স্পেনকে চাপে রেখে ম্যাচ শুরু করার পরিকল্পনা ছিল ফ্রান্সের। কিন্তু ডালাসে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হয়েছে ঠিক উল্টোটা। বলের দখল, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ আর ম্যাচের গতি—সবই ছিল স্পেনের হাতে। তাই ২–০ গোলে হেরে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে ওঠার স্বপ্নও শেষ হয়েছে ফ্রান্সের।
ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে গিয়ে রেফারি বা ভাগ্যের কথা বলেননি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাঁর মতে, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি দল।সব দিক থেকেই ফ্রান্স ছিল পিছিয়ে।
ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে বলেন, ‘আমরা যে ম্যাচটা খেলতে চেয়েছিলাম, সেটা খেলতে পারিনি। কৌশলগতভাবে, কারিগরি দিক থেকে কিংবা আমরা সামগ্রিকভাবে যে মান দেখিয়েছি, কোনো দিক থেকেই সেটা হয়নি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যা করার কথা, তা করতে না পারলে আপনি জিতবেন না।’
স্পেনের সাফল্যের পেছনে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নকেই বড় কারণ মনে করেন ফ্রান্স অধিনায়ক। তাঁর মতে, প্রতিপক্ষ নিজেদের শক্তির জায়গায় খেলেছে, কিন্তু ফ্রান্স তাদের সেই ছন্দ ভাঙতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘স্পেন তাদের খেলার পরিকল্পনাতেই অটল ছিল। তারা বলের দখল রাখতে এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পছন্দ করে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল মাঠের ওপরে গিয়ে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের ছন্দে খেলতে না পারে। কিন্তু আমরা সেটা করতে পারিনি। টেকনিক্যাল ভুল ছিল খুব বেশি। যখন ওদের আঘাত করার প্রয়োজন ছিল, তখন আমরা জানতাম না কীভাবে সেটা করতে হয়।’
মাঝমাঠের লড়াইটাও স্পেনের পক্ষেই গেছে বলে মনে করেন এমবাপ্পে। বিশেষ করে রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইসকে খেলার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়াকে বড় ভুল হিসেবে দেখছেন তিনি, ‘আমরাই ওদের ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে দিয়েছি। শক্তির ভারসাম্য বদলে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল আমাদের, আর সেখানেই আমরা ব্যর্থ হয়েছি। শুরু থেকেই আমাদের প্রেসিংয়ে যোগাযোগের ঘাটতি ছিল। মাঝমাঠে আমরা বারবার তিনের বিপক্ষে দুইয়ে পড়ে গেছি। ফাবিয়ান ও রদ্রি খেলার জন্য অনেক সময় পেয়েছে।’
এই হারের হতাশা লুকাননি এবারের বিশ্বকাপে ৮ গোল করা এমবাপ্পে, ‘সবার মতোই, অনেক হতাশ আমি। ফাইনালে ওঠা ছিল আমাদের স্বপ্ন। আমাদের দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখানোর, ইতিহাস গড়ার সুযোগ দেওয়াও ছিল আমাদের লক্ষ্য। এখন মাথা উঁচু করেই এই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। হতাশা অনেক বেশি, আমি ঠিক ভাষায় সেটা প্রকাশ করতে পারছি না। আমাদের আবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ছুটিতে যেতে হবে এবং সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

এই ম্যাচ দিয়েই ফ্রান্সের ডাগআউটে ১৪ বছরের দায়িত্বের ইতি টানলেন দেশম। ২০১৮ বিশ্বকাপসহ তাঁর অধীনে ১২০ ম্যাচ জিতেছে ফ্রান্স।
১ ঘণ্টা আগে
এখন সামনে বিশ্বকাপের ফাইনাল। তবে ১৯ জুলাইয়ের আগে পোরোর মাথায় আপাতত একটাই চিন্তা, ‘আমি খেলার মতো ফিট হতে পারব কি না, সেটা দেখা যাবে। এই মুহূর্তে বলব, আমি যেন মৃত। এখন রিকভারির সময়।’
২ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ডালাসের গ্যালারি লাল-হলুদ উৎসবে মেতে ওঠে। ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন থেকে এখন মাত্র এক ধাপ দূরে স্পেন। এই জয়ে তারা শুধু ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালেই ফিরল না, ছুঁয়ে ফেলল ইতালির ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার বিশ্বরেকর্ডও।
২ ঘণ্টা আগে
সেমিফাইনালের মঞ্চে এমন ভুলের সুযোগ খুব কমই মেলে। আর সেই সুযোগটা যদি পায় স্পেনের মতো দল, তাহলে সেটা গোলে পরিণত করতে ভুল করে না।
৩ ঘণ্টা আগে