
ফ্রান্সের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেল ডালাসেই। সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২–০ গোলে হেরে ভেঙে যায় তাদের টানা তৃতীয় ফাইনাল খেলার স্বপ্ন। শেষটা এমন হতে দেখে কোচ দিদিয়ের দেশমের কণ্ঠে ছিল হতাশা, ছিল আক্ষেপও। তবে সেই আক্ষেপ নিজের দলকে নিয়েই বেশি। এর মাঝেই সেমিফাইনালের রেফারি ইভান বার্তোনের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ফ্রান্স কোচ।
ম্যাচের ২২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। লুকা দিনিয়ে নিজেদের বক্সে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে দেখতে পাননি পেছন থেকে ঢুকে পড়া লামিনে ইয়ামালকে। বলে শট নিতে গিয়ে ইয়ামালকেই লাথি মেরে বসেন দিনিয়ে। ফরাসি খেলোয়াড়েরা প্রতিবাদ করলেও ভিএআর সিদ্ধান্ত বদলায়নি। ম্যাচ শেষে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন ওঠে দেশমের মুখে।
ফ্রান্স কোচ বলেন, ‘রেফারিং নিয়ে যদি আমি কিছু বলি, তাহলে হারার পর অজুহাত দিচ্ছি—এমনই শোনাবে। কিন্তু আমি আপনাদের একটি প্রশ্ন করতে চাই, সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান কি এই রেফারির ছিল? পেনাল্টির ঘটনাটি ছিল, তবে শুধু সেটাই নয়; আরও কিছু বিষয় মিলিয়েই এমনটা বলছি। আজ রাতের রেফারির বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত কোনো অভিযোগ নেই। তবে আপনারা নিজেরাই প্রশ্নটা করুন।’
নিজের দলের দুর্বলতাও আড়াল করেননি ফ্রান্স কোচ। তার মতে, হারের প্রধান কারণ রেফারিং নয়, বরং দলের টেকনিক্যাল ভুল। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা ভেঙে পড়েছে। কিন্তু আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। টেকনিক্যাল দিক থেকে আমরা ওদের চেয়ে পিছিয়ে ছিলাম। এটা আমাদেরই দোষ। আমরা নিজেদের চেয়ে নিচু মানের খেলেছি। কিছু টেকনিক্যাল ভুল করেছি, এমন কিছু পাস দিয়েছি, যেগুলো থেকে সুযোগ তৈরি হতে পারত। এটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবল, যতই কষ্ট লাগুক না কেন।’
স্পেনকে কৃতিত্ব দিয়ে দেশম বলেন, ‘স্প্যানিশরা আক্রমণ ভেঙে দেওয়া এবং পাস কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই ভালো। আমরা আক্রমণে ওদের আরও বেশি সমস্যায় ফেলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেটা করতে পারিনি। স্পেন পুরো ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছে। এই ম্যাচে তারা বাড়তি কিছু দেখিয়েছে।’
এই ম্যাচ দিয়েই ফ্রান্সের ডাগআউটে ১৪ বছরের দায়িত্বের ইতি টানলেন দেশম। ২০১৮ বিশ্বকাপসহ তাঁর অধীনে ১২০ ম্যাচ জিতেছে ফ্রান্স।

এই হারের হতাশা লুকাননি এবারের বিশ্বকাপে ৮ গোল করা এমবাপ্পে, ‘সবার মতোই, অনেক হতাশ আমি। ফাইনালে ওঠা ছিল আমাদের স্বপ্ন। আমাদের দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখানোর, ইতিহাস গড়ার সুযোগ দেওয়াও ছিল আমাদের লক্ষ্য। এখন মাথা উঁচু করেই এই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। হতাশা অনেক বেশি, আমি ঠিক ভাষায় সেটা প্রকাশ করতে
২৮ মিনিট আগে
এখন সামনে বিশ্বকাপের ফাইনাল। তবে ১৯ জুলাইয়ের আগে পোরোর মাথায় আপাতত একটাই চিন্তা, ‘আমি খেলার মতো ফিট হতে পারব কি না, সেটা দেখা যাবে। এই মুহূর্তে বলব, আমি যেন মৃত। এখন রিকভারির সময়।’
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ডালাসের গ্যালারি লাল-হলুদ উৎসবে মেতে ওঠে। ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন থেকে এখন মাত্র এক ধাপ দূরে স্পেন। এই জয়ে তারা শুধু ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালেই ফিরল না, ছুঁয়ে ফেলল ইতালির ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার বিশ্বরেকর্ডও।
২ ঘণ্টা আগে
সেমিফাইনালের মঞ্চে এমন ভুলের সুযোগ খুব কমই মেলে। আর সেই সুযোগটা যদি পায় স্পেনের মতো দল, তাহলে সেটা গোলে পরিণত করতে ভুল করে না।
৩ ঘণ্টা আগে