জার্মান। ২৯ ম্যাচে ১১ গোলের পাশাপাশি ১০ অ্যাসিস্ট করেছেন উইর্টজ। বেঅ্যারেনায় এ সপ্তাহে ভের্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে লিগ নিষ্পত্তি ম্যাচে করেছেন হ্যাটট্রিক।
জুড বেলিংহাম: বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ছেড়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আসার প্রথম মৌসুমেই রিয়াল মাদ্রিদের স্বপ্নসারথি হয়ে উঠেছেন বেলিংহাম। ২০ বছর ইংলিশ মিডফিল্ডার লস ব্লাঙ্কোসদের লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানোর পথে রাখছেন বড় ভূমিকা। ১৬ গোল নিয়ে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
পাউ কুবারসি: লিগে অভিষেক হয়েছে বেশি দিন হয়নি। এরই মধ্যে বার্সার রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন লা মাসিয়া থেকে
উঠে আসা ১৭ বছর বয়সী সেন্টার-ব্যাক। পিএসজির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটের প্রথম লেগে এমবাপ্পেকে পকেটবন্দী করে দারুণ প্রশংসা পেয়েছেন। তাঁর পায়ে বল গেলেই বার্সার সমর্থকেরা চিৎকার করেছেন ‘কু কু কুবারসি’ বলে।
ওয়ারেন জাইরে-এমেরি: বয়স মাত্র ১৮ হলেও এ মৌসুমে পিএসজির মাঝমাঠের দায়িত্বটা দারুণভাবে সামলাচ্ছেন এমেরি। গত মৌসুমে পিএসজির হয়ে অভিষেকে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই ফরাসি। ভবিষ্যতের তারকাও ভাবা হচ্ছে তাঁকে।
নিকো উইলিয়ামস: বড় ভাই ইনাকি উইলিয়ামসের সঙ্গে অ্যাথলেতিক বিলবাওকে ৪০ বছর পর কোপা দেল রে জিতিয়েছেন নিকো। দুই ভাইয়ের জুটিতে লিগে এ মৌসুমে পঞ্চম স্থানে বিলবাও। ২১ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডকে ‘ছোট দলের বড় তারকা’ বলাই যায়।

মৌসুম প্রায় শেষ হতে চলল। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে এখন পর্যন্ত শিরোপা নিষ্পত্তি হয়েছে শুধু বুন্দেসলিগায়। এপ্রিলেই বায়ার্ন মিউনিখের ১১ বছরের সিংহাসন কেড়ে নিয়ে প্রথমবার জার্মান ফুটবলের শীর্ষ শিরোপা জিতেছে অজেয় বেয়ার লেভারকুজেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ছাড়াও লা লিগা, সিরি আ ও লিগ আঁ’য় শিরোপা একরকম নিশ্চিত হয়ে আছে। প্রতি মৌসুমে নতুন নতুন তারকার জন্ম দিয়ে আসছে ক্লাব ফুটবলটি।
আবার সাম্প্রতিক সময়ের আনসু ফাতি, জাদোন সানচো ও ম্যাসন গ্রিনউডের মতো অনেকে হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখিয়ে লাইমলাইট থেকে সরে গেছেন। ইউরোপের ফুটবলে পেদ্রি, গাভি, ফিল ফোডেন, বুকায়ো সাকা, আলেহান্দ্রো গারনাচো, খিচা কাভারাস্কেইয়ার মতো নতুন তারকাদের চেনা গণ্ডির বাইরেও ২০২৩-২৪ মৌসুমে বেশ কয়েকজন তরুণ মুগ্ধ করেছেন সবাইকে। তাঁদের নিয়ে এই আয়োজন।
লামিনে ইয়ামাল: ১৬ বছর বয়সে স্পেনের ইয়ামাল এ মৌসুমে যা করেছেন, সেটি অবিশ্বাস্য। প্রায় ম্যাচেই গড়েছেন রেকর্ড। বার্সেলোনার হয়ে এ মৌসুমে উইংয়ে কোচ জাভির অন্যতম অস্ত্রও হয়ে ওঠেন। এ মৌসুমে বার্সার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৩ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন লামিনে। লা লিগায় ৩০ ম্যাচে ৬ গোলের পাশাপাশি তাঁর গোল ৪টি।
কোল পালমার: দল গোছাতে গত দুই মৌসুমে রেকর্ড অঙ্কের অর্থ খরচ করেছে চেলসি। তবে পালমারের পেছনে টাকা ঢালাটা বৃথা যায়নি ব্লুজদের। স্টামফোর্ড ব্রিজে এ মৌসুমে সবচেয়ে সফল ২১ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চেলসিতে এসেই প্রথম মৌসুমে ২৭ লিগ ম্যাচে ২০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আর্লিং হালান্ডকে ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি।
ফ্লোরিয়ান উইর্টজ: লেভারকুজেনকে বুন্দেসলিগা জেতাতে বড় ভূমিকা রেখেছেন ২০ বছর বয়সী এই জার্মান। ২৯ ম্যাচে ১১ গোলের পাশাপাশি ১০ অ্যাসিস্ট করেছেন উইর্টজ। বেঅ্যারেনায় এ সপ্তাহে ভের্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে লিগ নিষ্পত্তি ম্যাচে করেছেন হ্যাটট্রিক।
জুড বেলিংহাম: বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ছেড়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আসার প্রথম মৌসুমেই রিয়াল মাদ্রিদের স্বপ্নসারথি হয়ে উঠেছেন বেলিংহাম। ২০ বছর ইংলিশ মিডফিল্ডার লস ব্লাঙ্কোসদের লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানোর পথে রাখছেন বড় ভূমিকা। ১৬ গোল নিয়ে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
পাউ কুবারসি: লিগে অভিষেক হয়েছে বেশি দিন হয়নি। এরই মধ্যে বার্সার রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন লা মাসিয়া থেকে
উঠে আসা ১৭ বছর বয়সী সেন্টার-ব্যাক। পিএসজির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটের প্রথম লেগে এমবাপ্পেকে পকেটবন্দী করে দারুণ প্রশংসা পেয়েছেন। তাঁর পায়ে বল গেলেই বার্সার সমর্থকেরা চিৎকার করেছেন ‘কু কু কুবারসি’ বলে।
ওয়ারেন জাইরে-এমেরি: বয়স মাত্র ১৮ হলেও এ মৌসুমে পিএসজির মাঝমাঠের দায়িত্বটা দারুণভাবে সামলাচ্ছেন এমেরি। গত মৌসুমে পিএসজির হয়ে অভিষেকে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই ফরাসি। ভবিষ্যতের তারকাও ভাবা হচ্ছে তাঁকে।
নিকো উইলিয়ামস: বড় ভাই ইনাকি উইলিয়ামসের সঙ্গে অ্যাথলেতিক বিলবাওকে ৪০ বছর পর কোপা দেল রে জিতিয়েছেন নিকো। দুই ভাইয়ের জুটিতে লিগে এ মৌসুমে পঞ্চম স্থানে বিলবাও। ২১ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডকে ‘ছোট দলের বড় তারকা’ বলাই যায়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন ভেন্যু পরিবর্তনের ইস্যুটি বেশ জোরালো হয়েছে। কারণ, নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে খেলতে চাচ্ছে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তাঁর সিদ্ধান্তে এখনো অনড়ই থাকছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু, দল সব গত বছরের নভেম্বরেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন এক মাসও বাকি নেই, সেই মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তন ইস্যুতে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)
৮ ঘণ্টা আগে
দেখতে দেখতে বিপিএল শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। ৩৪ ম্যাচের মধ্যে ২০ ম্যাচ হয়েছে। এই সময়েই বড় ধাক্কা খেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিপিএল থেকে ছিটকে গেলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তারকা ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন।
৯ ঘণ্টা আগে
ফিক্সিংয়ের কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অতীতে অনেকবার কলঙ্কিত হয়েছে। এবারের বিপিএল নিয়ে এই সংক্রান্ত খবর তেমন একটা না হওয়ায় মনে হচ্ছিল টুর্নামেন্টটা এবার ফিক্সিংয়ের কালো থাবা থেকে মুক্ত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা ক্যাপিটালসের কারণে আবারও সেই অন্ধকার দিকটা সামনে চলে এসেছে।
১০ ঘণ্টা আগে