২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতে আর বেশি দেরী নেই। আগামীকাল লুসাইলে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স। যেখানে বিশ্বের অধিকাংশ ভক্ত-সমর্থক ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দেবেন। তবে এটা নিয়ে মোটেও ভাবছেন না দিদিয়ের দেশম।
আর্জেন্টিনার হাতে শিরোপা দেখতে চাওয়ার কারণ মূলত লিওনেল মেসি। ২০০৫ থেকে শুরু করে এখনো খেলছেন। আর্জেন্টিনার জার্সিতে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছেন। যার অনেক ভক্ত রয়েছেন। পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছেন। তবে এখনো বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। ২০১৪ বিশ্বকাপে শিরোপার কাছাকাছি গিয়েও হতাশ হতে হয়েছে মেসিকে।
দেশম আর্জেন্টিনার এত সমর্থক হওয়ার পেছনে মেসির জনপ্রিয়তাকেই মনে করেন। তারপরও তিনি খেলাতেই পূর্ণ মনোযোগ দিতে চান। ফ্রান্সের কোচ বলেন, ‘আমারও তেমনটাই মনে হচ্ছে। তবে সেটা আমাকে এত বেশি ভাবাচ্ছে না। এমন ম্যাচে আপনাকে খেলাতেই ফোকাস রাখতে হবে। আমি জানি আর্জেন্টিনা এবং বিশ্বের আরও অনেকে এবং ফ্রান্সেরও কয়েকজন চাচ্ছেন লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ জিতুক। কিন্তু আমরা জেতার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’
কাতার বিশ্বকাপের আগে পাঁচবার ফাইনাল খেলে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুইবার। তিনবার আকাশী-নীলরা হয়েছে রানার্সআপ। অন্যদিকে ফ্রান্স এই নিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলছে চতুর্থবারের মতো। এর আগের তিনবারের মধ্যে দুবার হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। একবার হয়েছে রানার্সআপ, যেখানে ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স।

আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
৫ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
১৩ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২৩ মিনিট আগে
সবকিছুই যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে ২–০, সময় গড়িয়ে ৬৭ মিনিট। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি, মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর হয়ে উঠেছেন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর্জেন্টিনার বিদায় তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প কি এত সহজে শেষ হয়!
৩৯ মিনিট আগে