দেড় বছরেরও বেশি সময় পর আবারও আলোচনায় আসছে ইউরোপীয়ান সুপার লিগ। বিখ্যাত ইউরোপীয়ান ক্লাবগুলো এর পক্ষে থাকায় উয়েফা তাদেরকে নিষিদ্ধের হুমকি দিয়েছিল। এবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, উয়েফা এই কাজ নিয়ম মেনেই করেছিল।
ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিসের সিনিয়র আইনবিষয়ক উপদেষ্টা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। অ্যাডভোকেট জেনারেল আথানাসিওস রান্তোস বলেন, ‘ফিফা, উয়েফা তাদের ক্লাবগুলোকে নিষিদ্ধ করুক বা না করুক, সে ব্যাপারে ইইউ এর প্রতিযোগিতার নিয়ম বাধা দেয় না।’
অনেক ফুটবল ভক্ত এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। ইউরোপিয় ফুটবল সমর্থকদের সংগঠন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘গত বছর ১২টি ধনাঢ্য ক্লাব ইউরোপিয়ান ফুটবলকে ধ্বংস করতে একটা বিচ্ছিন্ন লিগ আয়োজন করতে চেয়েছিল। তারা ব্যর্থ হয়েছে কারণ অনেক ভক্তই এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ছিল।’
২০২১ এর এপ্রিলে ১২ দল ইউরোপিয়ান সুপার লিগের প্রস্তাব দিয়েছিল। যার মধ্যে ছয়টি ক্লাব ইংল্যান্ডের, তিনটি করে ক্লাব সিরি-‘আ’ এবং লা লিগার। ক্লাবগুলো হলো: আর্সেনাল, চেলসি, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, টটেনহাম, বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকো মাদ্রিদ, এসি মিলান, ইন্টার মিলান ও জুভেন্টাস।

শেষ ষোলোর পর কোয়ার্টার ফাইনালের পালা। বোস্টনে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ফ্রান্স-মরক্কো। এই ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনায় আর্জেন্টিনা। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তুমুল আলোচিত-সমালোচিত আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের প্রভাব কি পড়ছে শেষ আটের প্রথম ম্যাচের ওপর? আসলে এখানে ব্যাপারটা অন্য কিছু।
১২ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-মিসর শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ষোলোর ম্যাচের ৩-২ স্কোরকার্ড ছাপিয়ে আলোচনায় রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। জয়ের পরও তাই আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকেরা অস্বস্তিতে পড়েছেন। লেতেক্সিয়ে আর্জেন্টাইনদের সুবিধা দিয়েছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে এমন চর্চা চলছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। ক
১ ঘণ্টা আগে
পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলের জয়—আটলান্টায় গত রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয়ের পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। মেসিকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করেছেন সতীর্থরা। কিন্তু ৩-২ গোলের ফল যে সবকিছু নয়, সেটা গত রাতে যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের একেবারে শেষভাগে এসে রেফার
২ ঘণ্টা আগে
কিছু দল আছে, যারা প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে নয়, বরং সুযোগের অপেক্ষা করে ঠিক সময়ে আঘাত হানার। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনও এমনই ছিল। ১৬ বছর পর সেই পুরোনো চেহারার আরেকটি ঝলক দেখা গেল ডালাসে। পর্তুগাল শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসে ভর করে শেষ হাসি
৩ ঘণ্টা আগে